ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
অন্তর্বর্তী সরকারের বড় সিদ্ধান্ত আসত ‘কিচেন কেবিনেট’ থেকে: বিস্ফোরক মন্তব্যে সাখাওয়াত হোসেন
আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে বাইরে রাখা যাবে না, হাবিবুর রহমান হাবিব
টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক এমপি বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট জোয়াহেরুল ইসলামের ইন্তেকাল: শেখ হাসিনার গভীর শোক
ড. ইউনূস অসম চুক্তি বাতিল না করে ভারতবিদ্বেষী সেন্টিমেন্ট কাজে লাগিয়েছেন: মাহবুব কামাল
বুয়েটের আপত্তিতে তখনই বদলানো হয় বিয়ারিং প্যাড, অব্যবস্থাপনায় দায় স্বীকার মেট্রোরেলের বর্তমান এমডির
বিয়ারিং প্যাড খসে পড়ে পথচারী নিহতের ঘটনায় দিনভর ব্যাপক অপপ্রচার আর সমালোচনার পর বেরিয়ে এলো প্রকৃত সত্য।
মেট্রোরেল প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত বিয়ারিং প্যাড নিয়ে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) আপত্তির পর সংশ্লিষ্ট অংশগুলো সেসময়ই পরিবর্তন করে ফেলা হয় বলে স্বীকার করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।
ডিএমটিসিএলের এক কর্মকর্তা তখন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, বুয়েট যেসব বিয়ারিং প্যাড মানহীন বলে চিহ্নিত হয়েছিল, অন্য জায়গার পরীক্ষায় তা ভালো মানের পাওয়া যায়। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে আপত্তি আমলে নিয়ে তা পরিবর্তন করা হয়েছিল সেসময়। আওয়ামী লীগ সরকার এই বিয়ারিং প্যাড নিয়ে কোনো ঝুঁকি নিতে চায়নি বলে জানান তিনি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, মেট্রোরেলের বিয়ারিং প্যাড নিয়মিত পরীক্ষা, পরিবর্তন ও সার্ভিসিংয়ের
আওতায় রাখা জরুরি। কিন্তু গত বছর ৫ই আগস্টের পর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে বড় ধরনের শৈথিল্য দেখা দিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে গত মাসে প্রথমবার এবং আজ দ্বিতীয়বার বিয়ারিং প্যাড খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের পর থেকেই ইউনূস সরকারের অধীনে শেখ হাসিনার সময়ের মেগা প্রকল্পগুলোর প্রতি রাজনৈতিক অবহেলা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থের অভিযোগ উঠেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার পাশাপাশি সড়ক, রেল, সেতু ও ব্রিজে নাট-বল্টু চুরি ও সরঞ্জাম লুটপাটের ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা জড়িত বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যথাযথ তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাদের অভিযোগ, দেশবাসী যখন মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু
ও অন্যান্য মেগা প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে, তখন ইউনূস সরকার এসব প্রকল্পের সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অব্যবস্থাপনা তৈরি করছে। রক্ষণাবেক্ষণেই ছিল ঘাটতি! পূর্বের দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ বলেন, “আগের কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সবগুলো পিলার ফিজিক্যালি এক্সপার্ট দিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছিল।” এ সময় তার পাশে থাকা উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান প্রশ্ন তোলেন, “তাহলে এটা হলো কীভাবে?” সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমডি আরও বলেন, “তখন বলা হয়েছিল, ঘটনাটি ‘ডিফেক্ট লায়াবেলিটি পিরিয়ড’-এর মধ্যে ঘটেছে। তাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, তারা সংশোধন করেছে।” উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “এটা
জাপানি ঠিকাদারদের কাজ। এখন নতুন যে কমিটি হচ্ছে, তারা আগের কমিটির রিপোর্টও পর্যালোচনা করবে।”
আওতায় রাখা জরুরি। কিন্তু গত বছর ৫ই আগস্টের পর থেকে রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রমে বড় ধরনের শৈথিল্য দেখা দিয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে গত মাসে প্রথমবার এবং আজ দ্বিতীয়বার বিয়ারিং প্যাড খসে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী লীগ সরকারকে উৎখাতের পর থেকেই ইউনূস সরকারের অধীনে শেখ হাসিনার সময়ের মেগা প্রকল্পগুলোর প্রতি রাজনৈতিক অবহেলা ও প্রতিহিংসা চরিতার্থের অভিযোগ উঠেছে। রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম বন্ধ রাখার পাশাপাশি সড়ক, রেল, সেতু ও ব্রিজে নাট-বল্টু চুরি ও সরঞ্জাম লুটপাটের ঘটনায় বিএনপি-জামায়াতের কর্মীরা জড়িত বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, যথাযথ তদারকি ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে সাম্প্রতিক সময়ে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটছে। তাদের অভিযোগ, দেশবাসী যখন মেট্রোরেল, এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে, পদ্মা সেতু
ও অন্যান্য মেগা প্রকল্পের সুফল পাচ্ছে, তখন ইউনূস সরকার এসব প্রকল্পের সাফল্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অব্যবস্থাপনা তৈরি করছে। রক্ষণাবেক্ষণেই ছিল ঘাটতি! পূর্বের দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল কিনা জানতে চাইলে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ফারুক আহমেদ বলেন, “আগের কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। সবগুলো পিলার ফিজিক্যালি এক্সপার্ট দিয়ে পরিদর্শন করা হয়েছিল।” এ সময় তার পাশে থাকা উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান প্রশ্ন তোলেন, “তাহলে এটা হলো কীভাবে?” সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এমডি আরও বলেন, “তখন বলা হয়েছিল, ঘটনাটি ‘ডিফেক্ট লায়াবেলিটি পিরিয়ড’-এর মধ্যে ঘটেছে। তাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে তা সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা জানিয়েছিল, তারা সংশোধন করেছে।” উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খান বলেন, “এটা
জাপানি ঠিকাদারদের কাজ। এখন নতুন যে কমিটি হচ্ছে, তারা আগের কমিটির রিপোর্টও পর্যালোচনা করবে।”



