মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণেই ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৬ অক্টোবর, ২০২৪

মধ্যস্বত্বভোগীদের কারণেই ইলিশের দাম আকাশছোঁয়া

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৬ অক্টোবর, ২০২৪ |
ইলিশের জন্য ব্র্যান্ডিং জেলা চাঁদপুর। মিঠা পানির মাছখ্যাত রুপালি ইলিশের একটি বড় অংশ চাঁদপুরের পদ্মা-মেঘনায়। আহরণ থেকে ভোক্তা পর্যন্ত পৌঁছতে ফড়িয়া/আড়তদার/মধ্যস্বত্বভোগীদের মাধ্যমে কয়েক দফা হাতবদল হয়। এটাই চাঁদপুরে ইলিশের দাম বেশি হওয়ার অন্যতম কারণ। ইলিশ গবেষক ড. আনিসুর রহমান বলেন, ইলিশ কমে যাওয়ার আরও কতগুলো কারণ হলো-চাঁদপুর বেল্টে নদী দূষণ, ডুবোচর, কারেন্টজাল দিয়ে প্রতিবন্ধকতা তৈরি, বালু উত্তোলনের পাশাপাশি গ্লোবাল ক্লাইমেট চেঞ্জ প্রভৃতি। বর্তমানে এখানে এক কেজি ইলিশের দাম ১৮শ থেকে ১৯শ টাকা। ৮০০ গ্রাম ইলিশ ১৫শ থেকে ১৬শ টাকা। আর আধা কেজি সাইজের ইলিশ ১ হাজার থেকে ১৩শ টাকা। ২০০ থেকে ২৫০ গ্রাম ওজনের জাটকা ৬শ থেকে ৭শ টাকা। কয়েক বছর ধরেই ইলিশের

দাম বাড়তি। এর নেপথ্যে অন্যতম প্রধান কারণ আহরণ থেকে বিপণন পর্যন্ত কয়েক দফা হাতবদল। ইলিশের বাজার এখন মূলত দাদন ব্যবসায়ী-আড়তদারদের হাতে জিম্মি। ইলিশের একেকটি ঘাট থেকেই মোবাইলের মাধ্যমে পুরো দেশের বাজার নিয়ন্ত্রণ করা হয়। প্রশাসন যদি সত্যিকার অর্থে ঘাট নিয়ন্ত্রণ ও জেলেদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করে তাহলে বর্তমানে যে দামে ইলিশ বিক্রি হচ্ছে, তার অর্ধেক দামে ইলিশ বিক্রি করা সম্ভব। জাল ও ট্রলার সবই দাদন ব্যবসায়ীদের জিম্মায় থাকে। অনেক ক্ষেত্রে ট্রলারে দাদন ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি থাকেন। পানি থেকে ইলিশ উঠতেই দাদন ব্যবসায়ীদের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। এদিকে মা ইলিশ বা জাটকা রক্ষা মৌসুমে প্রকৃত জেলে নির্ণয় করে তাদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে জেলেরা

মনে করেন। জেলে তাফাজ্জল গাজীর বাড়ি চাঁদপুরের হরিণায়। তিনি জানান, তাদের ট্রলারে ৮ জেলে এবং একজন মাঝি রয়েছেন। ৯ দিন আগে ট্রলার নিয়ে হরিণাঘাট থেকে তারা নোয়াখালীর হাতিয়া ও সন্দ্বীপ এলাকায় ইলিশ ধরতে যান। এ সময় তারা ২০ হাজার টাকার চাল-ডাল, বরফসহ আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র কেনেন। আর জ্বালানি (ডিজেল) কেনেন ৫০ হাজার টাকার। মোট ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তাদের। মাছ পেয়েছেন দেড় লাখ টাকার। এই টাকার লাভের অর্ধেক পাবেন ট্রলার মালিক। বাকি টাকা ১০ ভাগ হবে। ২ ভাগ ট্রলারের মাঝির, বাকি ৮ ভাগ ৮ জেলের। মূলত লাভের বড় একটি অংশ পেয়ে থাকেন ট্রলার মালিক। বহরিয়ার জেলে বারেক দর্জি জানান, নদী বা সমুদ্র থেকে

জেলেরা মাছ ধরে ঘাটে আনার পর মাছের নিয়ন্ত্রণ আর তাদের হাতে থাকে না। জেলে বা ট্রলার মালিক ইচ্ছা করলেও সরাসরি বেপারি বা ক্রেতার কাছে মাছ বিক্রি করতে পারেন না। মাছ সরাসরি চলে যায় মহাজনের কাছে। মহাজনের নিয়োজিত কর্মী প্রাথমিকভাবে একটি দাম নির্ধারণ করে ‘নিলাম’ ডাকেন। একের পর এক দাম হাঁকানোর পর যে কোনো একজন বেপারি সেই মাছ কিনে নেন। এরপর বিক্রি করেন আড়তে বা খুচরা বিক্রেতাদের কাছে। খুচরা বিক্রেতাদের হাত হয়ে যায় ক্রেতাদের হাতে। মহাজন থেকে শুরু করে ক্রেতা পর্যন্ত ৪ বার হাতবদল হয়-তাদের প্রত্যেকেই শতকরা ১০ থেকে ১৫ শতাংশ লাভ করে থাকেন। এভাবেই ঘাট থেকে শুরু করে খুচরা ক্রেতা

পর্যন্ত হাতবদলে ইলিশ মাছের দাম বেড়ে যায় কয়েকগুণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
হাওড়ে কৃষকের স্বপ্নভঙ্গ শেষ হলো ‘এটা আমাদেরই গল্প’র শুটিং পা দেখেই ধরা পড়বে হার্টের বিপদ, যেভাবে বুঝবেন সতর্ক সংকেত প্রশিক্ষণ নিতে পাকিস্তান যাচ্ছেন ১১ সরকারি কর্মকর্তা চীনা মুদ্রার কাছে কোণঠাসা মার্কিন ডলার প্রধানমন্ত্রীর অভিপ্রায়ে তনু হত্যা মামলার জট খুলছে আরও ৪ জেলায় বন্যার আভাস পরমাণু আলোচনার আগেই হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে চায় ইরান থানায় ডেকে নারীর কাছে ঘুস নেওয়ায় ওসি ক্লোজড যুক্তরাজ্যে মার্কিন নাগরিকদের জন্য জরুরি সতর্কবার্তা ডিসি সম্মেলন শুরু রোববার, প্রধান বিষয়গুলো যা থাকছে ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের সতর্কবার্তা নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের সম্ভাব্য সময় নিয়ে যা জানা গেল অভিনব কায়দায় চোরের চাঁদা দাবি! পুলিশের ওপর হামলা করে অস্ত্র লুট, গ্রেফতার ৩ শিক্ষার সর্বস্তরে ধর্মীয় শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার দাবি জনম জিরাতি সুখ অভিনয় ও চিত্রনাট্যে এআই নিষিদ্ধ করল অস্কার মদ্যপান ত্যাগ জীবনের সেরা সিদ্ধান্ত ছিল: টম হল্যান্ড জোড়া সেঞ্চুরিতে কার্সন-রবিনসনের ইতিহাস