‘অবৈধ’ নিয়োগে ৩৫ বছর শিক্ষকতা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ নভেম্বর, ২০২৪
     ৪:২৯ অপরাহ্ণ

‘অবৈধ’ নিয়োগে ৩৫ বছর শিক্ষকতা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ নভেম্বর, ২০২৪ | ৪:২৯ 190 ভিউ
নিয়োগবিধি লঙ্ঘন করে অবৈধ নিয়োগে ৩৫ বছর চাকরি করার অভিযোগ ওঠেছে ছবি রানী ব্যানার্জী নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার তারাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক হিসেবে কর্মরত আছেন। এ ঘটনায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। শিক্ষকের পদত্যাগের দাবিও জানিয়েছেন তারা। অভিযোগে জানা গেছে, ১৯৮৯ সালে তারাইল উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনটি পদে জনবল নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির আলোকে বিএসসি পদে ৬ জন ইংরেজী পদে, ১১ জন ও বিকম পদে মাত্র একজন প্রার্থী আবেদন করেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে চাকরিপ্রার্থীদের গঠিত নিয়োগ বোর্ডে সাক্ষাৎ গ্রহণের জন্য ডাকা হয়। সেখানে দুটি পদে সর্বোচ্চ

নম্বর প্রাপ্তদের বিধিমোতাবেক নিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। কিন্তু বিকম পদে একমাত্র ছবি রানী ব্যানার্জী আবেদন করেন। নিয়োগ কমিটি তাকে যোগ্যতা সম্পন্ন বিবেচিত করে অবৈধভাবে নিয়োগ দেয়। কিন্তু নিয়োগ বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোন পদে নিয়োগের জন্য নিয়োগ পরীক্ষায় কমপক্ষে তিনজন প্রার্থী উপস্থিত থাকতে হবে। কোরাম পূরণ না হলে কোনো অবস্থাতেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা যাবে না। কিন্তু ছবি রানী একক প্রার্থী হয়েও অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ নেন এবং অবৈধপন্থায় এমপিওভূক্ত হয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন। অভিযোগ রয়েছে, সবশের্ষ ২০১৮ সালে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) অডিট হয়। অডিটের সময় ওই কর্মকর্তাকে ৯৫ হাজার টাকার বিনিময়

‘ম্যানেজ’ করে স্বপক্ষে প্রতিবেদন করিয়ে নেন শিক্ষক ছবি রানী। ছবি রানী ব্যানার্জীর নিয়োগ সম্পূর্ণ বেআইনি ও বিধিবহির্ভূত বলে দাবি স্থানীয়দের। এদিকে বিষয়টি জানাজানি হওয়ায় গত ১ অক্টোবর চাকরি থেকে অব্যাহতি নেন ছবি রানী ব্যানার্জী। কয়েকদিন পর পুনরায় সেটি প্রত্যাহারও করে নেন তিনি। অভিযুক্ত শিক্ষক ছবি রানী ব্যানার্জির একক প্রার্থী হিসেবে তার নিয়োগের কথা স্বীকার করে বলেন, ‘একাধিকবার পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়ে প্রার্থী না পাওয়া গেলে একক প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়া যায়। আমি অবসরের জন্য অব্যাহতিপত্র জমা দিয়েছিলাম। পরবর্তীতে সেটি প্রত্যাহার করে নিয়েছি।’ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গজেন্দ্রনাথ বিশ্বাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ‘একাধিকবার অডিট হয়েছে। সর্বশেষ ২০১৮ সালেও অডিট হয়েছে তার পক্ষে। আর তিনি

অব্যাহতিপত্র জমা দিয়েছিলেন। আমি গ্রহণ করিনি।’

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
সুদখোর আর জামায়াতের হাতে স্বাধীনতার ইতিহাস ইউনুসের অবৈধ শাসনে বাংলাদেশিরা এখন বিশ্বের অচ্ছুত গোপালগঞ্জ-৩ আসনে নির্বাচনী প্রচারণা ঘিরে আতঙ্ক, সন্ত্রাসী ও জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ঝালকাঠি-১ আসনে জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হকের একটি নির্বাচনি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে ইতিহাসের ধ্রুবতারা ও ১০ জানুয়ারির তাৎপর্য: ভিন্ন প্রেক্ষাপটে এক ফিরে দেখা শেখ হাসিনাকেই চাই, মরতেও রাজি আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ ১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না: সাধারণ নাগরিকের অভিমত পিতার নামে শপথ নেওয়ার দিন আজ গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট খুনখারাপির বাংলাদেশ, জঙ্গিদের বাংলাদেশ, অবৈধ শাসনের বাংলাদেশ ইরানের এক শহরেই বিক্ষোভে ৮ সেনা নিহত গাজায় আন্তর্জাতিক বাহিনীর অংশ হতে প্রস্তাব দিল বাংলাদেশ পাকিস্তান-সৌদি প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগ দিতে চায় তুরস্ক বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পকে খুশি করতে চাইছে : খামেনি গ্রিনল্যান্ড ঠিক কী কারণে দরকার, জানালেন ট্রাম্প বস্তিবাসীর মানসিক রোগে চিকিৎসা গ্রহণের হার বেড়েছে ৫ গুণ সিসিটিভি ফুটেজে দুই শুটারের চেহারা স্পষ্ট, পরিচয় মেলেনি ২ দিনেও বেড়েছে চাল ডালের দাম, কমছে না সবজিরও নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে স্বর্ণ-রুপা, বাজারদর জেনে নিন