এখনো ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহক – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৯ October, ২০২৪

এখনো ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছেন গ্রাহক

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৯ October, ২০২৪ |
কয়েক মাস ধরেই ব্যাংক থেকে নগদ টাকা তুলে ঘরে রাখার প্রবণতা বাড়ছে। জাতীয় নির্বাচন কেন্দ্র করে গত নভেম্বর থেকে এ প্রবণতা বাড়লেও এখন পর্যন্ত তা অব্যাহত রয়েছে। ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসে সবচেয়ে বেশি সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয় আর্থিক খাতে। এরই অংশ হিসেবে এখন পর্যন্ত ১১টি ব্যাংকের পর্ষদ ভেঙে নতুন পর্ষদ গঠন করে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সেইসঙ্গে লুটেরা ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা ব্যাংকগুলো থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা আত্মসাৎ করায় কয়েকটি ব্যাংকের দুর্বলতা প্রকট আকার ধারণ করেছে। এসব ব্যাংক গ্রাহকের ৫ হাজার টাকাও ফেরত দিতে পারছে না। এতে গ্রাহকের মধ্যে বেড়েছে

আতঙ্ক। ব্যাংক থেকে তারা আমানত তুলে নিচ্ছেন। ফলে বাড়ছে ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সর্বশেষ গত আগস্টে আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ব্যাংকের বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ বেড়েছে ৩৪ হাজার ৭৮ কোটি বা ১৩ দশমিক ১৯ শতাংশ। আগস্ট শেষে ব্যাংক ব্যবস্থার বাইরে থাকা টাকার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৯২ হাজার ৪৩৪ কোটি, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ২ লাখ ৫৮ হাজার ৩৫৬ কোটি টাকা। এরও আগের মাসের তুলনায় বেড়েছে ৮০৪ কোটি টাকা বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে গ্রাহকরা এই পরিমাণ টাকা তুলে নিলেও সেটা আর ব্যাংকে ফেরত আসেনি।

ফলে এই টাকা রয়ে গেছে মানুষের হাতে। মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নেওয়ার পর যা আর জমা হয়নি, তা-ই ব্যাংকের বাইরে রাখা টাকা হিসেবে পরিচিত। এই টাকা মানুষ নিজের কাছে বা কোনো সমিতিতে রাখেন। এভাবে টাকা মালিকের নিজের হাতে কিংবা এক হাত থেকে অন্য হাতে ঘুরলেও ব্যাংকে ফেরেনি। জানা গেছে, ব্যাংক খাতে অনিয়ম, ঋণ জালিয়াতিসহ নানা ধরনের খবর প্রকাশিত হওয়ায় মানুষের আস্থাহীনতা বাড়ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংকের প্রকট দুর্বলতার খবর। এসব ব্যাংকের আমানতকারীরা আতঙ্কে টাকা তুলে নিচ্ছে। কয়েকটি ব্যাংক থেকে টাকা তুলতে না পারায় গ্রাহকের আতঙ্ক আরও বাড়ছে। এতে সুদহার বাড়ানোর পরও গ্রাহকরা নতুন আমানত ব্যাংকে রাখছেন না। ব্যাংক

সংশ্লিষ্টদের মতে, সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংকের তারল্য সংকট ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ বাড়তে থাকায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে এ সংক্রান্ত নেতিবাচক খবর মানুষের মনে ব্যাংকের প্রতি অনাস্থার জন্ম দেয়। এ ছাড়া সম্প্রতি কয়েকটি ব্যাংক গ্রাহকের টাকা ফেরত দিতে না পারায় গ্রাহকের মধ্যে বড় ধরনের প্রভাব পড়েছে। ফলে তারা ব্যাপক হারে ব্যাংক থেকে টাকা তুলে ঘরে জমা রাখছেন। আবার দেশের বর্তমান বাজার ব্যবস্থায়ও নগদ অর্থের চাহিদা ব্যাপক। ডিজিটাল লেনদেনের ওপর করারোপ করা হয়। ফলে সাধারণ মানুষ নগদ টাকায় কেনাকাটায় স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। গুটিকয় শপিংমল আর হোটেল-রেস্টুরেন্ট বাদ দিলে দেশের কোথাও ডিজিটাল পেমেন্টের ব্যবস্থা নেই। দোকানিরাও চান লেনদেন নগদে হোক। এ ছাড়া ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ হস্তান্তর

করলে তার ওপর শুল্ক দিতে হয়। মোবাইল ব্যাংকিংয়ের প্রতিটি লেনদেনে শুল্ক পরিশোধ করতে হয়। এ কারণে সাধারণ মানুষ ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে এবং নগদ লেনদেন করছে। এ ছাড়া, অসাধু ব্যবসায়ী, অসৎ কর্মচারী এবং চোরাকারবারিরাও ব্যাংকে টাকা জমা রাখতে আগ্রহী নয়। এ কারণেও ব্যাংকের বাইরে বাড়ছে নগদ অর্থের প্রবাহ। এর ফলে অবারিত হচ্ছে ছায়া অর্থনীতির দ্বার। এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মঈনুল ইসলাম বলেন, মূলত ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা কমে যাওয়ার কারণেই ব্যাংকের বাইরে টাকা রাখার প্রবণতা বেড়ে গেছে। এর সহজ কোনো সমাধান নেই। তিনি বলেন, অনেকগুলো ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা কমে গেছে। যে কারণে ব্যাংকের বাইরে টাকা রাখার প্রবণতা

বেড়ে গেছে। এ সমস্যা দূর করতে ব্যাংকিং খাতের বর্তমান সংকট চিহ্নিত করতে হবে। সেটি দূর করার কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে। তাহলে ব্যাংকের ওপর মানুষের আস্থা ফিরে আসবে। ব্যাংকের বাইরে টাকা রাখার প্রবণতা কমে আসবে। অপর এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, সুদের হার বাড়লেও ব্যাংকের আমানত বাড়ছে না। গত আগস্টে আগের মাসের তুলনায় আমানত কমেছে ০ দশমিক ১৬ শতাংশ। আর আমানতের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৭ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি কমেছে মেয়াদি আমানত। এ বিষয়ে একটি বেসরকারি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, কয়েকটি ব্যাংকের দুর্বলতা প্রকট আকার ধারণ করলেও এতদিন সেটা প্রকাশ করা হয়নি। এখন বাংলাদেশ ব্যাংক সেটা প্রকাশ করায় মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বেড়েছে। এতে গ্রাহকরা একদিকে

এসব ব্যাংক থেকে টাকা তুলে নিচ্ছে, অপরদিকে নতুন আমানতও কম রাখছেন। ফলে ব্যাংকের আমানত কিছুটা কমেছে। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে শিগগির এটি বাড়ানোর কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে আশা করি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের ভাবি, দাও কই’ বলার পর বাবাকে কুপিয়ে হত্যা, ছেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ চুরির অভিযোগে মানসিক প্রতিবন্ধী নারীর গাছে বেঁধে মারধর, ভিডিও ভাইরাল গ্যাসের দাম বাড়ার পঞ্চহেতু ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা’র প্রত্যাবর্তন প্রসঙ্গে অপতথ্য প্রচার দিল্লিস্থ বাংলাদেশ হাইকমিশন-এর কূটনৈতিক কর্মকর্তার কোস্ট গার্ডের পাঁচ জাহাজ থেকে মুছে ফেলা হলো জয় বাংলা ও জাতীয় চার নেতার নাম ন্যূনতম মজুরির জন্য শ্রমিক যখন মরছে, তখন ২০০ কোটি টাকা খরচে সরকারি কর্মচারীদের ফ্ল্যাট তৈরির ঘোষণা তিন মাসে বাণিজ্য ঘাটতি ছাড়াল ৭৪৭ কোটি ডলার সিলেট টেস্ট: ক্যারিবীয় পেসারদের তোপে দিনশেষে ব্যাকফুটে বাংলাদেশ দেয়ালে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ লিখন: স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করল পুলিশ, শিক্ষার্থী-নিপীড়নের শংকা বাংলাদেশকে হরমুজ প্রণালী ব্যাবহারের প্রস্তাব ইরানের; বাধা হতে পারে ইউনূস সরকারের করা ‘মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি’