ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
বাংলাদেশের জন্য রুশ বাজারের নতুন দুয়ার, বাণিজ্য সম্প্রসারণে মস্কোর আগ্রহ
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ
বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে
আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম
দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের
গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু
সি.এফ এর প্রতিবেদন: সেপ্টেম্বর-অক্টোবরে নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে ৭.৫২ ভাগ
সদ্য সমাপ্ত অক্টোবর মাসে দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে গড়ে ৪.৩৯ শতাংশ। পনেরটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ৪.৩৯ ভাগ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে মাছের দাম।
গত সেপ্টেম্বর মাসে নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছিল ৩.১৩ ভাগ। আর অক্টোবর ২০২৬ মাসে আরও বেড়েছে ৪.৩৯ শতাংশ। এই হিসাবে গত সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর ২০২৬ -এই দুই মাসেই নিত্যপণ্যের মূল্য বেড়েছে ৭.৫২ ভাগ।
কনজ্যুমার্স ফোরাম (সি.এফ) -এর পক্ষ থেকে সংগৃহিত সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২০২৬ মাসের বাজার তথ্যে এ চিত্র দেখা গেছে।
সিএফ -এর পক্ষ থেকে সরেজমিন তথ্য নিয়ে অক্টোবর মাসে মোট ১৫ ধরনের পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়া গেছে। এই ১৫টি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ৪.৩৯ ভাগ। এর মধ্যে
সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে মাছের দাম। গড়ে মাছের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৭২ ভাগ। মশলার মধ্যে লং, এলাচ, দারুচিনি, জিরায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১০.৩০ ভাগ। পিঁয়াজ, রসুন, আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৭৯ ভাগ। এছাড়াও জ্বালানি তেলে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.০২ ভাগ, চিনি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯৩ ভাগ, ভোজ্য তেল ও ডালডায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৮০ ভাগ, চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ২.৬২ ভাগ, আটা-ময়দায় বেড়েছে ৩.২৫ ভাগ, ডিমের দাম আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৪২ ভাগ, চায়ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ০.১৪ ভাগ এবং মাংসের দাম বেড়েছে ০.৩৮ ভাগ।
অপরদিকে, ৭টি পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। এগুলো হচ্ছে লবন, দুগ্ধজাত
পণ্য, ব্রাশ-ট্রুথপেস্ট, চানাচুর-বিস্কুট, নিত্যব্যবহৃত ১১টি ব্রান্ডের ওষুধ এবং খাতা কলম। অন্যদিকে দুইটি পণ্যের দাম কমেছে, যেমন- শাক-সবজি ৩.১২ শতাংশ এবং সোনা-রূপায় কমেছে ৪.৭৭ ভাগ। যশোর, বগুড়া ও রংপুর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালিন শাক-সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে। কৃষি পণ্যের উৎপাদনকারীরা বলছে, তারা উৎপাদন খরচ শাক-সবজি বিক্রি করে উঠাতে পারছে না। বগুড়া, রংপুরে প্রতিটি ফুল ও বাধাকপি ৬-১২ টাকা, মূলা ৬-৮ টাকা, লাউ একটা ৮-১০ টা, কলার হালি ৫-৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই পণ্য ঢাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফুল ও বাধাকপি ৫০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা ও কাঁচকলার হালি ৪০-৫০ টাকা। উল্লেখ্য, সিএফ -এর পক্ষ থেকে সরাসরি কারওয়ান
বাজার, রামপুরা, মেরাদিয়া, আফতাবনগরের ভূইয়া বাজার, মিনাবাজার ও স্বপ্ন সুপার শপ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে উল্লেখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।
সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে মাছের দাম। গড়ে মাছের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ১১.৭২ ভাগ। মশলার মধ্যে লং, এলাচ, দারুচিনি, জিরায় বৃদ্ধি পেয়েছে ১০.৩০ ভাগ। পিঁয়াজ, রসুন, আদায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৭.৭৯ ভাগ। এছাড়াও জ্বালানি তেলে বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.০২ ভাগ, চিনি বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯৩ ভাগ, ভোজ্য তেল ও ডালডায় বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৮০ ভাগ, চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে গড়ে ২.৬২ ভাগ, আটা-ময়দায় বেড়েছে ৩.২৫ ভাগ, ডিমের দাম আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে ১.৪২ ভাগ, চায়ের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ০.১৪ ভাগ এবং মাংসের দাম বেড়েছে ০.৩৮ ভাগ।
অপরদিকে, ৭টি পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল অবস্থায় আছে। এগুলো হচ্ছে লবন, দুগ্ধজাত পণ্য, ব্রাশ-ট্রুথপেস্ট, চানাচুর-বিস্কুট, নিত্যব্যবহৃত ১১টি ব্রান্ডের ওষুধ এবং খাতা কলম। অন্যদিকে দুইটি পণ্যের দাম কমেছে, যেমন- শাক-সবজি ৩.১২ শতাংশ এবং সোনা-রূপায় কমেছে ৪.৭৭ ভাগ। যশোর, বগুড়া ও রংপুর এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শীতকালিন শাক-সবজি বাজারে উঠতে শুরু করেছে। কৃষি পণ্যের উৎপাদনকারীরা বলছে, তারা উৎপাদন খরচ শাক-সবজি বিক্রি করে উঠাতে পারছে না। বগুড়া, রংপুরে প্রতিটি ফুল ও বাধাকপি ৬-১২ টাকা, মূলা ৬-৮ টাকা, লাউ একটা ৮-১০ টা, কলার হালি ৫-৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। একই পণ্য ঢাকায় বিক্রি হচ্ছে, ফুল ও বাধাকপি ৫০ টাকা, পেপে ৩০ টাকা, মূলা ৩০ টাকা, লাউ ৬০ টাকা ও কাঁচকলার হালি ৪০-৫০ টাকা। উল্লেখ্য, সিএফ -এর পক্ষ থেকে সরাসরি কারওয়ান
বাজার, রামপুরা, মেরাদিয়া, আফতাবনগরের ভূইয়া বাজার, মিনাবাজার ও স্বপ্ন সুপার শপ থেকে সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে উল্লেখিত প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে।





