গতকাল বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে নরায়ল জেলার লোহাগড়া উপজেলার লক্ষ্মীপাশা ইউনিয়নের বয়রা গ্রামে ৬০ বছর বয়সী আফসার শেখ (৬০)কে তার ২৫ বছর বয়সী পুত্র খায়রুল শেখ (২৫) কুপিয়ে নিহত করেছে। ঘটনায় মাদকের টাকার জন্য পিতা-সন্তানের মধ্যে মারধর হয় এবং খায়রুল ধারালো বঁটি ব্যবহার করে কুপিয়ে হত্যা করে। গৃহে উপস্থিত অন্যান্য সদস্যের চিৎকারের পর সন্দেহভাজন খায়রুল পালিয়ে যায়। পুলিশ তদন্তে খায়রুলের মা আনোয়ারা বেগম ও স্ত্রী জুঁই খানমকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।
বিজ্ঞাপন
মৃতদেহ উদ্ধার করে নরায়ল সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে
এবং লোহারগড়া থানার ওসি শরিফুল ইসলাম জানান, “আফসার শেখকে বঁটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। শরীরে একাধিক কোপের চিহ্ন আছে।” রিমা খানম, আফসারের বড় ছেলের স্ত্রী, জানান, ‘শ্বশুর বাজার থেকে বাড়িতে আসার আগে খায়রুল বাড়ি আসে। আমার কাছে জিজ্ঞাসা করেন, “ভাবি, দাও কই?” আমি বলি, দাও তো তোমার ভাইয়া নিয়ে গ্যাছে, দাও দিয়ে কী করবা?
কচ্ছে, “ডাব কাটব।” পরে শুনতেছিল, “মা কই?” আমি বলছি, মা তো বাড়িতে নেই, কোথায় গেছে জানি না। এরপর আমি এট্টু সরে গেছি। তারপর শ্বশুরের কাশির শব্দ শুনলাম।
পেছনে ফিরে দেহি, শ্বশুররে ও কোপ দেছে।’ তিনি আরও বলেন, “এক বছর ধরে খায়রুল শ্বশুরকে নেশার টাকার জন্য
প্রায়ই মারধর করতেন।” এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজন খায়রুলের কাছ থেকে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি এবং গ্রেপ্তারী প্রচেষ্টা চলছে।






