ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
‘প্রকাশ করায় আমাকে মেরে ফেলতে পারে’
‘আমাকে ভয় দেখিয়ে বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। অন্য মানুষের দ্বারাও ধর্ষণ করাইছে। আমি যে বলে দিয়েছি, এজন্য আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এসবের কঠিন বিচার চাই।’—নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে করা মামলার ভুক্তভোগী এক স্কুলছাত্রীর এমন বক্তব্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
দশম শ্রেণির ওই স্কুলছাত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ভিডিও ধারণ ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে স্থানীয় বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বকুলকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। মামলার পর দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে প্রধান আসামি বকুল পলাতক রয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মোয়াজ্জেন হোসেন খান। এর আগে বুধবার রাতে পৌর বিএনপির সভাপতি ও
সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বকুলকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বকুল কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলের সব পর্যায়ের পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে একটি বাড়িতে নিয়ে যান বকুল। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়। তখন সে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন সময়ে
একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। একইভাবে অন্য ব্যক্তিদের দিয়েও তাকে ধর্ষণ করানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুলের এক নারী সহযোগী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে তাকে ধর্ষণ করানো হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে তাকে অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে ধর্ষণ করানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। একপর্যায়ে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শারীরিক পরীক্ষা করানো হলে সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। পরিবারের
অভিযোগ, গত ১ আগস্ট চট্টগ্রামে বড় ভাইয়ের কাছে বেড়াতে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। ২৫ আগস্ট সে বাড়িতে ফেরার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ২৬ আগস্ট রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় বকুলকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার পরপরই দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে প্রধান আসামি বকুলকে
এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বলেন, আমাকে ভয় দেখিয়ে আমার খালু বকুল মিয়া ও আবু মিয়া বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য মানুষের দ্বারাও ধর্ষণ করাইছে। আমি যে বলে দিয়েছি, এই জন্য আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এসবের কঠিন বিচার চাই। কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
সাধারণ সম্পাদক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বকুলকে বহিষ্কারের কথা জানানো হয়। বকুল কেন্দুয়া পৌর বিএনপির সহসাধারণ সম্পাদক ও ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও অনৈতিক কাজে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে দলের সব পর্যায়ের পদ এবং প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালের ২০ নভেম্বর স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়ার কথা বলে ওই ছাত্রীকে একটি বাড়িতে নিয়ে যান বকুল। সেখানে তাকে ধর্ষণ করে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়। তখন সে ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। পরে ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে তাকে বিভিন্ন সময়ে
একাধিকবার ধর্ষণ করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। একইভাবে অন্য ব্যক্তিদের দিয়েও তাকে ধর্ষণ করানো হয়। দীর্ঘদিন ধরে ভয়ভীতি দেখিয়ে বিষয়টি গোপন রাখতে বাধ্য করা হয় বলে অভিযোগ পরিবারের। এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২৫ সালের মার্চ থেকে এপ্রিলের মধ্যে বকুলের এক নারী সহযোগী ওই ছাত্রীকে একটি ভাড়া বাসায় নিয়ে যান। সেখানে অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে তাকে ধর্ষণ করানো হয়। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্তও বিভিন্ন সময়ে তাকে অন্য ব্যক্তিদের দিয়ে ধর্ষণ করানো হয়েছে বলে মামলায় উল্লেখ রয়েছে। একপর্যায়ে ওই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গত ১৮ আগস্ট চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে শারীরিক পরীক্ষা করানো হলে সে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়। পরিবারের
অভিযোগ, গত ১ আগস্ট চট্টগ্রামে বড় ভাইয়ের কাছে বেড়াতে গেলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও পরিবারের সদস্যদের নজরে আসে। পরে জিজ্ঞাসাবাদে ওই ছাত্রী পরিবারের কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানায়। ২৫ আগস্ট সে বাড়িতে ফেরার পর পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি জানতে পারেন। এরপর ২৬ আগস্ট রাতে ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে কেন্দুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন এবং পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলায় বকুলকে প্রধান আসামি করে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজনকেও আসামি করা হয়েছে। মামলার পরপরই দ্বিতীয় আসামি আবু মিয়াকে (৩৬) গ্রেফতার করে পুলিশ। বুধবার বিকালে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে প্রধান আসামি বকুলকে
এখনো গ্রেফতার করা যায়নি। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী বলেন, আমাকে ভয় দেখিয়ে আমার খালু বকুল মিয়া ও আবু মিয়া বিভিন্ন বাসায় নিয়ে যেত। তখন আমি কিছু বুঝতাম না। তারা অন্য মানুষের দ্বারাও ধর্ষণ করাইছে। আমি যে বলে দিয়েছি, এই জন্য আমাকে মেরে ফেলতে পারে। আমি এসবের কঠিন বিচার চাই। কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে আবু মিয়াকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।





