ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ঢাকায় ভিসা আবেদন কেন্দ্র চালু তুরস্কের, ফি কত?
সিভাসু হলের কক্ষ থেকে ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী উপমা দত্তের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
সম্প্রীতির বাংলাদেশে উগ্রবাদের আস্ফালন: সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারহীনতার এক চালচিত্র
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ৫৫ শতাংশের বেশি ভোট পড়বে” – তৌহিদ হোসেন
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত?
ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী
শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ
চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস: এপস্টাইন নেটওয়ার্কের ‘গুড বুক’-এ ড. ইউনূস! নেপথ্যে জঘন্য অপরাধী চক্র
বিশ্বখ্যাত অ্যানিমেশন সিরিজ ‘দ্য সিম্পসন্স’-এ নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের উপস্থিতি এতদিন বাংলাদেশিদের জন্য গর্বের বলে বিবেচিত হলেও, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া গোপন নথিতে বেরিয়ে এসেছে এর পেছনের ভয়ঙ্কর এক অন্ধকার জগত। অনুসন্ধানে দেখা যাচ্ছে, ড. ইউনূসের এই ‘গ্লোবাল ইমেজ’ তৈরির কারিগররা মূলত কুখ্যাত যৌন অপরাধী ও শিশু পাচারকারী ‘এপস্টাইন চক্রের’ সদস্য। অভিযোগ উঠেছে, খ্যাতির মোহ এবং পশ্চিমা লবিং মেইনটেইন করতে গিয়ে ড. ইউনূস জড়িয়ে পড়েছিলেন নৈতিক স্খলনের এক ভয়াবহ জালে।
‘দ্য সিম্পসন্স’ কানেকশন ও গোপন ইমেইল
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ইমেইল বোমা ফাটিয়েছে। এতে দেখা যায়, ‘অ্যাল সেকেল’ এবং ‘ইসাবেল’ নামের দুই ব্যক্তি নিজেদের ড. ইউনূসের আন্তর্জাতিক প্রচারণার মূল হোতা হিসেবে
দাবি করছেন। ইমেইলে তারা দম্ভভরে উল্লেখ করেছেন যে, ড. ইউনূসকে ‘দ্য সিম্পসন্স’-এর স্রষ্টা ম্যাট গ্রোনিংয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং শো-তে তার চরিত্র অন্তর্ভুক্ত করা—সবই ছিল তাদের পরিকল্পনা। একে তারা নিজেদের ‘গর্বের অর্জন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ এই অর্জন আদতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। কে এই অ্যাল সেকেল ও ইসাবেল? অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই দুই চরিত্রের জঘন্য পরিচয়। অ্যাল সেকেল ছিলেন একজন বিভ্রম বিশেষজ্ঞ, যিনি বিতর্কিত ধনকুবের এবং যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপের কুখ্যাত পার্টিগুলোতে ছিল তার নিয়মিত যাতায়াত। সবচেয়ে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য হলো, ইমেইলে উল্লেখিত ‘ইসাবেল’ হলেন ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল। তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের আপন বোন
এবং জেফরি এপস্টাইনের কুকর্মের অন্যতম সহযোগী। জানা গেছে, এই ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল একসময় ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। প্রশ্ন উঠছে, একজন নোবেলজয়ী ‘শান্তির দূত’ কীভাবে এমন একটি জঘন্য পরিবারের সদস্যকে নিজের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিলেন? নৈতিকতার বিসর্জন ও ‘এপস্টাইন ইকো-সিস্টেম’ বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূস পশ্চিমা মিডিয়াতে নিজের অবস্থান শক্ত করতে এমন এক সিন্ডিকেটের সহায়তা নিয়েছেন, যারা মানবপাচার, শিশু ধর্ষণ এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। ‘দ্য সিম্পসন্স’-এর স্রষ্টা ম্যাট গ্রোনিং নিজেও এপস্টাইনের বিমানে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত। অর্থাৎ, অ্যাল সেকেল, ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল এবং ম্যাট গ্রোনিং—সবাই একই ‘এপস্টাইন ইকো-সিস্টেম’-এর অংশ। সমালোচকদের মতে, নিজের ইমেজ ধরে রাখতে ড. ইউনূস জেনে-বুঝে অথবা অন্ধের মতো এমন সব
মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, যারা পর্দার আড়ালে জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত। ব্ল্যাকমেইলিং ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা এপস্টাইন ফাইলের গোপন নথিতে ড. ইউনূসের নাম থাকা নিয়ে যে গুঞ্জন রয়েছে, এই ইমেইল ফাঁসের ঘটনা তা আরও জোরালো করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এপস্টাইন নেটওয়ার্কের কাজই ছিল বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের বিকৃত বিনোদনের যোগান দেওয়া এবং পরবর্তীতে তা রেকর্ড করে তাদের ব্ল্যাকমেইল করা। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের হাতে জিম্মি হয়েই বিশ্বের বহু নেতা, সেলেব্রিটি এবং বুদ্ধিজীবী পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধ্য হন। ড. ইউনূসও কি তবে এই ‘হানি ট্র্যাপ’ বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার, নাকি স্বেচ্ছায় এই সখ্যতা গড়েছিলেন—তা এখন বড় প্রশ্ন। শান্তির নোবেল এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই
বিতর্কিত যোগাযোগ ড. ইউনূসের অর্জনের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই এখন বড় এক প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে। লবিংয়ের নামে জঘন্য অপরাধীদের সাথে এই সখ্যতা প্রমাণ করে, খ্যাতির চূড়ায় উঠতে গিয়ে নৈতিকতাকে কীভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।
দাবি করছেন। ইমেইলে তারা দম্ভভরে উল্লেখ করেছেন যে, ড. ইউনূসকে ‘দ্য সিম্পসন্স’-এর স্রষ্টা ম্যাট গ্রোনিংয়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া এবং শো-তে তার চরিত্র অন্তর্ভুক্ত করা—সবই ছিল তাদের পরিকল্পনা। একে তারা নিজেদের ‘গর্বের অর্জন’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ এই অর্জন আদতে এক কলঙ্কজনক অধ্যায়। কে এই অ্যাল সেকেল ও ইসাবেল? অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই দুই চরিত্রের জঘন্য পরিচয়। অ্যাল সেকেল ছিলেন একজন বিভ্রম বিশেষজ্ঞ, যিনি বিতর্কিত ধনকুবের এবং যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টাইনের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এপস্টাইনের ব্যক্তিগত দ্বীপের কুখ্যাত পার্টিগুলোতে ছিল তার নিয়মিত যাতায়াত। সবচেয়ে আঁতকে ওঠার মতো তথ্য হলো, ইমেইলে উল্লেখিত ‘ইসাবেল’ হলেন ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল। তিনি কারাদণ্ডপ্রাপ্ত যৌন অপরাধী গিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের আপন বোন
এবং জেফরি এপস্টাইনের কুকর্মের অন্যতম সহযোগী। জানা গেছে, এই ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল একসময় ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠানের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন। প্রশ্ন উঠছে, একজন নোবেলজয়ী ‘শান্তির দূত’ কীভাবে এমন একটি জঘন্য পরিবারের সদস্যকে নিজের উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিলেন? নৈতিকতার বিসর্জন ও ‘এপস্টাইন ইকো-সিস্টেম’ বিশ্লেষকদের মতে, ড. ইউনূস পশ্চিমা মিডিয়াতে নিজের অবস্থান শক্ত করতে এমন এক সিন্ডিকেটের সহায়তা নিয়েছেন, যারা মানবপাচার, শিশু ধর্ষণ এবং ব্ল্যাকমেইলিংয়ের সঙ্গে যুক্ত। ‘দ্য সিম্পসন্স’-এর স্রষ্টা ম্যাট গ্রোনিং নিজেও এপস্টাইনের বিমানে ভ্রমণের দায়ে অভিযুক্ত। অর্থাৎ, অ্যাল সেকেল, ইসাবেল ম্যাক্সওয়েল এবং ম্যাট গ্রোনিং—সবাই একই ‘এপস্টাইন ইকো-সিস্টেম’-এর অংশ। সমালোচকদের মতে, নিজের ইমেজ ধরে রাখতে ড. ইউনূস জেনে-বুঝে অথবা অন্ধের মতো এমন সব
মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, যারা পর্দার আড়ালে জঘন্যতম অপরাধে লিপ্ত। ব্ল্যাকমেইলিং ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শঙ্কা এপস্টাইন ফাইলের গোপন নথিতে ড. ইউনূসের নাম থাকা নিয়ে যে গুঞ্জন রয়েছে, এই ইমেইল ফাঁসের ঘটনা তা আরও জোরালো করেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ বিশ্লেষকদের মতে, এপস্টাইন নেটওয়ার্কের কাজই ছিল বিশ্বের প্রভাবশালী নেতাদের বিকৃত বিনোদনের যোগান দেওয়া এবং পরবর্তীতে তা রেকর্ড করে তাদের ব্ল্যাকমেইল করা। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের হাতে জিম্মি হয়েই বিশ্বের বহু নেতা, সেলেব্রিটি এবং বুদ্ধিজীবী পশ্চিমা এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাধ্য হন। ড. ইউনূসও কি তবে এই ‘হানি ট্র্যাপ’ বা ব্ল্যাকমেইলিংয়ের শিকার, নাকি স্বেচ্ছায় এই সখ্যতা গড়েছিলেন—তা এখন বড় প্রশ্ন। শান্তির নোবেল এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতির আড়ালে লুকিয়ে থাকা এই
বিতর্কিত যোগাযোগ ড. ইউনূসের অর্জনের বিশ্বাসযোগ্যতাকেই এখন বড় এক প্রশ্নবিদ্ধ পরিস্থিতির মুখে দাঁড় করিয়েছে। লবিংয়ের নামে জঘন্য অপরাধীদের সাথে এই সখ্যতা প্রমাণ করে, খ্যাতির চূড়ায় উঠতে গিয়ে নৈতিকতাকে কীভাবে বিসর্জন দেওয়া হয়েছে।



