রৌদ্র রুদ্র
আরও খবর
পরিকল্পিত অর্থনৈতিক স্থবিরতা (স্ট্যাগফ্লেশন) এবং মহা অস্বীকৃতি
জঙ্গিবাদের পুনরুত্থান: আঞ্চলিক উগ্রবাদের নতুন কেন্দ্র বাংলাদেশ
ফ্রান্সে “দাঙ্গা”, বাংলাদেশে “বিপ্লব”: আন্তর্জাতিক মহলের এই দ্বিচারিতা কেন?
আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ কৌশলের পুনরাবৃত্তি
হিন্দু পরিচয়ের কারণে ইউনূস আমলে পাসিং আউট প্যারেডের আগে নেভাল একাডেমি থেকে বহিষ্কৃত হন পৃথ্বী নন্দী
দিলারা চৌধুরী এবং তার স্বামীর বঙ্গবন্ধুবিরোধিতা ও ইতিহাস বিকৃতি’র শেকড় ১৯৭১-এ প্রোথিত
যুক্তরাষ্ট্র কী রূপপুর চালু হতে দেবে?
ফাঁসির রায়ে দমে না লড়াই: রক্তচক্ষু আর প্রহসনের বিচারে সংগ্রাম ও নেতৃত্ব আজ আরও শাণিত
ইতিহাসের পাতা উল্টালে একটি অবিনশ্বর সত্য বারবার স্পষ্ট হয়ে ওঠে—যে রাজনীতির মূল জনতার গভীরে প্রোথিত, জেল-জুলুম কিংবা তথাকথিত ফাঁসির মঞ্চ দিয়ে তাকে স্তব্ধ করা যায় না। কারার লৌহকপাট কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায়ের কাগজ দিয়ে সাময়িকভাবে কোনো আদর্শকে কোণঠাসা করার চেষ্টা হয়তো হতে পারে, কিন্তু সেই অন্যায় আঘাতই পর মুহূর্তে অনুসারীদের বুকে জমানো আগুনকে দ্বিগুণ তীব্রতায় জ্বালিয়ে তোলে।
★ ইতিহাসের শিক্ষা- ফাঁসির মঞ্চেও নমিত হয়নি নেতৃত্বঃ
বিশ্ব ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নেলসন ম্যান্ডেলার রবেন দ্বীপের ২৭ বছরের কারাবাস বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রামকে থামিয়ে দেয়নি, বরং তা বিশ্বজুড়ে মুক্তির আন্দোলনের প্রতীক হয়ে উঠেছিল।
ঠিক তেমনি এ দেশেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের ইতিহাস নতুন নয়। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনে জীবনের মূল্যবান ৪,৬৮২ দিন (প্রায় ১৩ বছর) কারাগারে কাটিয়েছেন। ১৯৬৮ সালের তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের পশ্চিম পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে সামরিক ট্রাইব্যুনালের গোপন বিচারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। এমনকি জেলখানায় তাঁর জন্য কবর পর্যন্ত খোঁড়া হয়েছিল। কিন্তু ফাঁসির দড়ি বা কারার প্রকোষ্ঠ বঙ্গবন্ধুকে নমিত করতে পারেনি; বরং সেই জুলুমই বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে আরও শানিত ও অপ্রতিরোধ্য করেছিল। ★ একতরফা রায় ও ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসনঃ ইতিহাসের সেই একই ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি আজ আবার দেখা যাচ্ছে। গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নামধারী ক্যাঙ্গারু কোর্ট থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একতরফাভাবে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, একইভাবে সেই ক্যাঙ্গারু কোর্ট থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ফের প্রহসনমূলক মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করা হলো। ★ অগ্নিপরীক্ষায় শানিত হবে আগামীর সংগ্রামঃ ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে যে মিথ্যা মামলা, হামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের স্টিমরোলার
চালানো হচ্ছে, ক্যাঙ্গারু কোর্টের আজকের এই রায় তারই ধারাবাহিকতা। তবে ইতিহাসের সত্য এই যে, ষড়যন্ত্রের ওপর ভর করে দেওয়া এই প্রহসনমূলক বিচার ও ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় অচিরেই মিথ্যা প্রমাণিত হতে বাধ্য। তৃণমূলের যে অগণিত কর্মী আজ রাজপথে লড়াই করছেন, তাঁদের এই ত্যাগ বৃথা যাবে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—ফাঁসির ভীতি দেখিয়ে যাঁদের নতিস্বীকার করানো যায় না, কারাদণ্ডের শিকল দিয়ে যাঁদের রাজপথের আদর্শকে বন্দি রাখা যায় না, সেই লড়াকু সেনানীরা এই কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়েই আরও বেশি শানিত ও ইস্পাতকঠিন হয়ে উঠবেন। “বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ যেমন একদা একটি স্বাধীন জাতির জন্ম দিয়েছিল, ঠিক তেমনি আজকের এই অবিচার ও প্রহসনের অন্ধকার ভেদ করেও উদিত হবে নতুন
সকাল—যেখানে জনগণের সেবায় আবার বীরদর্পে ফিরে আসবে দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব।” কোনো রক্তচক্ষু, ক্যাঙ্গারু কোর্টের কোনো প্রহসনমূলক রায় গণমানুষের এই স্পন্দনকে রুদ্ধ করতে পারবে না; বরং আজকের এই প্রতিটি অন্যায় আঘাতই আগামীর ঐতিহাসিক পুনরুত্থান ও অপ্রতিরোধ্য ঘুরে দাঁড়ানোর দুর্বার প্রেরণা হয়ে উঠবে।
শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর রাজনৈতিক জীবনে জীবনের মূল্যবান ৪,৬৮২ দিন (প্রায় ১৩ বছর) কারাগারে কাটিয়েছেন। ১৯৬৮ সালের তথাকথিত আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের পশ্চিম পাকিস্তানের মিয়ানওয়ালি কারাগারে সামরিক ট্রাইব্যুনালের গোপন বিচারে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড পর্যন্ত দেওয়া হয়েছিল। এমনকি জেলখানায় তাঁর জন্য কবর পর্যন্ত খোঁড়া হয়েছিল। কিন্তু ফাঁসির দড়ি বা কারার প্রকোষ্ঠ বঙ্গবন্ধুকে নমিত করতে পারেনি; বরং সেই জুলুমই বাঙালির স্বাধীনতার চেতনাকে আরও শানিত ও অপ্রতিরোধ্য করেছিল। ★ একতরফা রায় ও ক্যাঙ্গারু কোর্টের প্রহসনঃ ইতিহাসের সেই একই ষড়যন্ত্রের পুনরাবৃত্তি আজ আবার দেখা যাচ্ছে। গত ১৭ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নামধারী ক্যাঙ্গারু কোর্ট থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে একতরফাভাবে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করা হয়েছিল। আজ ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, একইভাবে সেই ক্যাঙ্গারু কোর্ট থেকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালী আসিফ ইনানসহ শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ফের প্রহসনমূলক মৃত্যুদণ্ডের রায় প্রদান করা হলো। ★ অগ্নিপরীক্ষায় শানিত হবে আগামীর সংগ্রামঃ ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর থেকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ সকল সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে যে মিথ্যা মামলা, হামলা, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের স্টিমরোলার
চালানো হচ্ছে, ক্যাঙ্গারু কোর্টের আজকের এই রায় তারই ধারাবাহিকতা। তবে ইতিহাসের সত্য এই যে, ষড়যন্ত্রের ওপর ভর করে দেওয়া এই প্রহসনমূলক বিচার ও ক্যাঙ্গারু কোর্টের রায় অচিরেই মিথ্যা প্রমাণিত হতে বাধ্য। তৃণমূলের যে অগণিত কর্মী আজ রাজপথে লড়াই করছেন, তাঁদের এই ত্যাগ বৃথা যাবে না। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—ফাঁসির ভীতি দেখিয়ে যাঁদের নতিস্বীকার করানো যায় না, কারাদণ্ডের শিকল দিয়ে যাঁদের রাজপথের আদর্শকে বন্দি রাখা যায় না, সেই লড়াকু সেনানীরা এই কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মধ্য দিয়েই আরও বেশি শানিত ও ইস্পাতকঠিন হয়ে উঠবেন। “বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক আত্মত্যাগ যেমন একদা একটি স্বাধীন জাতির জন্ম দিয়েছিল, ঠিক তেমনি আজকের এই অবিচার ও প্রহসনের অন্ধকার ভেদ করেও উদিত হবে নতুন
সকাল—যেখানে জনগণের সেবায় আবার বীরদর্পে ফিরে আসবে দেশপ্রেমিক নেতৃত্ব।” কোনো রক্তচক্ষু, ক্যাঙ্গারু কোর্টের কোনো প্রহসনমূলক রায় গণমানুষের এই স্পন্দনকে রুদ্ধ করতে পারবে না; বরং আজকের এই প্রতিটি অন্যায় আঘাতই আগামীর ঐতিহাসিক পুনরুত্থান ও অপ্রতিরোধ্য ঘুরে দাঁড়ানোর দুর্বার প্রেরণা হয়ে উঠবে।





