নেমে যাচ্ছে পানি, রেখে যাচ্ছে ধ্বংসস্তূপ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৪

নেমে যাচ্ছে পানি, রেখে যাচ্ছে ধ্বংসস্তূপ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ October, ২০২৪ |
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট-ধোবাউড়া ও ফুলপুরে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। বৃষ্টি না থাকায় অনেক অঞ্চলে পানি নামতে শুরু করেছে। তবে কিছু এলাকায় পানি আগের অবস্থায়ই আছে। এসব এলাকার মানুষ খাবার ও সুপেয় পানির সংকটে রয়েছেন। জেলার তিন উপজেলার ২৩টি ইউনিয়নের ১০৫টির বেশি গ্রামে অন্তত দেড় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। দুর্ভোগে দিন কাটছে তাদের। পুরো উপজেলায় অন্তত ১২৭ কিলোমিটার সড়ক পানিতে তলিয়ে গেলেও ৫০ কিলোমিটারের মতো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে অন্তত ৫০ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এলাকার রাস্তাঘাট বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তলিয়ে গেছে ১১৭০০ হেক্টর আমন ধানের জমি, মৎস্য খাতে ক্ষতি প্রায় ৩৩ কোটি টাকা। প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করা

হচ্ছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই অপর্যাপ্ত। ত্রাণের জন্য হাহাকার করছে তিন উপজেলার দুর্গত এলাকার পানিবন্দি মানুষজন। বাড়ি ঘরে পানি থাকায় বৃদ্ধ ও শিশুদের খাবার নিয়ে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন পরিবারের সদস্যরা। সব হারিয়ে নিঃস্ব পরিবারগুলো। ধোবাউড়া উপজেলার সাতটি ইউনিয়নের ১৬৪ গ্রামে প্রায় ২ লাখ মানুষের বসবাস। এ উপজেলায় চলমান বন্যায় লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন। ৫৮ হাজার মানুষ পানিবন্দি, জানিয়েছেন জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত শারমিন বলেন, আজ গোয়াতলা ও ধোবাউড়া সদর এলাকায় পানি বাড়ছে। দক্ষিণ মাইজপাড়া, গামারীতলা ও ঘোষগাঁও ইউনিয়নে পানি কমতে শুরু করেছে। পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নে পানি স্থিতিশীল রয়েছে। সোমবার (৭ অক্টোবর ) দুপুরে ত্রাণ ও দুর্যোগ পুনর্বাসন কর্মকর্তা

মো. সানোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোকে আশ্রয় কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি বলেন, আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে এখন নারী-শিশুসহ দুই হাজার মানুষ আশ্রয় নিয়েছে। তিন উপজেলায় ৬৩ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ৭ লাখ টাকা সহায়তা দেওয়া হয়েছে। দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম চলছে। এ ছাড়া রান্না করা খাবারও দেওয়া হচ্ছে বন্যা দুর্গতদের মাঝে। হালুয়াঘাটের প্রায় সব ইউনিয়ন প্লাবিত হয়ে পানি নামতে শুরু করেছে। হালুয়াঘাট উপজেলার ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ভূবনকুড়া, জুবলী, কৈচাপুর, সদর, গাজীরভিটা ও পৌর এলাকার পানি কমতে শুরু করেছে। তবে নতুন করে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে ধারা, ধুরাইল, নড়াইল, সাখুয়াই, আমতৈল ও বিলডোরাসহ মোট ৬টি ইউনিয়নে। এতে

এই উপজেলায় বতর্মানে ১৮ হাজার পরিবার পানিবন্দি। এদিকে ফুলপুরে একটি ইউনিয়নে বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলেও আরেকটি ইউনিয়নে প্লাবিত হয়েছে। উপজেলার ছনধরা, রামভদ্রপুর, সিংহেশ্বরও, ফুলপুর ইউনিয়নের অধিকাংশ ও অন্যান্য ইউনিয়নের ২৫টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এর মধ্যে নতুন করে প্লাবিত হয়েছে ১০টি গ্রাম। হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এরশাদুল আহমেদ বলেন, উজানে প্লাবিত হওয়া গ্রামের পানি নামতে শুরু করেছে। উপজেলার নড়াইল, কৈচাপুর, ধুরাইল এবং আমতৈল ইউনিয়ন দিয়ে পানি ফুলপুর হয়ে ব্রহ্মপুত্র নদে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে নতুন কয়েকটি গ্রাম প্লাবিত হলেও সার্বিক পরিস্থিতি ভালো।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম বন্ধ মিরপুরে পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ভিডিও পাঠিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ দলীয় সমর্থন হারানোর দিনই আল-সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ আসামের ধুবড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে ৪ হাজার বাঙালি মুসলমান গৃহহীন মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের জোর চেষ্টা চলছে: ট্রাম্প বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বিরোধীরা বসছেন ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি-এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত তাহসিফ সাউরি মৃত্যু: রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ সরকার শ্রমিক আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন নিয়ে সতর্কবার্তা নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, মজুত জানতে অপেক্ষা ভারতেই শেখ হাসিনার মৃত্যু কামনা করা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ক্রিস্টিন ফেয়ার কে?