ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
মহামারি না থাকলেও অজুহাত দেখিয়ে স্বাস্থ্যখাতে ৩ হাজার কোটির প্রকল্প: ভ্রমণ-গাড়ি ক্রয়ে ব্যয় হাজার কোটি টাকা!
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান সিকিউরিপোর্ট বাংলাদেশের সীমান্ত নিরাপত্তা কাঠামোর নিয়ন্ত্রণ পেতে যাচ্ছে
দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া সাধারণ মানুষ প্রকাশ্যেই বলছেন শেখ হাসিনা যেন দ্রুত ফিরে দেশ উদ্ধার করেন
১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি: পলোগ্রাউন্ডে ৩২ বছরের ঐতিহ্য বাণিজ্য মেলার মাঠে হামলা-ভাঙচুর
চট্টগ্রাম কারাগারে ধারণক্ষমতার চার গুণ বন্দি: মানবিক বিপর্যয়, বিচার প্রক্রিয়ায় চরম স্থবিরতা
আওয়ামী লীগ সন্দেহে আটকদের ভুল তথ্য এজাহারে: পুলিশ কর্মকর্তাকে আদালতের ভর্ৎসনা সত্ত্বেও রিমান্ড মঞ্জুর
কারাবন্দী অসুস্থ স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতাকে হাসপাতালে ভর্তির পর মৃত্যু, কারাগারে নির্যাতনের অভিযোগ
পুলিশ খুঁজে পায় না, অথচ ছাত্রদল সহ-সভাপতির বগলতলায় ঘুরছে কিশোর গ্যাং প্রধান রতন
কুমিল্লা নগরে অপরাধের সমার্থক হয়ে ওঠা বহুল আলোচিত ‘রতন গ্রুপ’ বা ‘স্কোয়াড’-এর প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনকে নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। একদিকে যখন পুলিশ দাবি করছে শীর্ষ এই কিশোর গ্যাং লিডার ধরাছোঁয়ার বাইরে ও পলাতক, ঠিক তখনই জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের একদম ঢিল ছোড়া দূরত্বে রাজনৈতিক মিছিলে তার সশরীরে উপস্থিতি নাগরিক সমাজে তীব্র ক্ষোভ ও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওচিত্রে দেখা যায়, কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে ধর্মসাগর পাড় সড়কে অনুষ্ঠিত এক মিছিলে হেঁটে যাচ্ছেন রতন।
মিছিলটির সামনের সারিতে নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন কুমিল্লা মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. মহসিন, আর তার বগলতলাতেই বহাল তবিয়তে
হাঁটছেন গ্যাং প্রধান রতন। ২০২৫ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর বিকেলে আয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি কর্মসূচির শৃঙ্খলা রক্ষায় মহসিন তার অনুসারীদের নিয়ে ওই মিছিল করেন বলে জানা গেছে। গত ২৬শে সেপ্টেম্বর ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনা ও আলোচনার ঝড় ওঠে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. মহসিন রতনকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, “এটি কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হওয়ায় অনেক মানুষ ছিল। এত মানুষের মধ্যে কে অপরাধী বা গ্যাং লিডার—তা চেনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তার সঙ্গে আমার কোনো ওঠাবসা নেই।” তবে ছাত্রদল ও বিএনপিতে কিশোর গ্যাংয়ের অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে স্বীকার করে তিনি বলেন, অপরাধীদের চিহ্নিত করার মূল দায়িত্ব প্রশাসনের। এদিকে
ঘটনাটি নজরকাড়ার পর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদুজ্জামান রানা জানান, তারা ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশ্বাস দেন, কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০১৫ সাল থেকে কুমিল্লা নগরে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে বিভিন্ন কিশোর গ্যাং। এর মধ্যে সবচেয়ে দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠে ‘রতন গ্রুপ’। নগরের ধর্মসাগর পাড়, রানীর কুঠি, রানীর দিঘি, তালপুকুর পাড় ও ঝাউতলা এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িয়ে আছে এই গ্রুপের নাম। র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন রতন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের
২৬শে এপ্রিল রাতে যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফের অপরাধ জগতে সক্রিয় হন তিনি। এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, শীর্ষ কিশোর গ্যাং প্রধান রতন বর্তমানে জামিনে থাকলেও তাকে নতুন করে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে, তবে তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কাছেই পুলিশের চোখে ‘পলাতক’ অপরাধীর রাজনৈতিক আশ্রয়ে এমন প্রকাশ্য মহড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়েছে।
হাঁটছেন গ্যাং প্রধান রতন। ২০২৫ সালের ২৪শে সেপ্টেম্বর বিকেলে আয়োজিত স্বেচ্ছাসেবক দলের একটি কর্মসূচির শৃঙ্খলা রক্ষায় মহসিন তার অনুসারীদের নিয়ে ওই মিছিল করেন বলে জানা গেছে। গত ২৬শে সেপ্টেম্বর ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে সমালোচনা ও আলোচনার ঝড় ওঠে। অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে মহানগর ছাত্রদলের সহসভাপতি মো. মহসিন রতনকে আশ্রয়-প্রশ্রয় দেওয়ার কথা সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তিনি দাবি করেন, “এটি কেন্দ্রীয় কর্মসূচি হওয়ায় অনেক মানুষ ছিল। এত মানুষের মধ্যে কে অপরাধী বা গ্যাং লিডার—তা চেনা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। তার সঙ্গে আমার কোনো ওঠাবসা নেই।” তবে ছাত্রদল ও বিএনপিতে কিশোর গ্যাংয়ের অনুপ্রবেশের চেষ্টা চলছে স্বীকার করে তিনি বলেন, অপরাধীদের চিহ্নিত করার মূল দায়িত্ব প্রশাসনের। এদিকে
ঘটনাটি নজরকাড়ার পর মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি নাহিদুজ্জামান রানা জানান, তারা ঘটনার সত্যতা খতিয়ে দেখছেন। কিশোর গ্যাং ও মাদকের বিরুদ্ধে ছাত্রদলের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে উল্লেখ করে তিনি আশ্বাস দেন, কোনো সম্পৃক্ততা পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ২০১৫ সাল থেকে কুমিল্লা নগরে আধিপত্য বিস্তার শুরু করে বিভিন্ন কিশোর গ্যাং। এর মধ্যে সবচেয়ে দুর্ধর্ষ হয়ে ওঠে ‘রতন গ্রুপ’। নগরের ধর্মসাগর পাড়, রানীর কুঠি, রানীর দিঘি, তালপুকুর পাড় ও ঝাউতলা এলাকায় চাঁদাবাজি, ছিনতাই, মাদক ব্যবসা থেকে শুরু করে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও হত্যার মতো গুরুতর অপরাধের সাথে জড়িয়ে আছে এই গ্রুপের নাম। র্যাব, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর যৌথ অভিযানে একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়েছেন রতন। সর্বশেষ ২০২৫ সালের
২৬শে এপ্রিল রাতে যৌথ বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে মুক্ত হয়ে ফের অপরাধ জগতে সক্রিয় হন তিনি। এ বিষয়ে কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার জানান, শীর্ষ কিশোর গ্যাং প্রধান রতন বর্তমানে জামিনে থাকলেও তাকে নতুন করে ধরতে অভিযান চালানো হচ্ছে, তবে তিনি পলাতক রয়েছেন। তবে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কাছেই পুলিশের চোখে ‘পলাতক’ অপরাধীর রাজনৈতিক আশ্রয়ে এমন প্রকাশ্য মহড়া আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভূমিকা নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে বড় ধরনের প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়েছে।



