ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
দুই বিদেশি নারীকে অপহরণের পর গণধর্ষণে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রীর পরিবারের সদস্যসহ আটক ৪
ট্রাম্পের এক ফোন কলেই বদলে গেল ফিফার নিয়ম, বিতর্কের ঝড়
তেহরানে খামেনির শোক র্যালিতে লাখো মানুষের ঢল
মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় ‘ককাস অব আমেরিকা ইন ন্যাশনাল পার্লামেন্ট অব বাংলাদেশ’
গাজা যুদ্ধে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরাইল
‘দখলদারিত্বের অবসান না হওয়া পর্যন্ত ইসরাইলের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নয়’
আদর্শকে হত্যা করা যায় না, ট্রাম্পের ‘এক আঘাতেই সবাই শেষ’ মন্তব্যের জবাবে ইরান
পাকিস্তানে গ্লু তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণে নিহত ১৬
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে গ্লু (আঠা) তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় অন্তত ১৬ জন নিহত হয়েছেন এবং সাতজন আহত হয়েছেন।
বিস্ফোরণের তীব্রতার কারণে কারখানাটিতে ধসের ঘটনা ঘটে এবং আশেপাশের বেশ কয়েকটি বাড়িতে আগুন ছড়িয়ে পড়লে হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (২১ নভেম্বর) ভোর ৫টার দিকে পাঞ্জাব প্রদেশের ফয়সালাবাদ শহরে এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে।
গ্যাস লিক থেকেই বিস্ফোরণের ঘটনা
ফয়সালাবাদের কমিশনার রাজা জাহাঙ্গীর আনোয়ার স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কারখানাটির রাসায়নিকের গুদামে গ্যাস লিক হওয়ার ফলেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
বিস্ফোরণের তীব্রতা এতই বেশি ছিল যে এটি কেবল কারখানাটিই নয়, আশেপাশের কয়েকটি বাড়ির ছাদও উড়িয়ে দেয়। এর মধ্যে অন্তত তিনটি বাড়িতে দ্রুত
আগুন ছড়িয়ে পড়ে। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন কারখানার কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে ছয়জনই শিশু বলে জানা গেছে, যা এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আরও বাড়িয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সাতজনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বিস্ফোরণস্থলের ধ্বংসস্তূপ থেকে অনেক ভুক্তভোগীকে টেনে বের করতে সক্ষম হন। ম্যানেজার গ্রেপ্তার, মালিক পলাতক এই দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পুলিশ কারখানার ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে, দুর্ঘটনার পরপরই কারখানার মালিক পালিয়ে গেছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। পাকিস্তানে, বিশেষ করে শিল্প এলাকাগুলোতে, কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। এর আগে ২০২৪ সালে ফয়সালাবাদেই একটি টেক্সটাইল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।
আগুন ছড়িয়ে পড়ে। নিহতদের বেশিরভাগই ছিলেন কারখানার কাছাকাছি বসবাসকারী বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে ছয়জনই শিশু বলে জানা গেছে, যা এই দুর্ঘটনার ভয়াবহতা আরও বাড়িয়েছে। আহত অবস্থায় উদ্ধার করা সাতজনকে নিকটবর্তী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে। উদ্ধারকর্মীরা বিস্ফোরণস্থলের ধ্বংসস্তূপ থেকে অনেক ভুক্তভোগীকে টেনে বের করতে সক্ষম হন। ম্যানেজার গ্রেপ্তার, মালিক পলাতক এই দুর্ঘটনার পর কর্তৃপক্ষ দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। পুলিশ কারখানার ম্যানেজারকে গ্রেপ্তার করেছে। তবে, দুর্ঘটনার পরপরই কারখানার মালিক পালিয়ে গেছেন এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। পাকিস্তানে, বিশেষ করে শিল্প এলাকাগুলোতে, কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা প্রায়শই ঘটে থাকে। এর আগে ২০২৪ সালে ফয়সালাবাদেই একটি টেক্সটাইল মিলে বিস্ফোরণের ঘটনায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছিলেন।



