নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
     ৭:৩৬ পূর্বাহ্ণ

নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ | ৭:৩৬ 15 ভিউ
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না—এমন মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ। সংগঠনটি বলছে, নির্বাচন মানেই মানুষের মত প্রকাশের অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদার নিশ্চয়তা। অথচ বাস্তব চিত্রে দেখা যাচ্ছে, নির্বাচনী রাজনীতির নামে দেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয়, আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তা তৈরি হচ্ছে, যা গণতন্ত্রের মূল চেতনার সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের অভিযোগ, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও সুরক্ষার বিষয়টি প্রায় সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত। অথচ সংবিধানের রাষ্ট্রীয় নীতিমালায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় স্বাধীনতার যে অঙ্গীকার রয়েছে, তা রাজনৈতিক

দলগুলোর ঘোষণায় প্রতিফলিত হচ্ছে না। এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি আরও জানায়, বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তির বক্তব্য ও অবস্থানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে ‘নির্বাচনের রাজনৈতিক বিষয়’ হিসেবে দেখার প্রবণতা উদ্বেগজনক। এতে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর প্রতি রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের দায়িত্ববোধ প্রশ্নের মুখে পড়ছে বলে মনে করছে তারা। সংগঠনটির দাবি, অতীতের মতো এবারও নির্বাচনকেন্দ্রিক সময়েই সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠী সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়ছে। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার বলি হয়ে তারা নির্যাতন, ভয়ভীতি ও সহিংসতার শিকার হচ্ছে, যার দায় শেষ পর্যন্ত কেউই নিচ্ছে না। বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ স্পষ্ট করে বলেছে, ভোটের নামে কোনো জনগোষ্ঠীর ওপর আতঙ্ক চাপিয়ে দেওয়া গণতন্ত্র নয়; বরং এটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে। রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত

নির্বাচনী ইশতেহারে সংখ্যালঘুদের অধিকার, নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে স্পষ্ট ও দৃশ্যমান অঙ্গীকার যুক্ত করা। সংগঠনটি সতর্ক করে জানিয়েছে, এসব বিষয় উপেক্ষিত থাকলে নির্বাচনের বিশ্বাসযোগ্যতা এবং দেশের সামাজিক স্থিতিশীলতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া জেলখানার মাইকে ভেসে এল বাবা হওয়ার সংবাদ: সাবেক ছাত্রলীগ নেতার কারাজীবনের নির্মম আখ্যান পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি ‘প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে আইনি কৌশলে মাঠের বাইরে রাখা গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক’: মাইকেল রুবিন একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ? নির্বাচন বৈধতা দিতে এক ব্যক্তির সাইনবোর্ডসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠান ‘পাশা’, একাই সাপ্লাই দিচ্ছে ১০ হাজার পর্যবেক্ষক! উপদেষ্টা আদিলুর ও শিক্ষা উপদেষ্টা আবরারের পারিবারিক বলয়ে নির্বাচন পর্যবেক্ষক তালিকা গণভোট নয়, এটা সংবিধান ধ্বংসের আয়োজন হাজার হাজার প্রোফাইল ছবিতে একটাই কথা—“নো বোট, নো ভোট।” ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া আইনের শাসনের নির্লজ্জ চিত্র: ভুয়া মামলা ও আতঙ্কে বন্দী বাংলাদেশ বাংলাদেশের ১২ ফেব্রুয়ারির প্রহসনের নির্বাচন ও গণভোট বর্জনের আহবান জানিয়েছেন প্রবাসী বাংলাদেশীরা ইউনূস সাহেব ঈদ করবেন কোথায়! Plebiscite or Refounding? The Constitutional Limits of the Referendum in Bangladesh Former Bangladeshi Minister Ramesh Chandra Sen Dies in Custody