ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
এপস্টেইন ফাইলে নাম ঋণখেলাপী বিএনপি নেতা মিন্টুর
ইউনূসের দুঃশাসন: সম্পদের হিসাব দেওয়ার নামে ঠকানো হলো জনগণকে
সেনাবাহিনীর সঙ্গে জামায়াত প্রার্থীর দুর্ব্যবহার: পশ্চিম পাকিস্তানি মানসিকতার প্রতিচ্ছবি
যখন নারীর অধিকার হয়ে ওঠে রাজনীতির বলি
জুলাইয়ের রক্তস্নাত ষড়যন্ত্র এবং ইউনুসের অবৈধ শাসনকাল
ছেলের মুক্তি মেলেনি প্যারোলে, বাবার লাশ গেল কারাগারে
গণভোট, রাষ্ট্রীয় পক্ষপাত ও অবৈধ ইউনূস সরকার বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য এক ভয়াবহ সতর্ক সংকেত
সাজানো’ অভিযানের অভিযোগ ও ৫ প্রশ্ন জামায়াত আমিরের ‘এক্স’ হ্যান্ডেল হ্যাক: প্রমাণ ছাড়াই বঙ্গভবন কর্মকর্তা গ্রেপ্তার
জামায়াতে ইসলামীর আমিরের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘এক্স’ (সাবেক টুইটার) হ্যান্ডেল হ্যাক করার অভিযোগে বঙ্গভবনের সহকারী প্রোগ্রামার মোহাম্মদ ছরওয়ারে আলমকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তবে কোনো সুনির্দিষ্ট প্রমাণ ও কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি ছাড়াই এই গ্রেপ্তারে পুলিশের একটি অংশের বিরুদ্ধে ‘অতিউৎসাহী’ আচরণের অভিযোগ উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র ও ভুক্তভোগীর পরিবারের দাবি, সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে তড়িঘড়ি এই অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি রাজনৈতিক দলকে সন্তুষ্ট করতে ডিবি প্রধানসহ পুলিশের কয়েকজন কর্মকর্তা এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন।
বিধি লঙ্ঘন ও অনুমতিহীন গ্রেপ্তার
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮ এবং সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮-এর ৪১ বিধি অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করতে হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের
বা সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ছরওয়ারে আলমের ক্ষেত্রে এই বিধির তোয়াক্কা করা হয়নি। সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আইনি জটিলতা এড়াতে তড়িঘড়ি করে হাতিরঝিল থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টা পর এখন পেছনের তারিখ দেখিয়ে বা দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তারের অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ ডিবি সাইবার ইউনিটের তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। ‘সাজানো’ অভিযানের অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে, ডিবি প্রধান শফিক, গোলাম রসুল ও গাজী জসিমসহ জামায়াত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত পুলিশের একটি গ্রুপ এই অভিযানের নেপথ্যে রয়েছে। প্রকৃত হ্যাকিংয়ের ঘটনার প্রমাণ না মিললেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবির
এক কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনে কোনো জোরালো প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্তে খোদ ডিবির জুনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যেই উষ্মা দেখা দিয়েছে। তারা কোনো ‘বিশেষ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ডিবি প্রধানকে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন সাইবার অপরাধ তদন্তের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত—উভয়ের ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ঘটনায় কেবল বঙ্গভবনের ওই কর্মকর্তার সব ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। জামায়াত আমিরের ডিভাইস তদন্তের স্বার্থে হেফাজতে নেওয়া হয়নি, যা তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পাঁচটি প্রশ্ন বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এভাবে গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ও জনমনে পাঁচটি প্রশ্ন সামনে এসেছে— ১.
আইনের ব্যত্যয়: সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সরকারের অনুমতি ছাড়া কেন একজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হলো? ২. পালিয়ে না যাওয়া: ছরওয়ারে আলম যদি প্রকৃত হ্যাকার হতেন, তবে তিনি ঘটনার পর পালিয়ে না গিয়ে নিজ বাড়িতে কেন অবস্থান করছিলেন? ৩. একপাক্ষিক জব্দ: তদন্তের স্বার্থে অভিযোগকারীর ডিভাইস পরীক্ষা না করে শুধু অভিযুক্তের ডিভাইস কেন জব্দ করা হলো? ৪. প্রশাসনের নীরবতা: গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও প্রশাসন কেন এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি? ৫. তড়িঘড়ি মামলা: আইসিটি মন্ত্রণালয়, এসবি বা সিআইডির সমন্বয়ে গঠিত কোনো বিশেষজ্ঞ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াই কেন তড়িঘড়ি মামলা করা হলো? প্রশাসন কি তবে বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকছে? এ বিষয়ে জানতে
ডিবি প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
বা সরকারের পূর্বানুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। কিন্তু বঙ্গভবনের কর্মকর্তা ছরওয়ারে আলমের ক্ষেত্রে এই বিধির তোয়াক্কা করা হয়নি। সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারের বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর আইনি জটিলতা এড়াতে তড়িঘড়ি করে হাতিরঝিল থানায় মামলা নেওয়া হয়েছে। গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টা পর এখন পেছনের তারিখ দেখিয়ে বা দ্রুততার সঙ্গে গ্রেপ্তারের অনুমতি নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। অথচ ডিবি সাইবার ইউনিটের তদন্ত এখনও প্রাথমিক পর্যায়েই রয়েছে। ‘সাজানো’ অভিযানের অভিযোগ অভিযোগ উঠেছে, ডিবি প্রধান শফিক, গোলাম রসুল ও গাজী জসিমসহ জামায়াত ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত পুলিশের একটি গ্রুপ এই অভিযানের নেপথ্যে রয়েছে। প্রকৃত হ্যাকিংয়ের ঘটনার প্রমাণ না মিললেও উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ডিবির
এক কর্মকর্তা জানান, জিজ্ঞাসাবাদের জন্য এনে কোনো জোরালো প্রমাণ ছাড়াই গ্রেপ্তারের সিদ্ধান্তে খোদ ডিবির জুনিয়র কর্মকর্তাদের মধ্যেই উষ্মা দেখা দিয়েছে। তারা কোনো ‘বিশেষ এজেন্ডা’ বাস্তবায়নের হাতিয়ার না হয়ে পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করার বিষয়ে ডিবি প্রধানকে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছেন। তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন সাইবার অপরাধ তদন্তের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, হ্যাকিংয়ের ঘটনায় ভুক্তভোগী ও অভিযুক্ত—উভয়ের ডিভাইস ফরেনসিক পরীক্ষার প্রয়োজন হয়। কিন্তু এ ঘটনায় কেবল বঙ্গভবনের ওই কর্মকর্তার সব ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে। জামায়াত আমিরের ডিভাইস তদন্তের স্বার্থে হেফাজতে নেওয়া হয়নি, যা তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। পাঁচটি প্রশ্ন বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তাকে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই এভাবে গ্রেপ্তারের ঘটনায় প্রশাসনিক মহলে ও জনমনে পাঁচটি প্রশ্ন সামনে এসেছে— ১.
আইনের ব্যত্যয়: সরকারি চাকরি বিধিমালা লঙ্ঘন করে সরকারের অনুমতি ছাড়া কেন একজন কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করা হলো? ২. পালিয়ে না যাওয়া: ছরওয়ারে আলম যদি প্রকৃত হ্যাকার হতেন, তবে তিনি ঘটনার পর পালিয়ে না গিয়ে নিজ বাড়িতে কেন অবস্থান করছিলেন? ৩. একপাক্ষিক জব্দ: তদন্তের স্বার্থে অভিযোগকারীর ডিভাইস পরীক্ষা না করে শুধু অভিযুক্তের ডিভাইস কেন জব্দ করা হলো? ৪. প্রশাসনের নীরবতা: গ্রেপ্তারের ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পার হলেও প্রশাসন কেন এ বিষয়ে কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেয়নি? ৫. তড়িঘড়ি মামলা: আইসিটি মন্ত্রণালয়, এসবি বা সিআইডির সমন্বয়ে গঠিত কোনো বিশেষজ্ঞ কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন ছাড়াই কেন তড়িঘড়ি মামলা করা হলো? প্রশাসন কি তবে বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকছে? এ বিষয়ে জানতে
ডিবি প্রধানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে তাঁর মন্তব্য পাওয়া যায়নি।



