ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক
অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ
নির্বাচন নির্বাচন খেলায় পিছিয়ে নেই পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দলও
মিডিয়া থেকে নিউজ গায়েব কেন? ঘটনার সত্যতা কি? মিডিয়া কি নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে?
প্রধান উপদেষ্টাসহ অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও সমমর্যাদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদ বিবরণী প্রকাশ করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ
জুলাই অভ্যুত্থান ও ক্ষমতার পালাবদল: ‘ওল্ড গার্ডস’ বনাম ‘কালার রেভ্যুলেশন’ তত্ত্ব এবং মাহফুজ আলমের বিস্ফোরক বয়ান
একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের তাবেদারি ভূমিকা যেমন ছিলো
প্রচারণা চালানোর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপির হামলার শিকার ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী; নির্বাচনের নামে মৎস্যন্যায়ের সাক্ষী হলো গোটা দেশ!
মৎস্যন্যায় হলো দুর্বলের উপর সবলের অত্যাচার, নির্যাতন-নীপিড়ন; নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ঠিক সেভাবেই নিজেদের শক্তির জানান দিচ্ছে সন্ত্রাসী কায়দায় প্রতিদ্বন্দি প্রার্থীদের উপর হামলা করে। গতকাল ০৯ ফেব্রুয়ারী রাতের বেলা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ (সদর-বিজয়নগর) আসনে ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ এর প্রার্থী শেখ হানিফের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জনসংযোগকালে সদর উপজেলার মাছিহাতা ইউনিয়নের চিনাইরের চাপুইর এলাকায় তিনি হামলার শিকার হন। সেই হামলায় ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থীর ৩-৪ জন কর্মীও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আহতরা জেলা সদর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। শেখ হানিফ হামলায় নেতৃত্বপ্রদানকারী হিসেবে হিরণ নামে একজন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন বলে জানা যায়।
দেশে নির্বাচনের নামে জামায়াত-বিএনপির মধ্যে পারস্পরিক সংঘাতের পাশাপাশি বাড়ছে স্বতন্ত্র প্রার্থী
কিংবা অপেক্ষাকৃত ছোট দলগুলোর প্রার্থীদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার ঘটনা। দেশের অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র সহ নানা দেশি-বিদেশি অস্ত্র মজুদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ হচ্ছে, নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে; আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অথর্ব ইউনূস গং এখনো নির্বিকার। এ অবস্থায়, দেশের জনগণ ভোট দিতে চরম সংশয়ের মধ্যে পড়ে গেছে। যেখানে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চিয়তা, সেখানে দেশের জনগণ ভোট দিতে বের হবে কোন ভরসায়?
কিংবা অপেক্ষাকৃত ছোট দলগুলোর প্রার্থীদের উপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার ঘটনা। দেশের অনেক জায়গায় ইতোমধ্যে আগ্নেয়াস্ত্র সহ নানা দেশি-বিদেশি অস্ত্র মজুদের প্রমাণ পাওয়া গেছে। সংঘর্ষ হচ্ছে, নির্বাচনী কার্যালয় পুড়িয়ে ফেলা হচ্ছে; আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে অথর্ব ইউনূস গং এখনো নির্বিকার। এ অবস্থায়, দেশের জনগণ ভোট দিতে চরম সংশয়ের মধ্যে পড়ে গেছে। যেখানে জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে অনিশ্চিয়তা, সেখানে দেশের জনগণ ভোট দিতে বের হবে কোন ভরসায়?



