ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে আরও কড়া অবস্থানে ইইউ
৩০ কোটির চুক্তিতে ১৬ কোটিই পানিতে: প্রেস সচিবের ভাইয়ের ভুয়া কাগজে নিঃস্ব ডা. শাহরিয়ার
গৃহকর্মী নির্যাতন ‘নাটক’ ৩৭ হাজার কোটির বোয়িং ডিল: ‘পথের কাঁটা’ সরাতেই এমডি গ্রেপ্তার
বাংলাদেশ অস্থিতিশীল হলে দিল্লিও নিরাপদ নয়: দক্ষিণ এশিয়ার সামনে এক ভয়ংকর সতর্কঘণ্টা
ভারত থেকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে প্রত্যাবর্তনের ছক কষছে নির্বাসিত আওয়ামী লীগ নেতারা
১৭ মাসে মাজারে ৯৭ হামলা, ৬১% ধর্মীয় মতবিরোধে
গণপরিষদ নির্বাচন নিয়ে দেশের রাজনীতিতে উত্তেজনা বাড়ছে
বিএনপি এখন মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’, তারেক রহমান তাদের হাতে জিম্মি: সজীব ওয়াজেদ
সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, বিএনপি বর্তমানে মার্কিন দূতাবাসের ‘পুতুল’ হিসেবে কাজ করছে এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুর্নীতির দায়ে আমেরিকার হাতে ‘জিম্মি’ হয়ে আছেন। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে দেশের সমসাময়িক রাজনীতি ও আসন্ন নির্বাচন নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘ম্যান্ডেটহীন সরকার ও জঙ্গিদের মুক্তি’
সজীব ওয়াজেদ বলেন, গত দেড় বছর ধরে বাংলাদেশে একটি অনির্বাচিত সরকার কোনো ম্যান্ডেট ছাড়াই ক্ষমতা আঁকড়ে আছে। এই সরকারের প্রথম কাজগুলোর একটি ছিল দণ্ডপ্রাপ্ত সন্ত্রাসীদের কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া, যাদের মধ্যে হলি আর্টিজান
হামলা ও ব্লগার হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরাও রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার ইসলামপন্থী ও উগ্রবাদীদের দ্বারা সমর্থিত এবং তাদের ‘নিউক্লিয়াস’ হিসেবে কাজ করছে। ড. ইউনুস ও তার সরকার ইসলামপন্থীদের কাছে ঋণী এবং তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই ‘মব জাস্টিস’-এর নামে বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোটা আন্দোলন ও সহিংসতার দায় কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক ছিল এবং সরকার আগেই কোটা বাতিল করেছিল। তবে আদালতের রায়ের পর বিষয়টি নিয়ে সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঘাটতি ছিল। এই সুযোগে বিরোধী দল, ইসলামপন্থী এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) আন্দোলনটিকে সহিংস করে তোলে। তিনি দাবি করেন, পুলিশ ও থানায় হামলা চালিয়ে
সহিংসতা শুরু করেছিল সশস্ত্র জঙ্গিরা, সরকার নয়। তারেক রহমান ও মার্কিন নিয়ন্ত্রণ বিএনপি ও তারেক রহমানের ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন সজীব ওয়াজেদ। তিনি বলেন, “তারেক রহমান এফবিআই এজেন্টদের দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তাকে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তার করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আমেরিকার হাতে রয়েছে। এ কারণেই তারেক রহমান মার্কিন দূতাবাসের হুকুম তামিল করতে বাধ্য হচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি এতদিন গণভোটের বিরোধিতা করলেও হঠাৎ করে তারেক রহমান ‘ইউ-টার্ন’ নিয়ে গণভোটের পক্ষে কথা বলছেন। কারণ, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে একটি দুর্বল কোয়ালিশন সরকার চায়, যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলেও আমেরিকার কথার বাইরে যাওয়ার সাহস পাবেন না। ‘একপেশে নির্বাচন’ ও পোস্টাল
ভোটে কারচুপির অভিযোগ আসন্ন নির্বাচনকে ‘নাটক’ ও ‘একপেশে’ আখ্যা দিয়ে জয় বলেন, আওয়ামী লীগসহ দেশের সকল প্রগতিশীল দলের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলছে। জাতীয় পার্টির অফিস পোড়ানো হয়েছে এবং তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে কারচুপির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বসে হাজার হাজার পোস্টাল ব্যালট জামায়াত ও গণভোটের পক্ষে পূরণ করা হচ্ছে, যার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ ব্যালট বাক্সে কারচুপি দৃশ্যমান হয় বলে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সতর্কবার্তা সজীব ওয়াজেদ সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে আল-কায়েদা ও তালেবান কমান্ডাররা প্রকাশ্যে সমাবেশ
করছে, যা ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরা ইতিমধ্যেই ক্ষমতায়। বিএনপি ক্ষমতায় আসুক বা না আসুক, জামায়াতের প্রভাব বজায় থাকবে এবং তারা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।” আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আর মাত্র ১১ দিন বাকি। আপনারা যদি এখনই এই সাজানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে কথা না বলেন, তবে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের কবলে পড়তে হবে। আওয়ামী লীগের ১৭ বছর শাসনই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে জঙ্গিমুক্ত ও সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ সময়।” বক্তব্যের শেষে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রগতিশীল রাজনীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
হামলা ও ব্লগার হত্যার দায়ে দণ্ডপ্রাপ্তরাও রয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার ইসলামপন্থী ও উগ্রবাদীদের দ্বারা সমর্থিত এবং তাদের ‘নিউক্লিয়াস’ হিসেবে কাজ করছে। ড. ইউনুস ও তার সরকার ইসলামপন্থীদের কাছে ঋণী এবং তাদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্যই ‘মব জাস্টিস’-এর নামে বিচার বিভাগ ও গণমাধ্যমের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে। কোটা আন্দোলন ও সহিংসতার দায় কোটা সংস্কার আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের দাবি যৌক্তিক ছিল এবং সরকার আগেই কোটা বাতিল করেছিল। তবে আদালতের রায়ের পর বিষয়টি নিয়ে সরকারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় ঘাটতি ছিল। এই সুযোগে বিরোধী দল, ইসলামপন্থী এবং বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ) আন্দোলনটিকে সহিংস করে তোলে। তিনি দাবি করেন, পুলিশ ও থানায় হামলা চালিয়ে
সহিংসতা শুরু করেছিল সশস্ত্র জঙ্গিরা, সরকার নয়। তারেক রহমান ও মার্কিন নিয়ন্ত্রণ বিএনপি ও তারেক রহমানের ভূমিকা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য দেন সজীব ওয়াজেদ। তিনি বলেন, “তারেক রহমান এফবিআই এজেন্টদের দেওয়া প্রমাণের ভিত্তিতে দণ্ডিত হয়েছিলেন। তাকে অভিযুক্ত ও গ্রেপ্তার করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ আমেরিকার হাতে রয়েছে। এ কারণেই তারেক রহমান মার্কিন দূতাবাসের হুকুম তামিল করতে বাধ্য হচ্ছেন।” তিনি আরও বলেন, বিএনপি এতদিন গণভোটের বিরোধিতা করলেও হঠাৎ করে তারেক রহমান ‘ইউ-টার্ন’ নিয়ে গণভোটের পক্ষে কথা বলছেন। কারণ, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর বাংলাদেশে একটি দুর্বল কোয়ালিশন সরকার চায়, যা সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হলেও আমেরিকার কথার বাইরে যাওয়ার সাহস পাবেন না। ‘একপেশে নির্বাচন’ ও পোস্টাল
ভোটে কারচুপির অভিযোগ আসন্ন নির্বাচনকে ‘নাটক’ ও ‘একপেশে’ আখ্যা দিয়ে জয় বলেন, আওয়ামী লীগসহ দেশের সকল প্রগতিশীল দলের ওপর অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলছে। জাতীয় পার্টির অফিস পোড়ানো হয়েছে এবং তাদের নির্বাচনী কার্যক্রম চালাতে দেওয়া হচ্ছে না। তিনি অভিযোগ করেন, নির্বাচনে কারচুপির অংশ হিসেবে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো পোস্টাল ভোটের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে বসে হাজার হাজার পোস্টাল ব্যালট জামায়াত ও গণভোটের পক্ষে পূরণ করা হচ্ছে, যার ভিডিও অনলাইনে ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ ব্যালট বাক্সে কারচুপি দৃশ্যমান হয় বলে পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচনের ফলাফল পাল্টে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। ভারত ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সতর্কবার্তা সজীব ওয়াজেদ সতর্ক করে বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে আল-কায়েদা ও তালেবান কমান্ডাররা প্রকাশ্যে সমাবেশ
করছে, যা ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্তের নিরাপত্তার জন্য গুরুতর হুমকি। তিনি বলেন, “বাংলাদেশে ইসলামপন্থীরা ইতিমধ্যেই ক্ষমতায়। বিএনপি ক্ষমতায় আসুক বা না আসুক, জামায়াতের প্রভাব বজায় থাকবে এবং তারা শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছে।” আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “নির্বাচনের আর মাত্র ১১ দিন বাকি। আপনারা যদি এখনই এই সাজানো নির্বাচনের বিরুদ্ধে কথা না বলেন, তবে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসের কবলে পড়তে হবে। আওয়ামী লীগের ১৭ বছর শাসনই ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে জঙ্গিমুক্ত ও সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপদ সময়।” বক্তব্যের শেষে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে প্রগতিশীল রাজনীতি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এখনই পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।



