ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
সংরক্ষিত বনের ভেতরে এলজিইডির রাস্তা: বন বিভাগের আপত্তি উপেক্ষা করে অনড় স্থানীয় সংসদ সদস্য
হামে শিশুমৃত্যুর দায়ে ইউনূস-নুরজাহানের বিচার দাবিতে মহাখালীতে আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ মিছিল
৬ শিশুর মৃত্যুতে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা, ৬ শতাধিক শিশুর খুনিরা দেশ-বিদেশে ঘুরে বেড়ায়! ন্যায়বিচার কোথায়?
একসময়ের পানির উৎস, এখন মরণফাঁদ: সাড়ে ৩০০ বছরের ইতিহাস এখন ময়লার ভাগাড়
ছয় দেশের ৭০ জন চিহ্নিত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আতিউরসহ ১০ কর্মকর্তা
২১১২ কোটি টাকা ব্যয়ে আরও ৩ কার্গো এলএনজি কিনছে সরকার
বেনজীরকে দেশে আনতে সামনে যেসব বাধা
এবার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ায় কাচের বোতল ঝুলিয়েছে বিএসএফ
লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম সীমান্তে আইন না মেনে একদম শূন্যরেখার শেষ অংশে দেওয়া কাঁটাতারের বেড়ায় কাচের বোতল ঝুলিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। বেড়া দেওয়ার ছয় দিনের মাথায় গত বুধবার (১৫ জানুয়ারি) দুপুরে বেড়ার চার থেকে পাঁচ গজ পরপর একটি করে খালি কাচের বোতল বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে সীমান্ত এলাকার মানুষদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে।
এর আগে, গত ১০ জানুয়ারি সকাল থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের সরকারপাড়া সীমান্তে বাংলাদেশ-ভারতের প্রধান পিলার ডিএমপি ৮ নম্বরের সাব-পিলার ৩৭ থেকে ৪৬ নম্বরের শূন্যরেখার শেষে অংশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে বিএসএফ ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকদের নিয়ে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে তৈরি খুঁটির মধ্যে সাড়ে ৩ থেকে ৪
ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করে। বিজিবি সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার দুপুর ১২টায় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের ৬ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের করুণ ক্যাম্পের বিএসএফের ১০ থেকে ১২ জন সদস্য শূন্যরেখায় নির্মিত কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আসেন। এ সময় তারা ডিএমপি ৮ নম্বরের সাব-পিলার ৩৮ থেকে ৪৬ নম্বরের শূন্যরেখায় নির্মিত বেড়ার প্রায় এক কিলোমিটার অংশের তারগুলোতে ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি মাপের কাচের খালি বোতল জিআই তার দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে দিতে থাকেন। স্থানীয়রা দেখে বিজিবিকে খবর দেয়। দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ক্যাম্পের টহল দলের বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বোতল ঝোলাতে নিষেধ করলে বিএসএফ তা শোনেনি। বিএসএফের সহায়তায় লোহার অ্যাঙ্গেলের ওপর ৪ ফুট উচ্চতার এ বেড়া নির্মাণ করেন
ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকেরা। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো সীমান্ত এলাকায়। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝে উত্তেজনাও দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা কাজ শেষ করে চলে যায়। দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জব্বার আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভারত একদম জিরো লাইনে তারকাটার বেড়া দিয়েছে। আমাদের চলাচলেও সমস্যা হয়। আমরা আতঙ্কে আছি। তারপরও বেড়ায় বোতল ঝুলিয়ে দিয়েছে। এখন বোতলে কিছু রাখল কি না, এ নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি।” এ বিষয়ে ৫১ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম আলদীন বলেন, “এটি নতুন কোনো স্থাপনা নয়। বেড়াটির প্রটেকশনের জন্যই তারা বোতল ঝুলিয়েছে। যদি কেউ রাতের আঁধারে বেড়া তুলে নিয়ে যায় সে জন্য তারা শূন্যরেখায় বেড়া দিয়ে নিজেরাই দুশ্চিন্তায় আছে। এ জন্য
তারা এই প্রটেকশনটি ব্যবহার করেছে।” এদিকে, এক বিএসএফ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “কেউ বেড়া কাটতে চাইলে অথবা নাড়াচাড়া দিলে কাচের বোতলে শব্দ হবে বা সেটি পড়ে গিয়ে ভেঙে যাবে। সেই শব্দে কাছাকাছি থাকা বিএসএফ প্রহরী সজাগ হয়ে যেতে পারবেন–সে জন্যই এরকম একটা ব্যবস্থা। দিনের বেলার থেকেও রাতের অন্ধকারে প্রহরীদের সজাগ করার জন্য বেশ কার্যকর এটা।”
ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করে। বিজিবি সূত্র ও স্থানীয়রা জানায়, বুধবার দুপুর ১২টায় ভারতের কোচবিহার রাজ্যের ৬ রানীনগর বিএসএফ ব্যাটালিয়নের করুণ ক্যাম্পের বিএসএফের ১০ থেকে ১২ জন সদস্য শূন্যরেখায় নির্মিত কাঁটাতারের বেড়ার কাছে আসেন। এ সময় তারা ডিএমপি ৮ নম্বরের সাব-পিলার ৩৮ থেকে ৪৬ নম্বরের শূন্যরেখায় নির্মিত বেড়ার প্রায় এক কিলোমিটার অংশের তারগুলোতে ৮ থেকে ১০ ইঞ্চি মাপের কাচের খালি বোতল জিআই তার দিয়ে বেঁধে ঝুলিয়ে দিতে থাকেন। স্থানীয়রা দেখে বিজিবিকে খবর দেয়। দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা ক্যাম্পের টহল দলের বিজিবির সদস্যরা ঘটনাস্থলে এসে বোতল ঝোলাতে নিষেধ করলে বিএসএফ তা শোনেনি। বিএসএফের সহায়তায় লোহার অ্যাঙ্গেলের ওপর ৪ ফুট উচ্চতার এ বেড়া নির্মাণ করেন
ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকেরা। এতে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো সীমান্ত এলাকায়। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মাঝে উত্তেজনাও দেখা দেয়। একপর্যায়ে তারা কাজ শেষ করে চলে যায়। দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকার বাসিন্দা জব্বার আলী সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ভারত একদম জিরো লাইনে তারকাটার বেড়া দিয়েছে। আমাদের চলাচলেও সমস্যা হয়। আমরা আতঙ্কে আছি। তারপরও বেড়ায় বোতল ঝুলিয়ে দিয়েছে। এখন বোতলে কিছু রাখল কি না, এ নিয়ে আমরা আতঙ্কে আছি।” এ বিষয়ে ৫১ বিজিবি অধিনায়ক লে. কর্নেল সেলিম আলদীন বলেন, “এটি নতুন কোনো স্থাপনা নয়। বেড়াটির প্রটেকশনের জন্যই তারা বোতল ঝুলিয়েছে। যদি কেউ রাতের আঁধারে বেড়া তুলে নিয়ে যায় সে জন্য তারা শূন্যরেখায় বেড়া দিয়ে নিজেরাই দুশ্চিন্তায় আছে। এ জন্য
তারা এই প্রটেকশনটি ব্যবহার করেছে।” এদিকে, এক বিএসএফ কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে বলেছেন, “কেউ বেড়া কাটতে চাইলে অথবা নাড়াচাড়া দিলে কাচের বোতলে শব্দ হবে বা সেটি পড়ে গিয়ে ভেঙে যাবে। সেই শব্দে কাছাকাছি থাকা বিএসএফ প্রহরী সজাগ হয়ে যেতে পারবেন–সে জন্যই এরকম একটা ব্যবস্থা। দিনের বেলার থেকেও রাতের অন্ধকারে প্রহরীদের সজাগ করার জন্য বেশ কার্যকর এটা।”



