ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ফয়েজ আহমেদ তৈয়বের সবার আগে দেশত্যাগ ও আইসিটি খাতে বিশাল দুর্নীতির অভিযোগ
আওয়ামী লীগ-বিএনপি বিরোধ বাড়লে ‘নারীবিরোধী’ জামায়াত বড় সাফল্য পেতো: ব্রিটিশ এমপি রুপা হক
স্ক্রিনশট ফাঁস করে ‘প্রিয় তারেক রহমান’ সম্বোধনে ঢাবি শিক্ষক মোনামির আকুতিভরা পোস্ট ভাইরাল
ধানমন্ডি ৩২ শে যাওয়া কি অপরাধ?
“আমার মা কখনও কাউকে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের নির্দেশ দেননি, শুধুমাত্র যারা পুলিশ বা অন্যদের ওপর হামলা করছিল, তাদের ক্ষেত্রে ছাড়া।” – সজীব ওয়াজেদ
ছয়বার জামিন পেয়েও মেলেনি মুক্তি, কারাগারে আ.লীগ নেতার মৃত্যু
গণতন্ত্রের নতুন সমীকরণ: আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা, আন্তর্জাতিক চাপ ও বিএনপির ‘কৌশলী’ দাবার চাল
নিরঙ্কুশ জয়, এখনো সরকার গঠন হয়নি: এর আগেই ধানমন্ডিতে ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান লাঞ্ছিত, প্রশ্নবিদ্ধ ‘ভবিষৎ গণতন্ত্র’
সদ্য সমাপ্ত জাতীয় নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। এখনো নতুন এমপিরা শপথ নেননি, গঠিত হয়নি সরকার। এরই মধ্যে রাজপথ ও প্রশাসনের আচরণে দেখা যাচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলের আগ্রাসী রূপ। আজ রোববার ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে পুলিশের হাতে নজিরবিহীনভাবে লাঞ্ছিত ও আটক হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিন।
কেবল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক নন, অধ্যাপক জামাল উদ্দিন একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পরপরই—সরকার গঠনের আগেই—একজন শিক্ষকের ওপর এমন চড়াও হওয়ার ঘটনা ‘ভবিষ্যৎ গণতন্ত্রের’ জন্য অশনিসংকেত বলে মনে করছেন বিশিষ্টজনেরা।
আজ দুপুরে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে
যান ড. জামাল উদ্দিন। ভাইরাল হওয়া ফুটেজ ও ছবিতে দেখা যায়, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জ্যাকেটের কলার ও ঘাড় চেপে ধরে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের এক শ্রেণির কর্মকর্তার মধ্যে ‘নব্য সরকার’কে খুশি করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সরকার এখনো দায়িত্ব নেয়নি, অথচ পুলিশ এখনই বিরোধী মতের বা ভিন্ন মতাদর্শের—বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের—ব্যক্তিদের দমনে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। একজন নিরস্ত্র শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণ প্রমাণ করে, প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারিয়ে ক্ষমতার পালাবদলের স্রোতে গা ভাসিয়েছে। বিএনপি বরাবরই দাবি করে তারা রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। নির্বাচনে জয়ের পর দলটির নেতারা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের বিজয়োল্লাসের
মধ্যেই একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে (ড. জামাল উদ্দিন) রাস্তায় এভাবে অপদস্থ হতে হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, ‘বিএনপি এখনো মসনদে বসেনি, কেবল জয় পেয়েছে। তাতেই যদি ভিন্নমতের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এই হাল হয়, তবে সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের (আওয়ামীপন্থী) প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ড. জামাল উদ্দিন। রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তিনি একজন শিক্ষক এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিএনপি যদি সত্যিই প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইত, তবে তাদের জয়ের ডামাডোলের মধ্যে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত না বা তারা এর প্রতিবাদ করত। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সময়টি খুবই স্পর্শকাতর। বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এখনো দাপ্তরিকভাবে ক্ষমতায়
বসেনি। এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন দলীয় আচরণ এবং ভিন্নমতের ওপর আঘাত প্রমাণ করে, মাঠ পর্যায়ে সহনশীলতার চরম অভাব রয়েছে। শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, “যে সরকার এখনো শপথই নেয়নি, তাদের প্রচ্ছন্ন ছায়ায় যদি একজন ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিরাপদ না থাকেন, তবে এটি ‘নতুন দিনের’ রাজনীতির জন্য ভালো খবর নয়।” অবিলম্বে অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং পুলিশি বাড়াবাড়ির তদন্ত দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।
যান ড. জামাল উদ্দিন। ভাইরাল হওয়া ফুটেজ ও ছবিতে দেখা যায়, দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা জ্যাকেটের কলার ও ঘাড় চেপে ধরে তাঁকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন। বিশ্লেষকদের মতে, বিএনপি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকেই প্রশাসনের এক শ্রেণির কর্মকর্তার মধ্যে ‘নব্য সরকার’কে খুশি করার তোড়জোড় শুরু হয়েছে। সরকার এখনো দায়িত্ব নেয়নি, অথচ পুলিশ এখনই বিরোধী মতের বা ভিন্ন মতাদর্শের—বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের—ব্যক্তিদের দমনে অতি উৎসাহী হয়ে উঠেছে। একজন নিরস্ত্র শিক্ষকের সঙ্গে এমন আচরণ প্রমাণ করে, প্রশাসন নিরপেক্ষতা হারিয়ে ক্ষমতার পালাবদলের স্রোতে গা ভাসিয়েছে। বিএনপি বরাবরই দাবি করে তারা রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের দল। নির্বাচনে জয়ের পর দলটির নেতারা আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। কিন্তু তাদের বিজয়োল্লাসের
মধ্যেই একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে (ড. জামাল উদ্দিন) রাস্তায় এভাবে অপদস্থ হতে হলো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, ‘বিএনপি এখনো মসনদে বসেনি, কেবল জয় পেয়েছে। তাতেই যদি ভিন্নমতের মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের এই হাল হয়, তবে সরকার গঠনের পর পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে?’ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নীল দলের (আওয়ামীপন্থী) প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ড. জামাল উদ্দিন। রাজনৈতিক পরিচয় ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তিনি একজন শিক্ষক এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। সচেতন নাগরিকরা বলছেন, বিএনপি যদি সত্যিই প্রতিহিংসার রাজনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে চাইত, তবে তাদের জয়ের ডামাডোলের মধ্যে এমন ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটত না বা তারা এর প্রতিবাদ করত। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বলছেন, অন্তর্বর্তীকালীন সময়টি খুবই স্পর্শকাতর। বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও এখনো দাপ্তরিকভাবে ক্ষমতায়
বসেনি। এই সময়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন দলীয় আচরণ এবং ভিন্নমতের ওপর আঘাত প্রমাণ করে, মাঠ পর্যায়ে সহনশীলতার চরম অভাব রয়েছে। শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, “যে সরকার এখনো শপথই নেয়নি, তাদের প্রচ্ছন্ন ছায়ায় যদি একজন ঢাবি শিক্ষক ও মুক্তিযোদ্ধার সন্তান নিরাপদ না থাকেন, তবে এটি ‘নতুন দিনের’ রাজনীতির জন্য ভালো খবর নয়।” অবিলম্বে অধ্যাপক ড. এ কে এম জামাল উদ্দিনের নিঃশর্ত মুক্তি এবং পুলিশি বাড়াবাড়ির তদন্ত দাবি করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন।



