ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধস: মৃত্যু বেড়ে ৮
সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল যাচ্ছে কাঁচপুরে
অর্থপাচার মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছর কারাদণ্ড, ৬৪ কোটি টাকা জরিমানা
‘নাই বাওয়া, হামার কিচ্ছু নাই, ঘর-বাড়ি সব হারাচি’
‘খালেদা জিয়া ১ টাকা রেখে পুরো বেতন এতিমখানায় দান করে দিতেন’, জানালেন প্রেস সচিব
আগস্টেই রূপপুরের পারমাণবিক বিদ্যুৎ যুক্ত হবে জাতীয় গ্রিডে, জানালেন মন্ত্রী
শিক্ষামন্ত্রী: দায়িত্বে পেয়েও পরিকল্পনার অনেক কিছুই বাস্তবায়ন করতে পারেননি আসিফ নজরুল
ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী
ইসলামের নির্দেশনা অনুযায়ী নারীদের শীর্ষ নেতৃত্বে যাওয়ার সুযোগ নেই বলে দাবি করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির মতে, কোরআনের নির্দেশ অনুসরণ করেই তারা এই অবস্থান নিয়েছে।
রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামী মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি নূরুন্নিসা সিদ্দিকা এ মন্তব্য করেন।
শীর্ষ পদে নারী আমির হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামী আদর্শভিত্তিক সংগঠন এবং ইসলাম মেনে চলাই তাদের জন্য স্বাভাবিক। তাঁর ভাষায়, পবিত্র কোরআনে পুরুষকে নারীদের ‘পরিচালক’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা ইসলামের একটি নির্দেশ এবং ফরজ। সে অনুযায়ী কোনো ইসলামী সংগঠনে নারীরা শীর্ষ নেতৃত্বে আসতে পারেন না।
তিনি বলেন, এই নীতিকে মেনেই তারা
ঈমান এনেছেন এবং সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, এটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত। তবে শীর্ষ পদে নারী থাকা জামায়াতের কাছে মুখ্য বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, নারীদের অধিকার আদায় হচ্ছে কি না, নারীরা সম্মান ও নিরাপত্তা পাচ্ছেন কি না—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুইজন নারী দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাতে নারীদের সমস্যার সমাধান হয়েছে কি না, নারীদের প্রতি সহিংসতা কমেছে কি না কিংবা নারীদের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে কি না—সে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন,
শুধু শীর্ষ পদে নারী থাকলেই নারীর অবস্থার পরিবর্তন হয়—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। নারী বা পুরুষ—যেই নেতৃত্বে থাকুক, তিনি যদি মানবিক হন এবং নারী-পুরুষ সবার মর্যাদা নিশ্চিত করেন, তবেই সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আসতে পারে। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর নারী উইংয়ের প্রধান হাবিবা চৌধুরী বলেন, দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশ নারী হলেও দীর্ঘ সময় ধরে তারা কার্যকরভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন নারীদের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ হলেও একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে’ নারীদের ভয় দেখিয়ে ভোট থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে। হাবিবা চৌধুরী জানান, বিভিন্ন জেলায় জামায়াত সংশ্লিষ্ট নারী কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ১৫টি ঘটনার তথ্য তারা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াতের নারী নেত্রীরা দাবি করেন, তাদের সংগঠন নারীদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনের উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটিতে ৪০ শতাংশের বেশি নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে এবং নারী নেতৃত্ব তৈরিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হয়নি। সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা শান্তিপূর্ণ
নির্বাচনের পথে বড় বাধা বলে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। এ সময় বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জামায়াত নেত্রীরা বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কিছু ‘অযৌক্তিক অভিযোগ’ তোলা হচ্ছে।
ঈমান এনেছেন এবং সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের পক্ষ থেকে কোনো নারী প্রার্থী না দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন, এটি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত। তবে শীর্ষ পদে নারী থাকা জামায়াতের কাছে মুখ্য বিষয় নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর মতে, নারীদের অধিকার আদায় হচ্ছে কি না, নারীরা সম্মান ও নিরাপত্তা পাচ্ছেন কি না—সেটিই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, গত ৫৪ বছরে বাংলাদেশে দুইজন নারী দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। কিন্তু তাতে নারীদের সমস্যার সমাধান হয়েছে কি না, নারীদের প্রতি সহিংসতা কমেছে কি না কিংবা নারীদের অধিকার নিশ্চিত হয়েছে কি না—সে প্রশ্ন এখনো রয়ে গেছে। নূরুন্নিসা সিদ্দিকা বলেন,
শুধু শীর্ষ পদে নারী থাকলেই নারীর অবস্থার পরিবর্তন হয়—এমন ধারণা বাস্তবসম্মত নয়। নারী বা পুরুষ—যেই নেতৃত্বে থাকুক, তিনি যদি মানবিক হন এবং নারী-পুরুষ সবার মর্যাদা নিশ্চিত করেন, তবেই সমাজে প্রকৃত পরিবর্তন আসতে পারে। এর আগে জামায়াতে ইসলামীর একটি প্রতিনিধিদল সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠকে বসে। বৈঠকে সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়েরের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বৈঠক শেষে জামায়াতে ইসলামীর নারী উইংয়ের প্রধান হাবিবা চৌধুরী বলেন, দেশের মোট ভোটারের প্রায় ৫০ শতাংশ নারী হলেও দীর্ঘ সময় ধরে তারা কার্যকরভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেননি। তিনি অভিযোগ করেন, আসন্ন নির্বাচন নারীদের জন্য
গুরুত্বপূর্ণ হলেও একটি ‘গভীর ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে’ নারীদের ভয় দেখিয়ে ভোট থেকে দূরে রাখার চেষ্টা চলছে। হাবিবা চৌধুরী জানান, বিভিন্ন জেলায় জামায়াত সংশ্লিষ্ট নারী কর্মীদের ওপর হামলার অন্তত ১৫টি ঘটনার তথ্য তারা নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছেন। এসব ঘটনার পেছনে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা কাজ করছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। জামায়াতের নারী নেত্রীরা দাবি করেন, তাদের সংগঠন নারীদের সম্মান ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় কাজ করছে। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংগঠনের উপদেষ্টা ও নির্বাহী কমিটিতে ৪০ শতাংশের বেশি নারী প্রতিনিধিত্ব রয়েছে এবং নারী নেতৃত্ব তৈরিতে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। নির্বাচনের পরিবেশ প্রসঙ্গে তারা অভিযোগ করেন, মাঠ পর্যায়ে এখনো ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত হয়নি। সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ড ও সহিংসতার ঘটনা শান্তিপূর্ণ
নির্বাচনের পথে বড় বাধা বলে উল্লেখ করে নির্বাচন কমিশনের প্রতি নিরপেক্ষ ও বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তারা। এ সময় বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দলের অভিযোগ সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলে জামায়াত নেত্রীরা বলেন, নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে কিছু ‘অযৌক্তিক অভিযোগ’ তোলা হচ্ছে।



