ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ছুটি ফেলে কেন তড়িঘড়ি করে ওয়াশিংটন ফিরলেন ট্রাম্প
আফগানিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট দলে ফিরলেন হৃদয় ও জাকের
হুথিদের কাছে ‘সেইফ প্যাসেজ’ নিশ্চিত করে সৌদিকে বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি: যুক্তরাষ্ট্রের “জিরো-সাম গেইম”
পাকিস্তানে পুলিশ সদরদপ্তরের মসজিদে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১৫ পুলিশসহ নিহত অন্তত ২৭
মমতার রাজনৈতিক জীবনের অভিশপ্ত দিন শুক্রবার, খোয়ালেন দলীয় নাম ও প্রতীক
পাকিস্তানে মসজিদে বোমা হামলায় নিহত ১৬, আহত অন্তত ৫০
পাকিস্তানে জুমার নামাজের সময় মসজিদের বাইরে বোমা বিস্ফোরণ, নিহত ১৬
বিশ্ববাজারে দাম নিম্নমুখী, অথচ দেশে বাড়ল সব ধরনের জ্বালানির দাম!
আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে কমতে শুরু করেছে। গত ১০ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল। গতকাল শুক্রবার তা নেমে আসে ১০৪ দশমিক ৮৭ ডলারে।
আর আজ সোমবার সকালে ব্রেন্টের দাম আরও কমে ১০২ ডলারের কাছাকাছি নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে অপরিশোধিত তেল বা ডব্লিউটিআইয়ের দামও ১০০ ডলারের নিচে নেমে এসেছে।
বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমার এই প্রবণতার মধ্যেই বাংলাদেশে ডিজেল, পেট্রোল, অকটেন ও কেরোসিনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়ানো হয়েছে। গতকাল রোববার জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ নতুন দাম ঘোষণা করে।
আজ সোমবার থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ডিজেলের দাম ১১৫
টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত ১০ই সেপ্টেম্বরের তুলনায় ব্রেন্টের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমলেও দেশের বাজারে ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল প্রায় ১৭ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দামও বছরের আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাজার এখনো অস্থির। ফলে শুধু এক-দুই দিনের আন্তর্জাতিক দর বিবেচনা করে বাংলাদেশের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় না। আন্তর্জাতিক বাজারে কী ঘটছে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ১০ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত
এবং তেল পরিবহন নিয়ে নতুন করে সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কায় ওই দিন দাম বেড়েছিল। এরপর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ১৮ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্টের দাম কমে ১০৪ দশমিক ৮৭ ডলারে নেমে আসে। এরপর সোমবার সকালে ব্রেন্টের নভেম্বরের চুক্তির দাম ১০২ দশমিক ০৯ ডলারে নেমে যায়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সর্বশেষ উচ্চতা থেকে দাম প্রায় ৫ ডলার কমেছে। ডব্লিউটিআইয়ের দামও ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। রয়টার্স বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার সম্ভাবনা এবং সৌদি আরব থেকে তেল সরবরাহ আংশিক স্বাভাবিক হওয়ার আশা বাজারে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। ফলে তেলের দামের ওপর থাকা ঝুঁকির বাড়তি অংশ কিছুটা কমেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখনো ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় এটিকে
বড় ধরনের পতন বলা যায় না। বরং সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। দেশে দাম বাড়ানোর কারণ কী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। এর আগে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তখন ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। ফলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার আগে চার মাস ধরে একই দামে জ্বালানি তেল বিক্রি
হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দাম বাড়ানোর ফলে বিপিসির লোকসান কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামের পার্থ্যের কারণে পাচারের যে ঝুঁকি তৈরি হয়, সেটিও কমানোর যুক্তি দেখিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক দাম কমলে দেশের বাজারে কমবে কবে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সরাসরি একই দিনে ওঠানামা করে না। ২০২৩ সালে সরকার সূত্রভিত্তিক মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালু করে। এই ব্যবস্থার আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, আমদানি ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আজ দাম কিছুটা কমলেই পরদিন দেশের পাম্পে তার প্রতিফলন দেখা যাবে—এমন নয়।
আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানি, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয়ের প্রভাবও দামের ওপর পড়ে। এবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকার শুধু অপরিশোধিত তেলের দাম নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজভাড়া ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগের হিসাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পণ্যের দাম মার্চের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ভোক্তার ওপর চাপ নতুন দামে ডিজেলের মূল্য এক লাফে ২০ টাকা বাড়ায় এর প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত গাড়ি বা মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের পরিবহন, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পের বড় অংশ ডিজেলনির্ভর। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল ব্যবহৃত হয়, যা মোট পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৪ শতাংশ। এর প্রায় ৬০
শতাংশ পরিবহন খাতে, ১৫ শতাংশ কৃষিতে সেচকাজে, ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং প্রায় ৫ শতাংশ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয়, পণ্য পরিবহন, কৃষি উৎপাদন ও শিল্পের পরিচালন ব্যয়ে এর প্রভাব পড়তে পারে। পরে সেই বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ পণ্য ও সেবার দামে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে সরকারের হিসাবে, দাম বাড়ানোর আগে শুধু ডিজেল বিক্রিতেই বিপিসির দৈনিক লোকসান ছিল প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। নতুন দাম কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত বিপিসির লোকসান কমতে পারে বলে সরকার মনে করছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত কয়েক দিনে তেলের দাম কিছুটা কমলেও বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আগের কয়েক মাসের উচ্চ আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় এবং বিপিসির বড় লোকসানের হিসাব। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও কমে এলে সেই কমতির সুফল দেশের ভোক্তারা কবে পাবেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।
টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা হয়েছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত ১০ই সেপ্টেম্বরের তুলনায় ব্রেন্টের দাম প্রায় ৫ শতাংশ কমলেও দেশের বাজারে ভোক্তাদের জন্য জ্বালানি তেলের দাম বাড়ল প্রায় ১৭ শতাংশ। তবে আন্তর্জাতিক বাজারের বর্তমান দামও বছরের আগের সময়ের তুলনায় অনেক বেশি এবং মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বাজার এখনো অস্থির। ফলে শুধু এক-দুই দিনের আন্তর্জাতিক দর বিবেচনা করে বাংলাদেশের খুচরা দাম নির্ধারণ করা হয় না। আন্তর্জাতিক বাজারে কী ঘটছে রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, ১০ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৬ দশমিক ৩৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৭ দশমিক ৬৩ ডলারে উঠেছিল। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত
এবং তেল পরিবহন নিয়ে নতুন করে সরবরাহ-সংকটের আশঙ্কায় ওই দিন দাম বেড়েছিল। এরপর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। ১৮ই সেপ্টেম্বর ব্রেন্টের দাম কমে ১০৪ দশমিক ৮৭ ডলারে নেমে আসে। এরপর সোমবার সকালে ব্রেন্টের নভেম্বরের চুক্তির দাম ১০২ দশমিক ০৯ ডলারে নেমে যায়। অর্থাৎ মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে সর্বশেষ উচ্চতা থেকে দাম প্রায় ৫ ডলার কমেছে। ডব্লিউটিআইয়ের দামও ১০০ ডলারের নিচে নেমেছে। রয়টার্স বলছে, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে কূটনৈতিক তৎপরতার সম্ভাবনা এবং সৌদি আরব থেকে তেল সরবরাহ আংশিক স্বাভাবিক হওয়ার আশা বাজারে কিছুটা স্বস্তি তৈরি করেছে। ফলে তেলের দামের ওপর থাকা ঝুঁকির বাড়তি অংশ কিছুটা কমেছে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম এখনো ১০০ ডলারের ওপরে থাকায় এটিকে
বড় ধরনের পতন বলা যায় না। বরং সাম্প্রতিক উচ্চতা থেকে কিছুটা সংশোধন হয়েছে। দেশে দাম বাড়ানোর কারণ কী সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাবে, মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত ছয় মাসে বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৬ কোটি টাকা। এর আগে সেপ্টেম্বরে জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত রাখা হয়েছিল। তখন ডিজেল ১১৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ টাকা, পেট্রোল ১৪০ টাকা এবং কেরোসিন ১৩৫ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছিল। ফলে নতুন দাম কার্যকর হওয়ার আগে চার মাস ধরে একই দামে জ্বালানি তেল বিক্রি
হয়েছে। সরকারের হিসাব অনুযায়ী, দাম বাড়ানোর ফলে বিপিসির লোকসান কমবে এবং বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপও কিছুটা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দামের পার্থ্যের কারণে পাচারের যে ঝুঁকি তৈরি হয়, সেটিও কমানোর যুক্তি দেখিয়েছে সরকার। আন্তর্জাতিক দাম কমলে দেশের বাজারে কমবে কবে বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে সরাসরি একই দিনে ওঠানামা করে না। ২০২৩ সালে সরকার সূত্রভিত্তিক মূল্য সমন্বয় ব্যবস্থা চালু করে। এই ব্যবস্থার আওতায় আন্তর্জাতিক বাজারের দাম, আমদানি ব্যয়সহ বিভিন্ন বিষয় বিবেচনা করে দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করা হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে আজ দাম কিছুটা কমলেই পরদিন দেশের পাম্পে তার প্রতিফলন দেখা যাবে—এমন নয়।
আবার আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বেড়ে গেলে আমদানি, পরিবহন ও অন্যান্য ব্যয়ের প্রভাবও দামের ওপর পড়ে। এবারের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে সরকার শুধু অপরিশোধিত তেলের দাম নয়, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে জাহাজভাড়া ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির বিষয়টিও বিবেচনায় নিয়েছে। জ্বালানি বিভাগের হিসাবে আন্তর্জাতিক জ্বালানি পণ্যের দাম মার্চের তুলনায় অনেক বেড়েছে। ভোক্তার ওপর চাপ নতুন দামে ডিজেলের মূল্য এক লাফে ২০ টাকা বাড়ায় এর প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত গাড়ি বা মোটরসাইকেলের জ্বালানি খরচে সীমাবদ্ধ থাকবে না। দেশের পরিবহন, কৃষি, বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্পের বড় অংশ ডিজেলনির্ভর। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৪৩ লাখ ৫০ হাজার টন ডিজেল ব্যবহৃত হয়, যা মোট পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানি ব্যবহারের প্রায় ৬৪ শতাংশ। এর প্রায় ৬০
শতাংশ পরিবহন খাতে, ১৫ শতাংশ কৃষিতে সেচকাজে, ১০ শতাংশ বিদ্যুৎ উৎপাদনে এবং প্রায় ৫ শতাংশ শিল্পে ব্যবহৃত হয়। ফলে ডিজেলের দাম বাড়লে পরিবহন ব্যয়, পণ্য পরিবহন, কৃষি উৎপাদন ও শিল্পের পরিচালন ব্যয়ে এর প্রভাব পড়তে পারে। পরে সেই বাড়তি ব্যয়ের একটি অংশ পণ্য ও সেবার দামে যুক্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। অন্যদিকে সরকারের হিসাবে, দাম বাড়ানোর আগে শুধু ডিজেল বিক্রিতেই বিপিসির দৈনিক লোকসান ছিল প্রায় ১০৯ কোটি টাকা। নতুন দাম কার্যকর হলে বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা পর্যন্ত বিপিসির লোকসান কমতে পারে বলে সরকার মনে করছে। অর্থাৎ আন্তর্জাতিক বাজারে গত কয়েক দিনে তেলের দাম কিছুটা কমলেও বাংলাদেশে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্তের পেছনে রয়েছে আগের কয়েক মাসের উচ্চ আমদানি ব্যয়, পরিবহন ব্যয় এবং বিপিসির বড় লোকসানের হিসাব। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম আরও কমে এলে সেই কমতির সুফল দেশের ভোক্তারা কবে পাবেন, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।



