ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
ব্রাসেলসে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্টের সামনে মানববন্ধন, অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচনের দাবি
নেতানিয়াহু কি তাহলে আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে মুক্ত?
গাজায় মানাবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত ২১ নভেম্বর ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও তার প্রাক্তন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। আইসিসির এই পরোয়ানা জারির পর নেতানিয়াহুকে তাদের দেশে গেলে গ্রেফতারের কথা জানিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ অনেক দেশ।
তবে সম্প্রতি আইসিসির এই আদেশ না মানার কথা জানিয়েছে হাঙ্গেরি। শুধু তাই নয়; নেতানিয়াহুকে তাদের দেশ সফরের জন্য উষ্ণ আমন্ত্রণ জানিয়েছে দেশটি। হাঙ্গেরির এমন কথার পর ফ্রান্সও ভিন্ন ইঙ্গিত দিতে শুরু করেছে।
প্রাথমিকভাবে দেশটি আইসিসির বিধিনিষেধ মেনে চলার কথা বললেও এখন নতুন করে যুক্তি দাঁড় করাচ্ছে দেশটি। এক্ষেত্রে প্যারিসের যুক্তি যুদ্ধাপরাধের জন্য ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জারি করা ওয়ারেন্ট বৈধ
নয়; কারণ ইসরাইল আইসিসির সদস্য নয়। ফ্রান্সের এমন যুক্তি দিতে পারে বাকি দেশগুলোও। কারণ ইসরাইল আইসিসির সদস্য দেশ নয় এটা সবার বেলায় খাটে। তাহলে কি আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে মুক্ত নেতানিয়াহু। তাকে গ্রেফতার করা যাবে না? ফ্রান্সের এই যুক্তির আইনত বৈধতা কী? রোম সংবিধির ২৭ অনুচ্ছেদ, আদালতকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর অর্থ রায়গুলি ‘সরকারি ক্ষমতার ভিত্তিতে কোনও পার্থক্য ছাড়াই সকল ব্যক্তির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য’ এবং ‘কোন অবস্থাতেই একজন ব্যক্তিকে অপরাধমূলক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় না।’ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ইউকে পরিচালক ইয়াসমিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘রোম আইনের অধীনে আইসিসির আদালতকে সহযোগিতা করার দায়িত্ব ফ্রান্সের। কাজেই ফ্রান্সের সেই সহযোগিতার দায়িত্বটি এখন গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা।’ অর্থাৎ ফ্রান্স
যুক্তি দেখালেও সেটি ঠিক নয়। আইসিসির সদস্য হওয়ায় সংস্থাটির নিয়ম মেনে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করতে তারা বাধ্য।
নয়; কারণ ইসরাইল আইসিসির সদস্য নয়। ফ্রান্সের এমন যুক্তি দিতে পারে বাকি দেশগুলোও। কারণ ইসরাইল আইসিসির সদস্য দেশ নয় এটা সবার বেলায় খাটে। তাহলে কি আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা থেকে মুক্ত নেতানিয়াহু। তাকে গ্রেফতার করা যাবে না? ফ্রান্সের এই যুক্তির আইনত বৈধতা কী? রোম সংবিধির ২৭ অনুচ্ছেদ, আদালতকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এর অর্থ রায়গুলি ‘সরকারি ক্ষমতার ভিত্তিতে কোনও পার্থক্য ছাড়াই সকল ব্যক্তির জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য’ এবং ‘কোন অবস্থাতেই একজন ব্যক্তিকে অপরাধমূলক দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় না।’ হিউম্যান রাইটস ওয়াচের ইউকে পরিচালক ইয়াসমিন আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, ‘রোম আইনের অধীনে আইসিসির আদালতকে সহযোগিতা করার দায়িত্ব ফ্রান্সের। কাজেই ফ্রান্সের সেই সহযোগিতার দায়িত্বটি এখন গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর করা।’ অর্থাৎ ফ্রান্স
যুক্তি দেখালেও সেটি ঠিক নয়। আইসিসির সদস্য হওয়ায় সংস্থাটির নিয়ম মেনে নেতানিয়াহুকে গ্রেফতার করতে তারা বাধ্য।



