ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নভেম্বরের শুরুতেই স্কুল-কলেজে টানা ৩ দিনের ছুটি!
২৬ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অনুমোদন বাতিল করতে চায় কারিগরি বোর্ড
চট্টগ্রামে কমার্স কলেজের পরিত্যক্ত ভবন থেকে ৫ আগস্ট থানা লুটের পিস্তল-গুলি উদ্ধার
শিক্ষকদের বদলির ফল প্রকাশে প্রস্তুত মাউশি
নোবিপ্রবিতে শিক্ষক সংকট চরমে, একসঙ্গে বিদেশে গেছেন অনেকজন
বিনামূল্যের পাঠ্যবই ছাপতে মিলেমিশে লুটপাট
জবি ক্যাম্পাসে পশু জবাই গরুভোজ কর্মসূচি পালিত
ডাকসুর দেয়ালে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন: ছাত্র মৈত্রীর ক্ষোভ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাকসু ভবনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি সরিয়ে পাকিস্তানের প্রতিষ্ঠাতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শনের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী।
সোমবার (১৪ই সেপ্টেম্বর) ছাত্র মৈত্রীর প্রচার সম্পাদক অনিক দেওয়ানের পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভাষা আন্দোলনের সূতিকাগার এবং স্বাধীনতার প্রাণকেন্দ্র। ডাকসুর সংগ্রহশালায় সংস্কারের নামে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গৌরবোজ্জ্বল ছবি সরিয়ে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি প্রদর্শন করা হয়েছে।
ছাত্র মৈত্রীর নেতৃবৃন্দের দাবি, এটি শুধু ছবি সরানোর ঘটনা নয়; বরং ইতিহাস মুছে দেওয়ার চক্রান্ত।
সংগঠনটি বলেছে, জিন্নাহর ‘Urdu and Urdu shall be the state language of Pakistan’ বক্তব্যের প্রতিবাদ
থেকেই বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এবং সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার বীজ বোনা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালে এসে ডাকসুতে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহকে বসানো কোনো সংস্কার নয়, বরং ইতিহাসের সঙ্গে বেইমানি। ছাত্র মৈত্রীর দাবি, এটি ৭১-এর পরাজিত শক্তির প্রত্যাবর্তনের প্রত্যয়। ছাত্র মৈত্রীর নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, যারা এ কাজ করেছেন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন না। অবিলম্বে সিদ্ধান্ত বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর ছবি যথাস্থানে পুনঃস্থাপন এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানায় সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা—১৯৪৮ সালে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র
রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও—বাংলা ও বাঙালির ইতিহাস মুছে ফেলার শামিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় ডাকসুর কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী।
থেকেই বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল এবং সেই আন্দোলনের মধ্য দিয়েই স্বাধীনতার বীজ বোনা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ২০২৬ সালে এসে ডাকসুতে বঙ্গবন্ধুকে সরিয়ে জিন্নাহকে বসানো কোনো সংস্কার নয়, বরং ইতিহাসের সঙ্গে বেইমানি। ছাত্র মৈত্রীর দাবি, এটি ৭১-এর পরাজিত শক্তির প্রত্যাবর্তনের প্রত্যয়। ছাত্র মৈত্রীর নেতৃবৃন্দ অভিযোগ করেন, যারা এ কাজ করেছেন তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস সম্পর্কে অবগত নন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারণ করেন না। অবিলম্বে সিদ্ধান্ত বাতিল করে বঙ্গবন্ধুর ছবি যথাস্থানে পুনঃস্থাপন এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানায় সংগঠনটি। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ডাকসুর সংগ্রহশালায় পাকিস্তানের ইতিহাস সংরক্ষণের জন্য মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি রাখা—১৯৪৮ সালে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র
রাষ্ট্রভাষা করার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের সঙ্গে সম্পর্কিত হলেও—বাংলা ও বাঙালির ইতিহাস মুছে ফেলার শামিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন এবং এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই তাঁর রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা হয় বলেও উল্লেখ করা হয়। এ ঘটনায় ডাকসুর কার্যক্রমের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রী।





