ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
“হ্যাঁ–না ভোটের ফল আগেই নির্ধারিত। এখন চলছে ভোটের নামে এক প্রহসন।” — জননেত্রী শেখ হাসিনা
বাংলাদেশে ভোট বয়কটের ডাক ৫ পেশাজীবী সংগঠনের
নির্বাচনের নামে সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর জীবনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করা কোনোভাবেই গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না
যে জাতি তার মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান করতে ভুলে যায়, সেই জাতি নিজের জন্মকেই অস্বীকার করে
ফাঁস হওয়া নথিতে ৬৪ ডিসির রাজনৈতিক পরিচয়: ‘নিরপেক্ষ’ প্রশাসনে দলীয়করণের ছায়া
আসন্ন নির্বাচনকে ‘প্রহসন’ আখ্যা ভোট বর্জনের ডাক দিয়ে ৭০৭ আইনজীবীর বিবৃতি
একাত্তর থেকে আবার৭১ কেমন আছে বাংলাদেশ?
পরিচয় ফাঁসের আতঙ্ক: পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানে বিমুখ সরকারি চাকরিজীবী কর্মকর্তারা
নির্বাচনী দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলেও এবার তাতে অনাগ্রহ ও ভীতি দেখা দিয়েছে। ব্যালট পেপারের সঙ্গে ব্যক্তিগত তথ্য সংযুক্ত করার বাধ্যবাধকতা এবং গোপনীয়তা ক্ষুন্ন হওয়ার আশঙ্কাই এই ভীতির মূল কারণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গোপন ব্যালটের যে সাংবিধানিক অধিকার, পোস্টাল ব্যালটের বর্তমান প্রক্রিয়ায় তা কার্যত রক্ষিত হচ্ছে না। ফলে ভবিষ্যতে রাজনৈতিক রোষানলে পড়ার ভয়ে অনেকেই ভোটদান থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।
সরেজমিনে একাধিক সরকারি কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে এবং পোস্টাল ব্যালট পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, এই প্রক্রিয়ায় ভোটারের গোপনীয়তা বজায় রাখার সুযোগ সীমিত। পোস্টাল ব্যালট পেপারে একটি নির্দিষ্ট ক্রমিক নম্বর থাকছে। একই সঙ্গে ব্যালট জমার সময় ভোটারকে
তাঁর নাম, পদবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর উল্লেখ করতে হচ্ছে। কর্মকর্তাদের দাবি, ক্রমিক নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্যের এই সংযোগের কারণে খুব সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব—কে কোন মার্কায় ভোট দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রশাসনের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাধারণ কেন্দ্রে ভোট দিলে কেউ জানে না আমি কাকে ভোট দিলাম। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটে আমার নাম-পরিচয় সব লিখিত থাকছে। এই তথ্য যে গোপন থাকবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হলে বা ভিন্ন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে, এই নথিপত্র ঘেঁটে আমাকে সহজেই ‘চিহ্নিত’ করা যাবে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন গ্রুপেও বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সেখানে বলা হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ায়
ভোট দেওয়া মানে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া। ভবিষ্যতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, বিপরীত মেরুর ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হলে বদলি, পদোন্নতিবঞ্চনা বা হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সংবিধান ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম শর্ত হলো ‘গোপন ব্যালট’। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটের বর্তমান কাঠামোতে যদি ভোটারের পরিচয় এবং তাঁর প্রদত্ত ভোটের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের সুযোগ থাকে, তবে তা ভোটারের স্বাধীন মতপ্রকাশে বড় বাধা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ‘ভবিষ্যৎ বিপদের’ কথা চিন্তা করে অনেক কর্মকর্তা এবার পোস্টাল ব্যালট জমা না দেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, চাকরি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলার চেয়ে ভোটদান থেকে বিরত থাকাই
শ্রেয়। নির্বাচন কমিশন গোপনীয়তার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে না পারায় এই অনাস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তাঁর নাম, পদবি এবং জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর উল্লেখ করতে হচ্ছে। কর্মকর্তাদের দাবি, ক্রমিক নম্বর ও ব্যক্তিগত তথ্যের এই সংযোগের কারণে খুব সহজেই শনাক্ত করা সম্ভব—কে কোন মার্কায় ভোট দিয়েছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রশাসনের এক কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, ‘সাধারণ কেন্দ্রে ভোট দিলে কেউ জানে না আমি কাকে ভোট দিলাম। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটে আমার নাম-পরিচয় সব লিখিত থাকছে। এই তথ্য যে গোপন থাকবে, তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। ভবিষ্যতে সরকার পরিবর্তন হলে বা ভিন্ন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হলে, এই নথিপত্র ঘেঁটে আমাকে সহজেই ‘চিহ্নিত’ করা যাবে।’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও সরকারি চাকরিজীবীদের বিভিন্ন গ্রুপেও বিষয়টি নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। সেখানে বলা হচ্ছে, এই প্রক্রিয়ায়
ভোট দেওয়া মানে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান লিখিতভাবে জানিয়ে দেওয়া। ভবিষ্যতে যে দলই ক্ষমতায় আসুক, বিপরীত মেরুর ভোটার হিসেবে চিহ্নিত হলে বদলি, পদোন্নতিবঞ্চনা বা হয়রানির শিকার হওয়ার আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সংবিধান ও নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্যতম শর্ত হলো ‘গোপন ব্যালট’। কিন্তু পোস্টাল ব্যালটের বর্তমান কাঠামোতে যদি ভোটারের পরিচয় এবং তাঁর প্রদত্ত ভোটের মধ্যে যোগসূত্র স্থাপনের সুযোগ থাকে, তবে তা ভোটারের স্বাধীন মতপ্রকাশে বড় বাধা। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে ‘ভবিষ্যৎ বিপদের’ কথা চিন্তা করে অনেক কর্মকর্তা এবার পোস্টাল ব্যালট জমা না দেওয়ার পক্ষে মত দিচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, চাকরি ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলার চেয়ে ভোটদান থেকে বিরত থাকাই
শ্রেয়। নির্বাচন কমিশন গোপনীয়তার শতভাগ নিশ্চয়তা দিতে না পারায় এই অনাস্থা তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



