ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশজুড়ে চলছে ‘জামায়াতি মুক্তকরণ’: তারেক সরকারের পদক্ষেপে ইউনূসতন্ত্রের জামায়াতিকরণের অবসান?
ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি, ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ বিভিন্ন অভিযোগ, শাস্তি চেয়ে বিক্ষোভ
বিএনপি ক্ষমতা নিলেই দেশে শুরু হয় ধর্ষণের মহোৎসব
মব, মিথ্যা মামলা আর কারাগারে মৃত্যু; এটাই কি বিএনপির “নতুন রাজনীতি”?
ভূমি দস্যুদের হাতেই প্রশাসন! দখলদারকে প্রশাসক বানিয়ে বিএনপি দেখাল তাদের আসল চেহারা
বিএনপির বাংলাদেশ: রাতে গুলি, সকালে তদন্ত, বিকেলে ভুলে যাওয়া
একমাসের ব্যবধানে মাদকসহ আটকের পর এবার চাঁদাবাজির মামলায় গ্রেপ্তার ছাত্রদলের আহ্বায়ক
অন্তর্বর্তী সরকারের আইনগত কোন ভিত্তি নেই: রিজভী
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, আওয়ামীলীগের দোসররাই চিত্রশিল্পী মানবেন্দ্রর বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটিয়েছে । মানবেন্দ্র ঘোষ ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের চারুকলার একজন মেধাবী ছাত্র সে ঐ বিশ^বিদ্যালয়ের এক শিক্ষক হওয়ার কথা । মানবেন্দ্র ঘোষ দেশে মানুষের কথা ভেবে স্বাধীনতার ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে আন্দোলন করেছে আওয়ামীলীগের দোসররা তাকে টার্গেট করেছে । পহেলা বৈশাখে তার চিত্রশিল্পের মাধ্যেমে মানুষের আবেগ, স্বাধীনতার ও সার্বভৌমত্ব ,আন্দোলনকে ফুটিয়ে তুলেছে ।
আজ বুধবার (২৩ এপ্রিল) বেলা সাড়ে এগারোটায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার চারুশিল্পী মানবেন্দ্র ঘোষের অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাতিকদের ব্রিফিং কালে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্র্বতী সরকারকে উদ্দেশ্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, সমন্ত
গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের সমর্থন দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কিন্তু কনস্টিটিউশনালি বা আইনগতভাবে অন্তর্র্বতী সরকারের কোন ভিত্তি নেই। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে তারা প্রত্যেকেই আপনাদের সমর্থন করেছে সে অনুযায়ী আপনারা দেশ চালাচ্ছেন। এখন আওয়ামী লীগ কিভাবে রাজনীতি করবে সে দায়িত্ব অন্তর্র্বতী সরকারের। কারণ প্রশাসন আপনাদের হাতে, অন্য সব স্টেট মেশিনারি আপনাদের হাতে। আওয়ামীলীগকে নিয়ে আপনারা কি করবেন সেটা আপনাদেরই ঠিক করতে হবে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'আওয়ামী লীগের দোসরদের অনুসারীরা ঘাপটি মেরে আছে বিভিন্ন তৃণমূলে সমাজের নানা জায়গায়। ওদের কাছে পেট্রোল কিনে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার যে অর্থ, মানুষকে হত্যা করার জন্য যে অস্ত্র লাগে তার অর্থ তাদের কাছে আছে। সেটাকে দমন করতে
আপনাদের কি আইন প্রনয়ন করতে সেটা আপনারা জনগণের কাছে খোলাসা করুন। যেহেতু প্রশাসন আপনাদের হাতে। দোসরদের অনেকেই পালিয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী দেশ সহ অনেক জায়গায়। কিন্তু যারা নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে তারা প্রশ্রয় পাচ্ছে কার দ্বারা। প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গের তো এটা জানার কথা। যারা ১৫ বছর যাবত শেখ হাসিনাকে পাহারা দিয়েছে, ব্যাংক লুট করেছে, অন্যের সম্পদ লুট করেছে, টাকা পাচার করেছে তারা আজ এই জনসমুদ্রের ভিতর কোথায় লুকিয়ে আছে অন্তর্র্বতী সরকার যদি খুঁজে বের করতে না পারে তাহলে তো এই সরকারকে মানুষ ব্যর্থ সরকার বলবে। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খান রিতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির)
কেন্দ্রীয় নেতা শফিউর রহমান সফু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ খান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আ.ফ.ম নুরতাজ আলম বাহার, গোলাম আবেদীন কায়সার, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, যুবদলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জিন্নাহ খান, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান সজীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
গণতন্ত্রকামী মানুষ আপনাদের সমর্থন দিয়ে ক্ষমতায় বসিয়েছে। কিন্তু কনস্টিটিউশনালি বা আইনগতভাবে অন্তর্র্বতী সরকারের কোন ভিত্তি নেই। যারা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে তারা প্রত্যেকেই আপনাদের সমর্থন করেছে সে অনুযায়ী আপনারা দেশ চালাচ্ছেন। এখন আওয়ামী লীগ কিভাবে রাজনীতি করবে সে দায়িত্ব অন্তর্র্বতী সরকারের। কারণ প্রশাসন আপনাদের হাতে, অন্য সব স্টেট মেশিনারি আপনাদের হাতে। আওয়ামীলীগকে নিয়ে আপনারা কি করবেন সেটা আপনাদেরই ঠিক করতে হবে। রুহুল কবির রিজভী বলেন, 'আওয়ামী লীগের দোসরদের অনুসারীরা ঘাপটি মেরে আছে বিভিন্ন তৃণমূলে সমাজের নানা জায়গায়। ওদের কাছে পেট্রোল কিনে বাড়ি পুড়িয়ে দেওয়ার যে অর্থ, মানুষকে হত্যা করার জন্য যে অস্ত্র লাগে তার অর্থ তাদের কাছে আছে। সেটাকে দমন করতে
আপনাদের কি আইন প্রনয়ন করতে সেটা আপনারা জনগণের কাছে খোলাসা করুন। যেহেতু প্রশাসন আপনাদের হাতে। দোসরদের অনেকেই পালিয়ে গেছে পার্শ্ববর্তী দেশ সহ অনেক জায়গায়। কিন্তু যারা নৈরাজ্য ছড়াচ্ছে তারা প্রশ্রয় পাচ্ছে কার দ্বারা। প্রশাসনের ব্যক্তিবর্গের তো এটা জানার কথা। যারা ১৫ বছর যাবত শেখ হাসিনাকে পাহারা দিয়েছে, ব্যাংক লুট করেছে, অন্যের সম্পদ লুট করেছে, টাকা পাচার করেছে তারা আজ এই জনসমুদ্রের ভিতর কোথায় লুকিয়ে আছে অন্তর্র্বতী সরকার যদি খুঁজে বের করতে না পারে তাহলে তো এই সরকারকে মানুষ ব্যর্থ সরকার বলবে। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহবায়ক আফরোজা খান রিতা, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির)
কেন্দ্রীয় নেতা শফিউর রহমান সফু, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আজাদ খান, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আ.ফ.ম নুরতাজ আলম বাহার, গোলাম আবেদীন কায়সার, বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক উদ্দিন ভূঁইয়া হাবু, যুবদলের সদস্য সচিব তুহিনুর রহমান তুহিন, যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জিন্নাহ খান, ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ, সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান সজীব প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।



