ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনূস-নূরজাহানের বিরুদ্ধে সেই অসহায় পিতার মামলার আবেদন খারিজ, নিভৃতে কাঁদছে বিচারের বাণী
১২ জুলাই, বহদ্দারহাট: ছাত্রলীগের ৮ নেতাকর্মীকে ব্রাশফায়ারে হত্যা করে জঙ্গি সংগঠন শিবিরের কিলাররা
চিফ প্রসিকিউটর: শেখ হাসিনার দেশে ফিরে সরাসরি আত্মসমর্পণের সুযোগ নেই
টানা ৫ দিন বৃষ্টি হতে পারে যেসব জেলায়
৭২ ঘণ্টার মধ্যে ১০ জেলায় নতুন করে বন্যার শঙ্কা
বাংলাদেশিদের জন্য অভিবাসী ভিসা স্থগিতের কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
বন্যা ও পাহাড় ধসে মৃত্যু বেড়ে ৪৪, ক্ষতিগ্রস্ত ১০ লাখের বেশি মানুষ
আবারও বন্যা, আবারও ঢাবিতে ত্রাণের অর্থ উত্তোলনের হিড়িক: তীব্র ক্ষোভ সাধারণ মানুষের
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত চট্টগ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়াতে গণত্রাণ ও গণতহবিল সংগ্রহ কর্মসূচি শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ১০৫ তম ব্যাচের সাধারণ শিক্ষার্থীর ব্যানারে কিছু ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বন্যা এলেই যেন একটি বিশেষ গোষ্ঠীকে ঈদ-পার্বণের মতো উৎসবের আমেজ ছুঁয়ে যায়। ত্রাণ ও অর্থ সাহায্য তোলার হিড়িক দেখা যায়। ২০২৪ সালে ফেনী, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুরের বানভাসি মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবের নাম করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসিতে খোলা হয় ত্রাণ কর্মসূচি। সাধারণ মানুষ তাদের কষ্টার্জিত অর্থ সহায়তা করেন সেখানে। অন্তত পক্ষে ১২-১৫ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয় সেখান থেকে। কিন্তু বানভাসি মানুষ সেই সহায়তা তো পাননি, উল্টো এই বিপুল অর্থেরও আর কোনো হদিস মেলেনি।
শিবির-এনসিপির সেই ত্রাণ প্রতারণার
হোতা ছিলেন যারা, তারা বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতর বলয়ে রয়েছেন। অথচ সেই বিপুল অর্থের এক টাকারও হিসাব দেয়নি কেউ। পুরনো কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ যখন তাদের কাছ থেকে সেই অর্থের হিসাব চেয়েছেন, এনসিপির নেতারা উল্টো প্রশ্নকারীদের ওপর মব লেলিয়ে দেন, সাংবাদিকদের হেনস্তাও করা হয়। এবারের প্রবল বর্ষণ ও বন্যায় ডুবে গেছে চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চল। আবারও ঢাবিতে টাকা তুলছে ছাত্র রাজনীতি করা সেই বিশেষ গোষ্ঠীটি। তবে এবার মানুষ অনেক সচেতন। তারা পুরো বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিশেষ করে অর্থ লুটেপুটে খাওয়ার পেছনে গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে অন্যদের সতর্ক করে বলেছেন- কেউ যেন তাদের
তহবিলে এক টাকাও না দেন। গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালের কমেন্ট সেকশনে দেখা গেছে এমন চিত্র। সেখানে শিবির-এনসিপি তো বটেই, এমনকি ছাত্রদলকেও যেন কোনো অর্থ সাহায্য না করা হয়, এমন প্রচার চলছে। তাদেরকে চোর-বাটপারসহ বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা ছাড়াও চলছে তীব্র গালাগাল। ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে এখন অব্দি সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম চোখে না পড়ায় চট্টগ্রামের বানভাসি মানুষকে সহায়তা পাঠানোর জন্য ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং বিশ্বস্ত সংগঠনের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছেন সাধারণ মানুষ। গতবারের মতো কেউ যেন কষ্টার্জিত অর্থ প্রতারকদের হাতে তুলে না দেন, আহ্বান জানিয়েছেন অনেকেই। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, আজ ১২ই জুলাই,
রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও কলা ভবনে দুটি বুথের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। নগদ অর্থের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীও গ্রহণ করা হবে বলে জানান আয়োজকরা। ছাত্রনেতারা জানান, প্রাথমিকভাবে টিএসসি ও কলা ভবনের বুথে অনুদান সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ এবং আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণভাবে ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে দ্রুত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, পলিথিন এবং জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী কেনা হবে। আয়োজকদের দাবি, সংগৃহীত ত্রাণসামগ্রী চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে সরাসরি বন্যাকবলিত এলাকার পানিবন্দী মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা যায়। এবার আর কোনো টাকা নয়-ছয় হবে না বলেও আশ্বস্ত
করেন কেউ কেউ, তাদের ওপর বিশ্বাস রাখার কথা বলছেন তারা। এবার তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের কথা জানিয়েছেন আয়োজন ছাত্রনেতারা। ছাত্রনেতারা বলেন, চট্টগ্রামের চলমান মানবিক বিপর্যয়ে দায়িত্ববোধ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সাধ্যমতো অনুদানের মাধ্যমে এই মানবিক উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে ‘অপপ্রচার’ করছে ‘ফ্যাসিস্টের দোসররা’, তাই এসবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিবির-এনসিপির কর্মীরা।
হোতা ছিলেন যারা, তারা বর্তমানে রাষ্ট্রক্ষমতর বলয়ে রয়েছেন। অথচ সেই বিপুল অর্থের এক টাকারও হিসাব দেয়নি কেউ। পুরনো কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, সাধারণ মানুষ যখন তাদের কাছ থেকে সেই অর্থের হিসাব চেয়েছেন, এনসিপির নেতারা উল্টো প্রশ্নকারীদের ওপর মব লেলিয়ে দেন, সাংবাদিকদের হেনস্তাও করা হয়। এবারের প্রবল বর্ষণ ও বন্যায় ডুবে গেছে চট্টগ্রামসহ আশপাশের অঞ্চল। আবারও ঢাবিতে টাকা তুলছে ছাত্র রাজনীতি করা সেই বিশেষ গোষ্ঠীটি। তবে এবার মানুষ অনেক সচেতন। তারা পুরো বিষয়টি নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। বিশেষ করে অর্থ লুটেপুটে খাওয়ার পেছনে গুপ্ত সংগঠন ছাত্রশিবির ও এনসিপির নেতাকর্মীদের প্রতি তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে অন্যদের সতর্ক করে বলেছেন- কেউ যেন তাদের
তহবিলে এক টাকাও না দেন। গতকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনলাইন নিউজ পোর্টালের কমেন্ট সেকশনে দেখা গেছে এমন চিত্র। সেখানে শিবির-এনসিপি তো বটেই, এমনকি ছাত্রদলকেও যেন কোনো অর্থ সাহায্য না করা হয়, এমন প্রচার চলছে। তাদেরকে চোর-বাটপারসহ বিভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করা ছাড়াও চলছে তীব্র গালাগাল। ২০২৪-এর ৫ই আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে এখন অব্দি সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের কোনো দৃশ্যমান কার্যক্রম চোখে না পড়ায় চট্টগ্রামের বানভাসি মানুষকে সহায়তা পাঠানোর জন্য ব্যক্তিগত যোগাযোগ এবং বিশ্বস্ত সংগঠনের পাশে দাঁড়ানোর কথা বলছেন সাধারণ মানুষ। গতবারের মতো কেউ যেন কষ্টার্জিত অর্থ প্রতারকদের হাতে তুলে না দেন, আহ্বান জানিয়েছেন অনেকেই। ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, আজ ১২ই জুলাই,
রোববার থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি ও কলা ভবনে দুটি বুথের মাধ্যমে এই কার্যক্রম শুরু হবে। নগদ অর্থের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রীও গ্রহণ করা হবে বলে জানান আয়োজকরা। ছাত্রনেতারা জানান, প্রাথমিকভাবে টিএসসি ও কলা ভবনের বুথে অনুদান সংগ্রহ করা হবে। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল, শ্রেণিকক্ষ এবং আশপাশের এলাকায় ভ্রাম্যমাণভাবে ত্রাণ সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। সংগৃহীত অর্থ দিয়ে দ্রুত শুকনো খাবার, বিশুদ্ধ পানি, স্যালাইন, পলিথিন এবং জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী কেনা হবে। আয়োজকদের দাবি, সংগৃহীত ত্রাণসামগ্রী চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে সরাসরি বন্যাকবলিত এলাকার পানিবন্দী মানুষের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যাতে দ্রুততম সময়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করা যায়। এবার আর কোনো টাকা নয়-ছয় হবে না বলেও আশ্বস্ত
করেন কেউ কেউ, তাদের ওপর বিশ্বাস রাখার কথা বলছেন তারা। এবার তহবিল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিতের কথা জানিয়েছেন আয়োজন ছাত্রনেতারা। ছাত্রনেতারা বলেন, চট্টগ্রামের চলমান মানবিক বিপর্যয়ে দায়িত্ববোধ থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সমাজের সর্বস্তরের মানুষের প্রতি সাধ্যমতো অনুদানের মাধ্যমে এই মানবিক উদ্যোগে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের ত্রাণ কার্যক্রম নিয়ে ‘অপপ্রচার’ করছে ‘ফ্যাসিস্টের দোসররা’, তাই এসবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শিবির-এনসিপির কর্মীরা।



