ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শত কোটি টাকার ইউনিফর্ম প্রকল্পে সিন্ডিকেট ও অনিয়মের অভিযোগ, পুরোনো পোশাকে ফিরছে পুলিশ!
সংস্কারের নামে ৬৫ প্রকল্পে ৮০ হাজার কোটি টাকা অস্বাভাবিক ব্যয় বাড়িয়েছে ইউনূস সরকার: বরাদ্দ লোপাটের অভিযোগ
সিপিডির সংবাদ সম্মেলন: মার্কিন বাণিজ্য চুক্তি ‘চরম বৈষম্যমূলক’, বাতিলের আহ্বান; জাপানের ইপিএ চুক্তি পুনর্বিবেচনার দাবি
১০০% বিদ্যুৎ সক্ষমতার দেশে জ্বালানি সংকট ও বিপুল বকেয়া: বিদ্যুৎমন্ত্রীর ভাষ্যে ইউনূস সরকারের অব্যবস্থাপনা-ব্যর্থতা
‘পুলিশ মারা হবে, ম্যাসাকার হবে—ড. ইউনূস আগেই জানতেন’, দায় এড়াতেই দেরিতে দেশে ফেরেন তিনি: শামীম হায়দার পাটোয়ারী
আবারো কারাগারে মৃত্যুর মিছিল: বিনা বিচারে মারা গেলেন দুমকি ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিক
ড. ইউনূসকে ‘লোভী’ ও ‘অপদার্থ’ আখ্যা দিলেন রনি, বিদায়ের পেছনে আমেরিকার হাত থাকার দাবি
বিগ চেঞ্জ পদক পেয়ে ড. ইউনূস: মানুষের সব সমস্যার সমাধান ব্যবসায়িক উপায়ে করা সম্ভব
নিউইয়র্কে একটি সংস্থার পক্ষ থেকে সম্মাননা দেওয়া হলো ড. ইউনূসকে। থিয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়।
২২শে সেপ্টেম্বর, সোমবার নিউইয়র্কের একটি হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তাকে ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’ প্রদান করা হয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক ‘উন্নয়নে’ অবদান রাখায় এ সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন জাতিসংঘের বৈশ্বিক শিক্ষা বিষয়ক বিশেষ দূত গর্ডন ব্রাউন এবং থিয়ারওয়ার্ল্ডের চেয়ারম্যান সারা ব্রাউন।
ড. ইউনূস ছাড়াও অনুষ্ঠানে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা জানানো হয়। তবে ইউনূসের ক্ষুদ্রঋণভিত্তিক কাজের কথা উপস্থিত অতিথিদের জানানো হয়।
গর্ডন ব্রাউনের দাবি, গত ৫০ বছরে কোনো বেসরকারি সংস্থা দারিদ্র্য দূরীকরণে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো অবদান রাখতে পারেনি।
ড. ইউনূস বলেন,
খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো ঋণও একটি মৌলিক মানবাধিকার। আর্থিক ব্যবস্থার দরজা খুলে দিলে কেউ আর দরিদ্র থাকবে না। আমি ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করেছি, যেন নারীরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার শিক্ষা দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যবসাকে মানবকল্যাণের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের শিক্ষা দিতে হবে। ড. ইউনূস আরও বলেন, মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান ব্যবসায়িক উপায়ে করা সম্ভব।
খাদ্য, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো ঋণও একটি মৌলিক মানবাধিকার। আর্থিক ব্যবস্থার দরজা খুলে দিলে কেউ আর দরিদ্র থাকবে না। আমি ক্ষুদ্রঋণের সঙ্গে শিক্ষাকে যুক্ত করেছি, যেন নারীরা সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে পারে। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থার সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, শিশুদের ছোটবেলা থেকেই উদ্যোক্তা হওয়ার শিক্ষা দেওয়া উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ব্যবসাকে মানবকল্যাণের শক্তি হিসেবে ব্যবহারের শিক্ষা দিতে হবে। ড. ইউনূস আরও বলেন, মানবজাতির সব সমস্যার সমাধান ব্যবসায়িক উপায়ে করা সম্ভব।



