ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাতানো নির্বাচনে জামায়াতকে ক্ষমতায় বসানোর নীল নকশা কি চূড়ান্ত?
ইসলামে নারীদের শীর্ষ পদে যাওয়ার সুযোগ নেইঃ জামায়াত এর নারী বিভাগের শীর্ষ নেত্রী
গণভোট—জনগণের কণ্ঠ, নাকি আগে থেকেই লেখা উত্তরের উপর সিলমোহর? যখন এক প্রশ্নে বহু সিদ্ধান্ত গুঁজে দেওয়া হয়,
কর্মজীবী নারীকে ‘পতিতা’র সঙ্গে তুলনা: জামায়াত আমিরের নিঃশর্ত ক্ষমা দাবি প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজের
মুম্বাই হামলার কারিগররা এখন ঢাকায় ঢালাও ভিসা সুবিধায় পাকিস্তান থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে ঢুকছে জঙ্গি, নীরব প্রশাসন!
ঘুষের বিনিময়ে দেশ বিক্রির রাজনীতির নামই ছিল বিএনপি–জামায়াত
জুলাই–আগস্টে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের বিষয়ে সুশীল সমাজ চুপ কেন?
শেখ হাসিনার সময় বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছিলো, এখন নেপালও অবজ্ঞা করে: অধ্যাপক ইমতিয়াজ
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হচ্ছে। এটা কোনোভাবেই দেশের জন্য মঙ্গলজনক নয়। নেপালেও বাংলাদেশের মতোই ছাত্র-আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ইমতিয়াজ আহমেদ।
তিনি বলেন, নেপালে যিনি অন্তর্বর্তী সরকারপ্রধানের দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন সম্প্রতি তিনি বলেছেন, আমরা নেপালকে কখনোই বাংলাদেশের মতো হতে দেব না। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নেপালের মতো দেশও বাংলাদেশকে অবজ্ঞা করে কথা বলছে, এটা চিন্তা করলেও কষ্ট লাগে।
দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লেখা এক বিশেষ নিবন্ধে ইমতিয়াজ আহমেদ এসব কথা বলেন। তার লেখাটি আজ রোববার (১লা ফেব্রুয়ারি) যুগান্তরে প্রকাশিত হয়েছে ‘চ্যালেঞ্জ
মোকাবিলার ওপর নির্ভর করবে নতুন সরকারের সাফল্য’ শিরোনামে। যুগান্তরের ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধটির লিংক ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নানা শ্রেণি-পেশার নেটিজেনদের মধ্যে তার বক্তব্য নিয়ে নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তিনি বলেন, কারণ বাংলাদেশ সব সূচকেই নেপালের চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে ‘মবোক্রেসি’ সামাল দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হলে দেশটিকে নানাভাবে সমস্যায় পড়তে হয়। অস্থিতিশীল কোনো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসে না। তিনি বলেন, কারণ একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী কোনো দেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের
অভ্যন্তরীণ সুশাসনের বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তারা যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অন্য দেশে চলে যান। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হচ্ছেন, ‘শীতের অতিথি পাখির মতো।’ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, শীতের অতিথি পাখি যেমন কোনো জলাশয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার এবং জীবনের নিরাপত্তা না পেলে আশ্রয় গ্রহণ করে না, বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তেমনি কোনো দেশে পর্যাপ্ত মুনাফা এবং জীবনের নিশ্চয়তা না পেলে বিনিয়োগ করেন না। অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য দেশের বাস্তব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। ইমতিয়াজ আহমেদ নিবন্ধে বলেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক
২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। আগামীতে বাংলাদেশকে কঠিন ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আর আগের মতো শক্তিশালী অবস্থানে নেই। তিনি বলেন, তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পরিবর্তন আনছে। দেশটি বিভিন্ন স্থানে সংঘাতে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির একটি বড় অংশ আসে অস্ত্র বিক্রি থেকে। তাই তারা চাইবে কীভাবে অস্ত্র বিক্রি আগামীতে আরও বাড়ানো যায়। তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, দেশের নতুন সরকারকে তা নিয়ে ভাবতে হবে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আগামীতে পেশাদারত্বের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
মোকাবিলার ওপর নির্ভর করবে নতুন সরকারের সাফল্য’ শিরোনামে। যুগান্তরের ওয়েবসাইট থেকে নিবন্ধটির লিংক ফেসবুকসহ অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। নানা শ্রেণি-পেশার নেটিজেনদের মধ্যে তার বক্তব্য নিয়ে নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা ও পর্যালোচনা চলছে। তিনি বলেন, কারণ বাংলাদেশ সব সূচকেই নেপালের চেয়ে ভালো অবস্থানে ছিল। এ মুহূর্তে সবচেয়ে জরুরি হচ্ছে ‘মবোক্রেসি’ সামাল দেওয়া। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হচ্ছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে কোনো দেশের ইমেজ ক্ষুণ্ন হলে দেশটিকে নানাভাবে সমস্যায় পড়তে হয়। অস্থিতিশীল কোনো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় আসে না। তিনি বলেন, কারণ একজন বিদেশি বিনিয়োগকারী কোনো দেশে বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণের আগে সংশ্লিষ্ট দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, বিনিয়োগ পরিবেশ এবং সেবামূলক প্রতিষ্ঠানের
অভ্যন্তরীণ সুশাসনের বিষয়গুলো ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে। তারা যদি সন্তুষ্ট না হন, তাহলে বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে অন্য দেশে চলে যান। বিদেশি বিনিয়োগকারীরা হচ্ছেন, ‘শীতের অতিথি পাখির মতো।’ ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন, শীতের অতিথি পাখি যেমন কোনো জলাশয়ে পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার এবং জীবনের নিরাপত্তা না পেলে আশ্রয় গ্রহণ করে না, বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও তেমনি কোনো দেশে পর্যাপ্ত মুনাফা এবং জীবনের নিশ্চয়তা না পেলে বিনিয়োগ করেন না। অর্থনীতির চাকা সচল রাখার জন্য দেশের বাস্তব আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিকীকরণের কোনো বিকল্প নেই। ইমতিয়াজ আহমেদ নিবন্ধে বলেন, চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর বিদেশি বিনিয়োগ হ্রাস পেয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে পণ্য রপ্তানি আয় আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ দশমিক
২৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। এটা কোনোভাবেই আমাদের জন্য ভালো লক্ষণ নয়। আগামীতে বাংলাদেশকে কঠিন ভূ-রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হতে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি আর আগের মতো শক্তিশালী অবস্থানে নেই। তিনি বলেন, তারা নিজেদের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলার জন্য আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে পরিবর্তন আনছে। দেশটি বিভিন্ন স্থানে সংঘাতে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিডিপির একটি বড় অংশ আসে অস্ত্র বিক্রি থেকে। তাই তারা চাইবে কীভাবে অস্ত্র বিক্রি আগামীতে আরও বাড়ানো যায়। তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল ভূ-রাজনীতি কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, দেশের নতুন সরকারকে তা নিয়ে ভাবতে হবে। আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে আগামীতে পেশাদারত্বের ওপর বিশেষ জোর দিতে হবে। বিচক্ষণতার সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।



