ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দেশে ভূমিকম্প অনুভূত
এখন আমাদের গ্যাস নাই, না খাইয়া কি মানুষ বাঁচে?” – জনতার দুর্ভোগ
চট্টগ্রামে ২৬ দিনে ১২ খুন : ইউনূসের ‘সংস্কার সরকার’ কি দেশকে জঙ্গলরাজে পরিণত করছে?
জামিন পাওয়ার পরও যদি জেলগেট থেকেই আবার ভুয়া মামলা দিয়ে গ্রেফতার করা হয়
এক সপ্তাহে ৮ বার অগ্নিসংযোগ: মিরসরাইয়ে ‘টার্গেট’ হিন্দু পরিবার, আতঙ্কে নির্ঘুম রাত কাটছে জাফরাবাদের
রাজধানীতে ভুয়া ডিবি পরিচয়ে যুবলীগ নেতাকে তুলে নিয়ে রাতভর পৈশাচিক নির্যাতন: ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণের অভিযোগ
বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা, ২০২৫ সালে উর্ধ্বমুখী সংকট,
গোয়াইনঘাটে অস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধার, গ্রেপ্তার নেই প্রকৃত চোরাকারবারি আড়াল করার অভিযোগ
সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা গোয়াইনঘাটে র্যাবের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। র্যাব জানায়, উদ্ধার করা আলামতের মধ্যে রয়েছে একটি একনলা বন্দুক, ইন্ডিয়ান পাওয়ার জেল, নন-ইলেকট্রিক ডেটোনেটর এবং উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গান পাউডার। বাহিনীর পক্ষ থেকে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে, এসব বিস্ফোরক নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহৃত হতে পারত।
তবে অভিযানের পর কয়েক দিন পেরিয়ে গেলেও এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও বিস্ফোরকগুলোকে ‘পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে’ বলে জানানো হলেও, এগুলো কীভাবে একটি জনবহুল বাজার এলাকার টাওয়ারের নিচে এলো, কারা সেখানে রেখে গেল এবং কী উদ্দেশ্যে এসব আনা হয়েছিল—সে বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে
নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়াইনঘাট ও আশপাশের সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি সংঘবদ্ধ অস্ত্র চোরাচালান নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা যুবদলের এক প্রভাবশালী নেতা আবুল কাশেমের নাম এই চক্রের সঙ্গে আলোচনায় আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সীমান্ত ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র সরবরাহের একটি ব্যবস্থার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযানের পর র্যাবের পক্ষ থেকেও কোনো গ্রেপ্তার বা দৃশ্যমান আইনগত অগ্রগতির কথা জানানো হয়নি। ফলে প্রকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করা হচ্ছে কি
না—এমন প্রশ্ন উঠছে জনমনে। গোয়াইনঘাট উপজেলা দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র ও চোরাচালান ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর সাধারণত ব্যক্তিগত অপরাধে নয়, বরং সংগঠিত নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হয়। সে ক্ষেত্রে বিষয়টি কোনো একক ব্যক্তির নয়; বরং একটি সংগঠিত চক্র ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। স্থানীয় সচেতন মহলের বক্তব্য, কেবল অস্ত্র উদ্ধার করলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। অপরাধের পেছনের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যদি প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে কেউ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। এ বিষয়ে
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গোয়াইনঘাটের এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হবে। অভিযোগে যাদের নাম আসছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নইলে এই অস্ত্র উদ্ধার অভিযান নিরাপত্তা জোরদারের উদাহরণ হিসেবে নয়, বরং বিতর্ক ও সন্দেহের ঘটনাই হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা।
নানা প্রশ্ন ও সন্দেহ দানা বাঁধছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও একাধিক সূত্রের দাবি, গোয়াইনঘাট ও আশপাশের সীমান্তবর্তী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই একটি সংঘবদ্ধ অস্ত্র চোরাচালান নেটওয়ার্ক সক্রিয় রয়েছে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সিলেট জেলা যুবদলের এক প্রভাবশালী নেতা আবুল কাশেমের নাম এই চক্রের সঙ্গে আলোচনায় আসে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সীমান্ত ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্র সরবরাহের একটি ব্যবস্থার সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত থাকতে পারেন। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। অভিযানের পর র্যাবের পক্ষ থেকেও কোনো গ্রেপ্তার বা দৃশ্যমান আইনগত অগ্রগতির কথা জানানো হয়নি। ফলে প্রকৃত অস্ত্র ব্যবসায়ীদের ইচ্ছাকৃতভাবে আড়াল করা হচ্ছে কি
না—এমন প্রশ্ন উঠছে জনমনে। গোয়াইনঘাট উপজেলা দীর্ঘদিন ধরেই অস্ত্র ও চোরাচালান ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। সংশ্লিষ্টদের মতে, এ ধরনের বিস্ফোরক ও ডেটোনেটর সাধারণত ব্যক্তিগত অপরাধে নয়, বরং সংগঠিত নাশকতার কাজে ব্যবহৃত হয়। সে ক্ষেত্রে বিষয়টি কোনো একক ব্যক্তির নয়; বরং একটি সংগঠিত চক্র ও সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত থাকার সম্ভাবনাই বেশি। স্থানীয় সচেতন মহলের বক্তব্য, কেবল অস্ত্র উদ্ধার করলেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। অপরাধের পেছনের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও আইনের আওতায় না আনলে এ ধরনের ঘটনা বারবার ঘটতে পারে। অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও যদি প্রভাবশালী পরিচয়ের কারণে কেউ ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়, তাহলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থাও প্রশ্নের মুখে পড়ে। এ বিষয়ে
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, গোয়াইনঘাটের এই ঘটনার নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত হবে। অভিযোগে যাদের নাম আসছে, তাদের জিজ্ঞাসাবাদসহ প্রয়োজনীয় আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। নইলে এই অস্ত্র উদ্ধার অভিযান নিরাপত্তা জোরদারের উদাহরণ হিসেবে নয়, বরং বিতর্ক ও সন্দেহের ঘটনাই হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন তারা।



