ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়
এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের
রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
চট্টগ্রাম বন্দর কার জন্য? এনসিটি ইস্যুতে জনগণের স্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত ও রাষ্ট্রীয় দায়
ভোটের অধিকার যদি থাকবেই, তবে পছন্দমতো দিতে পারি না কেন?
বিনা চিকিৎসায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে আ.লীগ নেতা আব্দুর রহমান মিয়া’র মৃত্যু
চট্টগ্রামে ২৬ দিনে ১২ খুন : ইউনূসের ‘সংস্কার সরকার’ কি দেশকে জঙ্গলরাজে পরিণত করছে?
চট্টগ্রামে জানুয়ারির শুরু থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত ১২টি খুনের ঘটনা ঘটেছে। প্রতি দুই দিনে একটি করে খুন। এই সংখ্যাটা শুনে হয়তো মনে হবে আরেকটা সাধারণ অপরাধ পরিসংখ্যান, কিন্তু ঘটনাগুলোর ধরন দেখলে বোঝা যায় দেশে আসলে কী চলছে। প্রকাশ্য রাস্তায় মানুষকে পিটিয়ে মারা হচ্ছে, গুলি করে হত্যা করা হচ্ছে, লাশকে ছয় টুকরো করে ফেলা হচ্ছে। আর সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যাপার হলো, র্যাবের একজন কর্মকর্তাকে খুন করার পরেও প্রধান আসামি ধরা পড়ছে না, উল্টো সে ফেসবুকে বসে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হুমকি দিচ্ছে।
মোহাম্মদ ইয়াসিন নামের এই সন্ত্রাসী ২২ জানুয়ারি ফেসবুকে প্রকাশ্যে বলে দিয়েছে যে তাকে ধরতে গেলে 'বড় ধরনের পাবলিক বিস্ফোরণ ঘটবে'। একজন খুনি প্রকাশ্যে
সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দিচ্ছে, আর রাষ্ট্রযন্ত্র তাকে ধরতে পারছে না। এটা কোন ধরনের রাষ্ট্র? যে সরকার জুলাইয়ে ক্ষমতায় এসে দাবি করেছিল দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে, সেই সরকারের আমলে একজন খুনি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসীদের স্বাধীন রাজ্য। সরকারি পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ বসতি, চলছে প্লট বাণিজ্য, আর সেই বাণিজ্য রক্ষা করতে তৈরি হয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। এসব কিছুই চলছে অন্তর্বর্তী সরকারের নাকের ডগায়। পুলিশ বলছে, 'আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই'। কিন্তু জনগণের প্রশ্ন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই মানে কী? র্যাবের একজন কর্মকর্তাকে যখন পিটিয়ে মারা যায়, চার র্যাব সদস্যকে অপহরণ করা
যায়, তখনও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই? বায়েজিদ বোস্তামীতে অটোরিকশাচালক খোরশেদ আলমকে প্রকাশ্য রাস্তায় পিটিয়ে খুন করা হলো, কারণ মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এমন তুচ্ছ কারণে একজন মানুষকে রাস্তায় পিটিয়ে মারা যায়, এটাই প্রমাণ করে সমাজে কতটা নৈরাজ্য বিরাজ করছে। আর অক্সিজেন এলাকায় আনিসকে বাসায় ডেকে মাথায় আঘাত করে খুন করার পর লাশ ছয় টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়া হলো। দুই লাখ টাকার জন্য এভাবে একজন মানুষকে কুপিকুপি করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো কি স্বাভাবিক কোনো সমাজের চিত্র? ড. ইউনূস ক্ষমতায় এসেছিলেন সংস্কারের নামে। কিন্তু এই সংস্কারের নামে আসলে কী হচ্ছে? দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে সাধারণ মানুষ রাস্তায়
বের হতে ভয় পাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের গাড়ি থামিয়ে ৩৫০ ভরি সোনা ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে। এটা কি সংস্কার? নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভাঙন? যে সরকার এসেছিল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সেই সরকারের আমলে জনগণ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বোধ করছে। নিহত র্যাব কর্মকর্তার স্ত্রী শামসুন্নাহার যে প্রশ্ন করেছেন, সেটাই আসল প্রশ্ন। একজন খুনি যখন প্রকাশ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হুমকি দিতে পারে, তখন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? যে সরকার র্যাবের একজন কর্মকর্তার হত্যাকারীকেই ধরতে পারছে না, সেই সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে দেবে? সুজন চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী যথার্থই বলেছেন, পুলিশ প্রধান আসামিদের ধরতে পারছে না বলে জনমনে আতঙ্ক বাড়ছে এবং সন্ত্রাসীরা আরও
বেপরোয়া হয়ে উঠছে। যে সরকার দাবি করছে দেশে শান্তির সুবাতাস বইছে, সেই দেশে একটি জেলায় ২৬ দিনে ১২টি খুন হলো। এই পরিসংখ্যান কি শান্তির লক্ষণ? নাকি এটা প্রমাণ করে যে দেশে আসলে কোনো আইন-কানুন নেই, কোনো শৃঙ্খলা নেই? ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে অপরাধের মাত্রা বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়েছে, সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আর এসবের দায় কার? যে সরকার দেশ চালাচ্ছে, তাদের। জনগণ এখন তুলনা করছে। আগের সরকারের সময় এমন পরিস্থিতি ছিল না। তখন অপরাধীরা এভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারত না। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই। সংস্কারের নামে দেশকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে অরাজকতার দিকে।
মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই, খুন হয়ে যাচ্ছে শুধু একটা সংখ্যা। ইউনূস সরকার যদি এখনই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনে, তাহলে দেশ আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সরকারের কি সেই সক্ষমতা আছে? নাকি তারা শুধু সংস্কারের নামে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে, আর দেশ যাক যেখানে যায়?
সোশ্যাল মিডিয়ায় হুমকি দিচ্ছে, আর রাষ্ট্রযন্ত্র তাকে ধরতে পারছে না। এটা কোন ধরনের রাষ্ট্র? যে সরকার জুলাইয়ে ক্ষমতায় এসে দাবি করেছিল দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করবে, সেই সরকারের আমলে একজন খুনি প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছে। সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর এলাকা হয়ে উঠেছে সন্ত্রাসীদের স্বাধীন রাজ্য। সরকারি পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হয়েছে হাজার হাজার অবৈধ বসতি, চলছে প্লট বাণিজ্য, আর সেই বাণিজ্য রক্ষা করতে তৈরি হয়েছে সশস্ত্র সন্ত্রাসী বাহিনী। এসব কিছুই চলছে অন্তর্বর্তী সরকারের নাকের ডগায়। পুলিশ বলছে, 'আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই'। কিন্তু জনগণের প্রশ্ন, আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই মানে কী? র্যাবের একজন কর্মকর্তাকে যখন পিটিয়ে মারা যায়, চার র্যাব সদস্যকে অপহরণ করা
যায়, তখনও আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই? বায়েজিদ বোস্তামীতে অটোরিকশাচালক খোরশেদ আলমকে প্রকাশ্য রাস্তায় পিটিয়ে খুন করা হলো, কারণ মুখের দুর্গন্ধ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছিল। এমন তুচ্ছ কারণে একজন মানুষকে রাস্তায় পিটিয়ে মারা যায়, এটাই প্রমাণ করে সমাজে কতটা নৈরাজ্য বিরাজ করছে। আর অক্সিজেন এলাকায় আনিসকে বাসায় ডেকে মাথায় আঘাত করে খুন করার পর লাশ ছয় টুকরো করে খালে ফেলে দেওয়া হলো। দুই লাখ টাকার জন্য এভাবে একজন মানুষকে কুপিকুপি করা হচ্ছে। এই ঘটনাগুলো কি স্বাভাবিক কোনো সমাজের চিত্র? ড. ইউনূস ক্ষমতায় এসেছিলেন সংস্কারের নামে। কিন্তু এই সংস্কারের নামে আসলে কী হচ্ছে? দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে যে সাধারণ মানুষ রাস্তায়
বের হতে ভয় পাচ্ছে। ব্যবসায়ীদের গাড়ি থামিয়ে ৩৫০ ভরি সোনা ছিনতাই হয়ে যাচ্ছে প্রকাশ্যে। এটা কি সংস্কার? নাকি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার সম্পূর্ণ ভাঙন? যে সরকার এসেছিল জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, সেই সরকারের আমলে জনগণ সবচেয়ে বেশি অনিরাপদ বোধ করছে। নিহত র্যাব কর্মকর্তার স্ত্রী শামসুন্নাহার যে প্রশ্ন করেছেন, সেটাই আসল প্রশ্ন। একজন খুনি যখন প্রকাশ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে হুমকি দিতে পারে, তখন সাধারণ মানুষের জীবনের নিরাপত্তা কোথায়? যে সরকার র্যাবের একজন কর্মকর্তার হত্যাকারীকেই ধরতে পারছে না, সেই সরকার সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কীভাবে দেবে? সুজন চট্টগ্রামের সম্পাদক আখতার কবির চৌধুরী যথার্থই বলেছেন, পুলিশ প্রধান আসামিদের ধরতে পারছে না বলে জনমনে আতঙ্ক বাড়ছে এবং সন্ত্রাসীরা আরও
বেপরোয়া হয়ে উঠছে। যে সরকার দাবি করছে দেশে শান্তির সুবাতাস বইছে, সেই দেশে একটি জেলায় ২৬ দিনে ১২টি খুন হলো। এই পরিসংখ্যান কি শান্তির লক্ষণ? নাকি এটা প্রমাণ করে যে দেশে আসলে কোনো আইন-কানুন নেই, কোনো শৃঙ্খলা নেই? ইউনূস সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশে অপরাধের মাত্রা বেড়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্বল হয়ে পড়েছে, সন্ত্রাসীরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে। আর এসবের দায় কার? যে সরকার দেশ চালাচ্ছে, তাদের। জনগণ এখন তুলনা করছে। আগের সরকারের সময় এমন পরিস্থিতি ছিল না। তখন অপরাধীরা এভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারত না। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে রাষ্ট্রের কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই। সংস্কারের নামে দেশকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে অরাজকতার দিকে।
মানুষের জীবনের কোনো মূল্য নেই, খুন হয়ে যাচ্ছে শুধু একটা সংখ্যা। ইউনূস সরকার যদি এখনই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আনে, তাহলে দেশ আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে যাবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, এই সরকারের কি সেই সক্ষমতা আছে? নাকি তারা শুধু সংস্কারের নামে ক্ষমতায় টিকে থাকার চেষ্টা করছে, আর দেশ যাক যেখানে যায়?



