গোয়াইনঘাটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, গ্রেপ্তার নেই প্রকৃত চোরাকারবারি আড়াল করার অভিযোগ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫

গোয়াইনঘাটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, গ্রেপ্তার নেই প্রকৃত চোরাকারবারি আড়াল করার অভিযোগ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫ |
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে র‌্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। র‌্যাব জানায়, উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি একনলা বন্দুক, ইন্ডিয়ান পাওয়ার জেল, নন-ইলেকট্রিক ডেটোনেটর এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গান পাউডার। বাহিনীর পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এসব বিস্ফোরক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারত। তবে অভিযানের পর কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলোকে ‘পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে’ বলে জানানো হলেও, এগুলো কীভাবে একটি জনবহুল বাজার এলাকার টাওয়ারের নিচে এলো, কারা সেখানে রেখে গেল এবং কী উদ্দেশ্যে এসব আনা হয়েছিল—সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে

নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়াইনঘাট ও আশপাশের সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি সংঘবদ্ধ অস্ত্র চোরাচালান নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা যুবদলের এক প্রভাবশালী নেতা আবুল কাশেমের নাম এই চক্রের সঙ্গে আলোচনায় আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সীমান্ত ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র সরবরাহের একটি ব্যবস্থার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযানের পর র‌্যাবের পক্ষ থেকেও কোনো গ্রেপ্তার বা দৃশ্যমান আইনগত অগ্রগতির কথা জানানো হয়নি। ফলে প্রকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করা হচ্ছে কি

না—এমন প্রশ্ন উঠছে জনমনে। গোয়াইনঘাট উপজেলা দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র ও চোরাচালান ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর সাধারণত ব্যক্তিগত অপরাধে নয়, বরং সংগঠিত নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হয়। সে ক্ষেত্রে বিষয়টি কোনো একক ব্যক্তির নয়; বরং একটি সংগঠিত চক্র ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। স্থানীয় সচেতন মহলের বক্তব্য, কেবল অস্ত্র উদ্ধার করলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। অপরাধের পেছনের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যদি প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে কেউ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। এ বিষয়ে

স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গোয়াইনঘাটের এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হবে। অভিযোগে যাদের নাম আসছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নইলে এই অস্ত্র উদ্ধার অভিযান নিরাপত্তা জোরদারের উদাহরণ হিসেবে নয়, বরং বিতর্ক ও সন্দেহের ঘটনাই হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানে হাসপাতালের ৫ তলা থেকে ফেলে তরুণীকে হত্যা, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার চট্টগ্রামে মাদ্রাসার শিক্ষক-পরিচালক মিলে ছাত্রদের দিনের পর দিন ধর্ষণ: ‘হাদিয়া’ দিয়ে খবর ধামাচাপার চেষ্টা সাড়ে চার মাসে ধর্ষণের শিকার ১১৮ শিশু এই ঈদেও নিশ্চয়ই কাঁদবে সাংবাদিকের সন্তানেরা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলে ছাত্রদলের ত্রাসের রাজত্ব সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে গণতন্ত্র উদ্ধারে দেশে ফিরতে চান শেখ হাসিনা তথাকথিত ফ্যাসিজম দমনে নাজিবাদ এর উত্থান! বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জঙ্গিবাদের প্রধান রুট হয়ে উঠেছে: দ্য অস্ট্রেলিয়ান টুডে শুধু বাংলাদেশ নয়, সমগ্র পাকিস্তানের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠাতেও ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল আওয়ামী লীগের ২৯ কার্যদিবসে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, যুবকের মৃত্যুদণ্ড শ্যালিকাকে ধর্ষণ ও ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আমতলীতে কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে একজন আটক প্রতিবন্ধী শিশুকে ধর্ষণ, ইমামকে আটক করে পুলিশে দিল জনতা সরাইলে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ খাবার কিনতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার শিশু কালশি বস্তিতে ভয়াবহ আগুন, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিট বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের জন্য মেট্রোরেলে ২৫% ছাড় কাবার ভেতরটা কেমন আর কী দিয়ে ঢাকা এর চারপাশ? জানুন অজানা কাহিনী হাম ও উপসর্গে আরও ১৭ জনের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ার ভিসা মঞ্জুরির আসল চিঠি যাচাই করবেন যেভাবে