ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জাসদের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গোপন বৈঠক, আ.লীগ সন্দেহে অর্ধশতাধিক আটক
আওয়ামী দোসরদের গ্রেফতার করলে পুলিশকে পুরস্কৃত করা হবে
কোটার বাইরে ১০ হাজারের বেশি আগ্রহী হজযাত্রী
পরমাণু শক্তির বেসামরিক ব্যবহার নিয়ে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি স্বাক্ষর
এবার দুর্গাপূজায় ভারতে ইলিশ পাঠাবে না বাংলাদেশ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যুবলীগ নেতার পারিবারিক ঐতিহ্যবাহী বাড়ি পুড়িয়ে ছাই করে দিল বিএনপি-জামায়াত-এনসিপির সন্ত্রাসীরা
সরকারি শৌচাগার ভেঙে বিএনপি কার্যালয় স্থাপন, লাগানো হয়েছে এমপির ছবিও
বাবা ও তিন ছেলেকে ‘বাংলাদেশি’ বলে সীমান্তে ঠেলে দেওয়ার অভিযোগ
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ষাটোর্ধ্ব এক ব্যক্তি ও তার তিন ছেলেকে সুনির্দিষ্ট কোনো আইনি প্রক্রিয়া ছাড়াই আটক করে জোরপূর্বক বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। সীমান্তবর্তী এলাকা নিয়ে কাজ করা মানবাধিকার সংগঠন ‘মাসুম’-এর পক্ষ থেকে গত বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি প্রকাশ্যে আনা হয়।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, গত ১৩ আগস্ট মুর্শিদাবাদের সুতি থানার উমরাপুর পঞ্চায়েতের বালিয়াঘাটি গ্রাম থেকে ৬০ বছর বয়সি ডাবলু শেখ এবং তার তিন ছেলে—কায়েম শেখ (২৯), রাজাউল শেখ (২০) ও ১৬ বছর বয়সি আসমাউল শেখকে আটক করা হয়।
পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, আটককৃত ডাবলু শেখ ও তার পরিবারের ভারতীয় নাগরিকত্বের পক্ষে পর্যাপ্ত ও শক্তিশালী বৈধ নথি
রয়েছে। ডাবলু শেখের নাম ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং চলতি বছর তিনি ভোটও দিয়েছেন। এমনকি তার বাবা শেখ সামজানির নাম ১৯৬৬ সালের ভারতের নির্বাচনী নথিতেও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পরিবারটির কাছে হালনাগাদ আধার কার্ড ও রেশন কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্রও রয়েছে। ‘মাসুম’ এবং ‘প্যাকটি’-এর মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রশ্ন—এ ধরনের বৈধ নথিপত্র ও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই চারজনের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে কোনো সুনির্দিষ্ট বিচারিক বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের সীমান্তের ওপারে পাঠানো হলো? সংগঠনগুলোর মতে, কেবল ভাষা, আর্থিক অবস্থা বা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে
আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে আইনগতভাবে বিষয়টি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সুতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে চারজনকে সত্যিই বাংলাদেশে পাঠানো হয়ে থাকলে তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে পরিবারকে অবহিত করা এবং দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। তবে পুরো ঘটনাটির বিষয়ে রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে এই চারজনকে ঠিক কোন আইনি প্রক্রিয়ায় আটক
করে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হলো, সে বিষয়ে এখন সরকারি নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
রয়েছে। ডাবলু শেখের নাম ২০২৬ সালের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে এবং চলতি বছর তিনি ভোটও দিয়েছেন। এমনকি তার বাবা শেখ সামজানির নাম ১৯৬৬ সালের ভারতের নির্বাচনী নথিতেও পাওয়া গেছে। এ ছাড়া পরিবারটির কাছে হালনাগাদ আধার কার্ড ও রেশন কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ভারতীয় পরিচয়পত্রও রয়েছে। ‘মাসুম’ এবং ‘প্যাকটি’-এর মতো মানবাধিকার সংগঠনগুলোর প্রশ্ন—এ ধরনের বৈধ নথিপত্র ও প্রমাণ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ওই চারজনের নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলে কোনো সুনির্দিষ্ট বিচারিক বা আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া তাদের সীমান্তের ওপারে পাঠানো হলো? সংগঠনগুলোর মতে, কেবল ভাষা, আর্থিক অবস্থা বা ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে জোরপূর্বক বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। নাগরিকত্ব নিয়ে সন্দেহ থাকলে
আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে আইনগতভাবে বিষয়টি যাচাই করা বাধ্যতামূলক। ঘটনার একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করে সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে রাজ্য স্বরাষ্ট্র দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সুতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও জঙ্গিপুরের পুলিশ সুপারের ভূমিকা নিয়েও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে চারজনকে সত্যিই বাংলাদেশে পাঠানো হয়ে থাকলে তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে পরিবারকে অবহিত করা এবং দ্রুত ভারতে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে। তবে পুরো ঘটনাটির বিষয়ে রাজ্য পুলিশ, সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কিংবা সংশ্লিষ্ট কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য বা প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনটি লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। ফলে এই চারজনকে ঠিক কোন আইনি প্রক্রিয়ায় আটক
করে সীমান্তের ওপারে পাঠানো হলো, সে বিষয়ে এখন সরকারি নথি এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্যই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।



