ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা বোর্ডের নতুন নির্দেশনা
ম্যানেজিং কমিটিতে দলীয় লোক নেওয়া হলে আদালতে যাওয়ার হুশিয়ারি রাশেদা কে চৌধুরীর
রাষ্ট্রকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আর জাতীয় সংসদকে রাজু ভাস্কর্য মনে করছে নির্বোধ হাসনাত
ষষ্ঠ শ্রেণিতে ওঠার পর আগের বছরের বৃত্তি পরীক্ষা: পুরোনো সিলেবাসে নতুন চাপ, বিপাকে ৫ লাখ শিক্ষার্থী
পাঠ্যবই দুর্নীতি : ইউনুসের সংস্কার, সিন্ডিকেটের উৎসব
বিনামূল্যের পাঠ্যবই মুদ্রণে কারসাজি: এক বছরেই রাষ্ট্রের ৬৫৯ কোটি টাকা লুটে নিলো সিন্ডিকেট
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ঈদ বোনাস নিয়ে বড় সুখবর
শিক্ষার উন্নয়নে স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি
শিক্ষার মানোন্নয়নে স্থায়ী শিক্ষা কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা। তারা বলেছেন, স্বাধীনতার পর থেকেই শিক্ষাকে অবজ্ঞা করার যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে তার ধারাবাহিকতা এখনও রয়েছে।
শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শিক্ষা ব্যবস্থা ও সংস্কার কোন পথে’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন বক্তারা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি সাবেক শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে পুরোপুরিভাবে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। যেখানে পাশের দেশ শিক্ষার হাব তৈরি করেছে, সেখানে আমাদের ছেলে-মেয়েরা পড়তে যাচ্ছে। এতে করে দেশের ফরেন কারেন্সিও নষ্ট হচ্ছে।
তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে বিভিন্ন কমিশন গঠন হলেও কোনো শিক্ষা কমিশন গঠন হয়নি, যা দুঃখজনক। অথচ আমরা একটি পার্মানেন্ট
শিক্ষা কমিশন আশা করেছিলাম। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার শিক্ষা কমিশন গঠন করা হলেও তা যথাযথ সুফল বয়ে আনতে পারেনি। আমরা চাই এই দফায় একটি শিক্ষা কমিশন গঠন হবে যারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে শিক্ষা সংস্কারে কাজ করবে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজানোর মতো শিক্ষক রয়েছে কিন্তু সেই শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট তৈরি করে ইউজিসিতে পাঠানো হয়, সে বাজেট সরকারের কাছে পাঠানো হয়। তারপর সরকার সে বাজেটটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বারবার শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানানো হয়েছে। গত ১৫ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান।
শিক্ষা কমিশন আশা করেছিলাম। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বেশ কয়েকবার শিক্ষা কমিশন গঠন করা হলেও তা যথাযথ সুফল বয়ে আনতে পারেনি। আমরা চাই এই দফায় একটি শিক্ষা কমিশন গঠন হবে যারা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বিতভাবে শিক্ষা সংস্কারে কাজ করবে। সাবেক প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাখাতকে ঢেলে সাজানোর মতো শিক্ষক রয়েছে কিন্তু সেই শিক্ষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না। তিনি বলেন, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট তৈরি করে ইউজিসিতে পাঠানো হয়, সে বাজেট সরকারের কাছে পাঠানো হয়। তারপর সরকার সে বাজেটটা বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠায়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বারবার শিক্ষার্থীদের গিনিপিগ বানানো হয়েছে। গত ১৫ বছরে শিক্ষা ব্যবস্থা পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেছে। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন অধ্যাপক সলিমুল্লাহ খান।



