ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তিনজনকে আহত করা চিতা বাঘের গন্তব্য অজানা
বিএনপি নেতা আরাফাত রহমান ও তারেক রহমানের বিরুদ্ধে সরকারি জায়গা দখলচেষ্টার অভিযোগ
রাজধানীতে আট মাসে ৪০০ বেওয়ারিশ লাশ দাফন, বেড়ে চলেছে সংখ্যা
সুনামগঞ্জে এক বছরে অন্তত ১৫ ছাত্র মাদ্রাসার মুহতামিমের ধর্ষণের শিকার, ধামাচাপার চেষ্টা স্থানীয় মাওলানাদের
সীতাকুণ্ডে বিএনপি কর্মীরা কুপিয়ে হত্যা করল আওয়ামী লীগ কর্মীকে
যুবলীগ নেতা ছেলেকে জ্যান্ত পুড়িয়ে হত্যাচেষ্টা, মামলা করতে গিয়ে ৬৮ বছরের বৃদ্ধা মা বিএনপি অফিস ভাঙার মামলায় কারাগারে!
ধর্ষণের শিকার ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু: পরিবারের বরাতে পুলিশ
শিশু হত্যা মামলায় জামিনে বেরিয়ে বাড়ির মালিককে খুনের অভিযোগ
অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় এক শিশুকে হত্যা করে। এই মামলায় প্রায় সাড়ে চার বছর কারাভোগ করে মাসখানেক আগে জামিনে ছাড়া পায়। এর মধ্যেই আরেক নারীকে হত্যা করে লাশ টুকরো করে পলিথিনের প্যাকেটে করে গুমের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় শনিবার অভিযুক্ত লাইলী আক্তারকে আটক করে পুলিশে দেয় এলাকাবাসী।
হত্যাকাণ্ডের শিকার ফরিদা ইয়াসমিন দেবিদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার স্বামী মফিজুল ইসলাম জাহাজে চাকরি করেন। দুই মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। বাড়িতে একাই থাকতেন ফরিদা। বাড়ির একটি কক্ষ লাইলী আক্তারকে ভাড়া দেওয়া হয়। শনিবার বাড়ির পেছন থেকে পলিথিনে মোড়ানো লাশের ৯টি প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। রোববার মাথাসহ আরও চারটি প্যাকেট উদ্ধার করেছে
পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১ আগস্ট ফরিদা ইয়াসমিনের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেন লাইলী আক্তার। গত শুক্রবার রাতে বাসায় একাই ছিলেন ফরিদা। এই সুযোগে ভাড়াটিয়া লাইলী কৌশলে তার সহযোগী চাঁপানগর গ্রামের আমির হোসেন, সোহেল রানা এবং রবিউল ইসলামকে ডেকে আনে। তারা ঘরে ঢুকে ফরিদাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে পলিথিন ব্যাগে মুড়ে বাড়ির পেছনে ও ডোবায় ফেলে রাখে। বাসা থেকে ৭ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় ঘাতকরা। শনিবার সকাল থেকে ফরিদা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে ছোট মেয়ে মরিয়ম ও স্বজনরা খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। বিকেলে ভুক্তভোগীর ভাগ্নে মামুন ও স্বজনরা বাসায় এসে ভাড়াটিয়া
লাইলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এছাড়া লাইলীর ঘরের বারান্দা পানি দিয়ে ধোয়ামোছা করতে দেখে তাদের সন্দেহ আরও বাড়ে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা একটি বস্তায় পলিথিনে মোড়ানো খণ্ড-বিখণ্ড লাশ দেখতে পান তারা। এসময় লাইলীকে আটক করলে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে। পুলিশ জানায়, ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় ফাহিমা নামে এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করে খালে পুঁতে রেখেছিল লাইলী ও তার প্রেমিক আমির হোসেন। নিহত শিশুটি আমির হোসেনের মেয়ে। এই মামলায় প্রায় সাড়ে চার বছর কারাভোগের পর মাত্র এক মাস আগে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন লাইলী। ১৩ প্যাকেট লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চারজনকে আসামি
করে দেবিদ্বার থানায় মামলা করেছেন নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মফিজুল ইসলাম। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন জানান, গ্রেপ্তার প্রধান আসামি লাইলী আক্তার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। স্বর্ণালঙ্কার ও টাকার লোভেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।
পুলিশ। পরিবারের সদস্যরা জানান, গত ১ আগস্ট ফরিদা ইয়াসমিনের বাড়ির একটি কক্ষ ভাড়া নেন লাইলী আক্তার। গত শুক্রবার রাতে বাসায় একাই ছিলেন ফরিদা। এই সুযোগে ভাড়াটিয়া লাইলী কৌশলে তার সহযোগী চাঁপানগর গ্রামের আমির হোসেন, সোহেল রানা এবং রবিউল ইসলামকে ডেকে আনে। তারা ঘরে ঢুকে ফরিদাকে কুপিয়ে হত্যা করে। এরপর লাশ খণ্ড-বিখণ্ড করে পলিথিন ব্যাগে মুড়ে বাড়ির পেছনে ও ডোবায় ফেলে রাখে। বাসা থেকে ৭ লাখ টাকা ও ১৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় ঘাতকরা। শনিবার সকাল থেকে ফরিদা ইয়াসমিনের মোবাইল ফোন বন্ধ পেয়ে ছোট মেয়ে মরিয়ম ও স্বজনরা খোঁজ নেওয়া শুরু করেন। বিকেলে ভুক্তভোগীর ভাগ্নে মামুন ও স্বজনরা বাসায় এসে ভাড়াটিয়া
লাইলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কথাবার্তায় অসঙ্গতি ধরা পড়ে। এছাড়া লাইলীর ঘরের বারান্দা পানি দিয়ে ধোয়ামোছা করতে দেখে তাদের সন্দেহ আরও বাড়ে। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির পেছনে ফেলে রাখা একটি বস্তায় পলিথিনে মোড়ানো খণ্ড-বিখণ্ড লাশ দেখতে পান তারা। এসময় লাইলীকে আটক করলে জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার অভিযোগ স্বীকার করে। পুলিশ জানায়, ২০২১ সালের ১৪ নভেম্বর অনৈতিক সম্পর্ক দেখে ফেলায় ফাহিমা নামে এক শিশুকে গলা কেটে হত্যা করে খালে পুঁতে রেখেছিল লাইলী ও তার প্রেমিক আমির হোসেন। নিহত শিশুটি আমির হোসেনের মেয়ে। এই মামলায় প্রায় সাড়ে চার বছর কারাভোগের পর মাত্র এক মাস আগে আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হন লাইলী। ১৩ প্যাকেট লাশ উদ্ধারের ঘটনায় চারজনকে আসামি
করে দেবিদ্বার থানায় মামলা করেছেন নিহত ফরিদা ইয়াসমিনের স্বামী মফিজুল ইসলাম। দেবিদ্বার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. শাহীন জানান, গ্রেপ্তার প্রধান আসামি লাইলী আক্তার প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। স্বর্ণালঙ্কার ও টাকার লোভেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান জোরদার করা হয়েছে।





