ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
হাওয়া ভবনের চাঁদাবাজির টাকা ফেরত চায়, চাঁদাবাজকে এসএসএফ প্রটোকল কেন? প্রশ্নের মুখে তারেক রহমান
জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে কামরুল হাসান রিপন: ‘মব’ হামলায় রক্তাক্ত পরিবারের সামনেই পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ
স্বাধীনতার শত্রুদের প্রতি এক বাঙালি নারীর বজ্রকণ্ঠী হুঙ্কার: ‘চোখ উপড়ে পাকিস্তানে পাঠাবো!’
জুলাই ষড়যন্ত্রের অভিশাপ: ধসে পড়ছে দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড গার্মেন্টস শিল্প
গণতন্ত্র নয়, নির্বাচনের নাটক: বাংলাদেশকে কোন পথে ঠেলে দিচ্ছে এই ভোট?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১০ম পদাতিক ডিভিশনের রামু সদরদপ্তরে মার্কিন অটিজম বিশেষজ্ঞদের ‘রহস্যজনক’ সফর
মা আন্দোলনকারীদের হত্যা করতে চাইলে এখনও ক্ষমতায় থাকতেন: সজীব ওয়াজেদ জয়
মাহমুদুর রহমান কেন কারাগারে, জানালেন আসিফ নজরুল
আমার দেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমান কারাগারে যাওয়ায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, মাহমুদুর রহমান দেশের একজন প্রথিতযশা সাংবাদিক। তিনি পতিত স্বৈরাচারী সরকারের আমলে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। শারীরিকভাবে তাকে আক্রমণ করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। ফ্যাসিবাদের হিংস্র আক্রমণে দমাতে না পেরে তার জীবনকে বিপন্ন করার চক্রান্ত করা হয়েছে।
সব মহল থেকেই মাহমুদুর রহমানের মুক্তি দাবি করা হয়েছে। এমতাবস্থায় বুধবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক ভিডিও বার্তায় মাহমুদুর রহমানকে নিয়ে কথা বলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল।
আইন উপদেষ্টা বলেন, এ দেশে শেখ হাসিনার যে ফ্যাসিবাদী শাসন ছিল
সেটার বিরুদ্ধে বুদ্ধিভিত্তিক লড়াইয়ের সূচনা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান ভাই। এ জন্য উনাকে প্রচণ্ড নিপীড়ন-নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। যেটার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। উনাকে একটি ভুয়া মামলায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার শাস্তি দিয়েছিল। উনার অবর্তমানে শাস্তি দিয়েছিল। এই মামলার মেরিট নিয়েও প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। তিনি বলেন, এ মামলায় বিচার কার্য সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। উনাকে অলরেডি শাস্তি দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। উনি বাংলাদেশে আসার কিছুদিন আগে উনার স্ত্রী শ্রদ্ধেয় ভারির বিরুদ্ধেও একটা অগ্রহণযোগ্য মামলা করা হয়েছিল। তিনি সেই মামলাতে সাজা স্থগিত চেয়ে আপিলের জন্য আবেদন করেছিলেন। এটা আমার কাছে আসে না। এই আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন আমাদের
অভিমত চেয়েছে আমরা তখন ইতিবাচক জোর সুপারিশ করেছি। আমাদের এই সুপারিশের ভিত্তিতে মাহমুদুর রহমান ভাইয়ের স্ত্রীর সাজা স্থগিত করে উনাকে আপিল করার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, মাহমুদুর রহমান ভাই যে মামলায় শাস্তি পেয়ে আজকে জেলে আছেন প্রকৃতপক্ষে এ মামলায় আরেকজন বরেণ্য সাংবাদিক শফিক রেহমানেরও সাজা হয়েছিল। উনি এই মামলার সাজা স্থগিত চেয়ে আপিলের আবেদন করেছিলেন। আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে সেটা অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু মাহমুদুর রহমান ভাই এটা করেন নাই। আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, আপনারা সবাই জানেন উনি অত্যন্ত দৃঢ় আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক মানুষ। উনার এ রকম ব্যক্তিত্বের কারণে হয়তো তিনি মনে করেছেন উনি সাজা স্থগিতের আবেদন করবেন না। বা
অন্য কারণেই হোক আমি জানি না। যাইহোক উনি সাজা স্থগিত রেখে মুক্ত মানুষ হিসেবে আপিল করার কোনো আবেদন করেননি। ফলে এটা করার কোনো সুযোগ মন্ত্রণালয় বা সরকারের ছিল না।
সেটার বিরুদ্ধে বুদ্ধিভিত্তিক লড়াইয়ের সূচনা করেছিলেন মাহমুদুর রহমান ভাই। এ জন্য উনাকে প্রচণ্ড নিপীড়ন-নির্যাতন ভোগ করতে হয়েছে। যেটার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না। উনাকে একটি ভুয়া মামলায় ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার শাস্তি দিয়েছিল। উনার অবর্তমানে শাস্তি দিয়েছিল। এই মামলার মেরিট নিয়েও প্রশ্ন তোলা যেতে পারে। তিনি বলেন, এ মামলায় বিচার কার্য সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল। উনাকে অলরেডি শাস্তি দেওয়া হয়ে গিয়েছিল। উনি বাংলাদেশে আসার কিছুদিন আগে উনার স্ত্রী শ্রদ্ধেয় ভারির বিরুদ্ধেও একটা অগ্রহণযোগ্য মামলা করা হয়েছিল। তিনি সেই মামলাতে সাজা স্থগিত চেয়ে আপিলের জন্য আবেদন করেছিলেন। এটা আমার কাছে আসে না। এই আবেদন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে যায়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যখন আমাদের
অভিমত চেয়েছে আমরা তখন ইতিবাচক জোর সুপারিশ করেছি। আমাদের এই সুপারিশের ভিত্তিতে মাহমুদুর রহমান ভাইয়ের স্ত্রীর সাজা স্থগিত করে উনাকে আপিল করার সুযোগ দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, মাহমুদুর রহমান ভাই যে মামলায় শাস্তি পেয়ে আজকে জেলে আছেন প্রকৃতপক্ষে এ মামলায় আরেকজন বরেণ্য সাংবাদিক শফিক রেহমানেরও সাজা হয়েছিল। উনি এই মামলার সাজা স্থগিত চেয়ে আপিলের আবেদন করেছিলেন। আইন মন্ত্রণালয়ের সুপারিশের ভিত্তিতে সেটা অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু মাহমুদুর রহমান ভাই এটা করেন নাই। আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, আপনারা সবাই জানেন উনি অত্যন্ত দৃঢ় আত্মসম্মানবোধসম্পন্ন এবং দেশপ্রেমিক মানুষ। উনার এ রকম ব্যক্তিত্বের কারণে হয়তো তিনি মনে করেছেন উনি সাজা স্থগিতের আবেদন করবেন না। বা
অন্য কারণেই হোক আমি জানি না। যাইহোক উনি সাজা স্থগিত রেখে মুক্ত মানুষ হিসেবে আপিল করার কোনো আবেদন করেননি। ফলে এটা করার কোনো সুযোগ মন্ত্রণালয় বা সরকারের ছিল না।



