ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
আবারও রিমান্ডে এমপি গাজী নজরুল
কুমিল্লায় থানায় ভাঙচুর করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিয়ে বেরিয়ে গেল ২২ কিশোর গ্যাং সদস্য
ধানমন্ডি লেক থেকে আবারও ভাসমান লাশ উদ্ধার: কোথায় না মিলছে লাশ, সৌন্দর্যের প্রতীক লেক থেকে শোবার ঘর!
ধানমন্ডি লেক থেকে আবারও ভাসমান লাশ উদ্ধার: কোথায় না মিলছে লাশ, সৌন্দর্যের প্রতীক লেক থেকে শোবার ঘর!
বাগেরহাটে জমি-জমার বিরোধে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হামলায় ছাত্রলীগ কর্মী খুন
এবার কুমিল্লায় মা-ভাবি ও ৮ মাসের ভাতিজিকে কুপিয়ে-আছড়ে হত্যা
কুড়িগ্রামে সারের দাবিতে আন্দোলন করতে গিয়ে মামলা: ঘরছাড়া ৫ গ্রামের কৃষক
শিশুদের খেলাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীর সন্তানের আঙুল কেটে নিলেন পুলিশ কনস্টেবল
নাটোরে দুই শিশুর খেলা থেকে সৃষ্ট বিরোধের জেরে বায়েজিদ (৮) নামে এক শিশুর হাতের আঙুল কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক কনস্টেবলের বিরুদ্ধে।
২৪শে সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার দুপুরে নাটোর শহরের বড়হরিশপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহত শিশু বায়েজিদকে প্রথমে নাটোর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বায়েজিদ চেয়ারম্যান রোড এলাকার বাসিন্দা ও ব্যাংক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসানের ছেলে। সে নাটোর পুলিশ লাইনস স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে পড়ে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, বায়েজিদের বাবা মাহমুদুল হাসান ব্যাংক কর্মকর্তা হিসেবে বর্তমানে ঢাকায় কর্মরত। নাটোর শহরের চেয়ারম্যান রোডে তাদের নিজস্ব বাড়িতে বায়েজিদের মা ও ভাইবোনেরা থাকেন।
বাড়িটির একটি অংশে
নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল শাকিল আহমেদ ভাড়া থাকেন। বায়েজিদ ও শাকিলের চার বছর বয়সী মেয়ে প্রায়ই একসঙ্গে খেলত। একদিন খেলার সময় তাদের মধ্যে বিরোধ বাধে। বায়েজিদের পরিবারের অভিযোগ, বিরোধের কথা জানার পর কনস্টেবল শাকিল তাকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সেখানে ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে বায়েজিদের ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেন তিনি। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পর কনস্টেবল শাকিল আহমেদের বাসায় গিয়ে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়, তবে তাকে পাওয়া যায়নি। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কনস্টেবল শাকিল তার নিজের
মেয়েকে শারীরিক নির্যাতনের মৌখিক অভিযোগ করেছেন এবং চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। ওসি আরও বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শিশুর হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নাটোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে কর্মরত কনস্টেবল শাকিল আহমেদ ভাড়া থাকেন। বায়েজিদ ও শাকিলের চার বছর বয়সী মেয়ে প্রায়ই একসঙ্গে খেলত। একদিন খেলার সময় তাদের মধ্যে বিরোধ বাধে। বায়েজিদের পরিবারের অভিযোগ, বিরোধের কথা জানার পর কনস্টেবল শাকিল তাকে নিজের বাসায় ডেকে নেন। সেখানে ধারালো কোনো বস্তু দিয়ে বায়েজিদের ডান হাতের একটি আঙুল কেটে দেন তিনি। শিশুটির চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন এবং হাসপাতালে নিয়ে যান। ঘটনার পর কনস্টেবল শাকিল আহমেদের বাসায় গিয়ে তার বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হয়, তবে তাকে পাওয়া যায়নি। নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনসুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কনস্টেবল শাকিল তার নিজের
মেয়েকে শারীরিক নির্যাতনের মৌখিক অভিযোগ করেছেন এবং চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি। ওসি আরও বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে শিশুর হাতের আঙুল কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।



