যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৬ শতাংশ শুল্ক কার্যকর – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫
     ১১:৪৯ অপরাহ্ণ

যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৬ শতাংশ শুল্ক কার্যকর

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ৭ আগস্ট, ২০২৫ | ১১:৪৯ 66 ভিউ
যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন শুল্কহার আজ বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) থেকে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে তৈরি পোশাকসহ বিভিন্ন পণ্যে গড়ে ২০ শতাংশ পাল্টা শুল্কসহ সর্বমোট ৩৬ শতাংশ শুল্ক দিতে হবে। তবে এখনো এ বিষয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চূড়ান্ত কোনো বাণিজ্য চুক্তি হয়নি। খসড়া পর্যায়ে আলোচনা চলমান রয়েছে বলে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে। শুল্ক পরিশোধের দায়িত্ব আমদানিকারকের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এই অতিরিক্ত শুল্ক মূলত পরিশোধ করবেন যুক্তরাষ্ট্রের আমদানিকারকেরা। রপ্তানিকারকের দায়িত্ব থাকে কেবল পণ্য জাহাজীকরণের পর্যায় পর্যন্ত। তারা আরও বলেন, প্রতিযোগী দেশের তুলনায় বাংলাদেশের অবস্থান এখনো প্রতিকূল নয়। তবে দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানিতে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা ধরে রাখতে শুল্ক কমানোর আলোচনায় সরকারকে সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন

তারা। ট্রাম্প প্রশাসনের সিদ্ধান্ত ও পটভূমি জানা গেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপ্তাহে বাংলাদেশের ওপর নতুন শুল্কহার চূড়ান্ত করেন। এর আগে গত এপ্রিলে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যা পরে জুলাইয়ে কমিয়ে ৩৫ শতাংশ করা হয়। শেষপর্যন্ত তা আরও হ্রাস করে ২০ শতাংশে নামানো হয়। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই নতুন হার ৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হয়েছে। রপ্তানি খাতে প্রভাব বাংলাদেশ পোশাক রপ্তানিকারক ও প্রস্তুতকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানিয়েছে, পূর্বে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত পণ্যের ওপর গড়ে ১৬.৫ শতাংশ শুল্ক দিতে হতো। নতুন পাল্টা শুল্ক আরোপের ফলে মোট শুল্কহার দাঁড়াবে প্রায় ৩৬.৫ শতাংশ, যদিও তা পণ্যভেদে ভিন্ন হবে। নিট পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি

বিকেএমইএ’র নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, “চুক্তি না হলেও যুক্তরাষ্ট্র তাদের আমদানি নীতিমালার আওতায় এই শুল্ক কার্যকর করেছে। বাংলাদেশি রপ্তানিকারকরা এতে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন না, তবে প্রতিযোগিতামূলক দিক থেকে এটি আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে।” যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের বৃহত্তম পোশাক বাজার বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্যমতে, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের একক বৃহত্তম বাজার। দেশটির বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানির ৮৬ শতাংশই হলো তৈরি পোশাক পণ্য। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৭.৫৪ বিলিয়ন ডলার মূল্যের পোশাকপণ্য রপ্তানি করেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
এলপিজি গ্যাস সংকট সহসাই কাটছেনা লোক দেখানো নিলামে গ্রামীণফোনকেই “৭০০ মেগাহার্টজের গোল্ডেন স্পেকট্রাম” দেওয়া হচ্ছে ‘নো বোট, নো ভোট’ স্লোগানে নির্বাচন বয়কটে নামছে আওয়ামী লীগ তরুণদের আন্দোলনে ক্ষমতায় আসা ইউনূসের কর্মসংস্থান ও চাকরী নিয়ে বাস্তবতাবিহীন নিষ্ঠুর রসিকতা বৈধতাহীন সরকারের অধীনে অর্থনৈতিক বিপর্যয় : সর্বনিম্ন বিনিয়োগে ডুবছে বাংলাদেশ মৌলবাদের অন্ধকারে যখন সংস্কৃতি গলা টিপে ধরা—তখনও বাংলাদেশ বেঁচে থাকে অসাম্প্রদায়িক চেতনায়…. সবাইকে পৌষ পার্বণ ও মকর সংক্রান্তির শুভেচ্ছা। ১৬ বছরে যা হয়নি, ১৭ মাসেই সব ভেঙে পড়লো কিভাবে? রপ্তানি খাতে বড় পতন, সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ক্ষমতার শেষ মুহূর্তে তড়িঘড়ি প্রকল্প ব্যয় বৃদ্ধি: দুর্নীতির মচ্ছবে ব্যাস্ত ইউনুস সরকারের বিশেষ সহকারী আবারো কারা হেফাজতে আওয়ামী লীগ নেতার মৃত্যু: মামলা ছাড়া আটক হুমায়ূন কবির, মৃত্যুর মিছিলে আরেকটি নাম চট্টগ্রাম বন্দরে শিবির–এনসিপি কোটায় নিয়োগ: ৯ জনকে পদায়ন নিজেদের নেওয়া ব্যাংক ঋণের চাপে অথৈ সমুদ্রে ইউনূস সরকার, অজানা গন্তব্যে অর্থনীতি ব্যালট বাক্স নয়, লাশের হিসাবই যখন বাস্তবতা এবার নিশানা বাঙালির পৌষ সংক্রান্তি : হাজার বছরের আবহমান বাংলার সংস্কৃতি মুছে বর্বর ধর্মরাষ্ট্রের স্বপ্ন রক্তের দাগ মুছবে কে? নিরপেক্ষতার মুখোশ খুলে গেছে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ চাইতে নেমে ড. ইউনূস প্রমাণ করলেন—তিনি আর প্রধান উপদেষ্টা নন, তিনি একটি পক্ষের সক্রিয় কর্মী আওয়ামী লীগবিহীন নির্বাচন কঠিন সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছে বাংলাদেশকে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষে বিতর্কিত নিয়োগ নয়জন জুলাই সন্ত্রাসীকে প্রভাব খাটিয়ে নিয়োগ হ্যাঁ কিংবা না কোনো শব্দেই আমরা আওয়ামী লীগ তথা মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি যেন কথা না বলি।কারণ এই মুহূর্তে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ফাঁদটাই হলো আমাদের মুখ খুলিয়ে দেওয়া। ইউনুস থেকে মাচাদো: নোবেল শান্তি পুরস্কার কি সরকার পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে?