ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইরানের কাছে পাঁচ অসম্ভব দাবি যুক্তরাষ্ট্রের
নতুন করে ১৫ প্রতিষ্ঠান ও দুই ব্যক্তির ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
ইউক্রেনে ন্যাটোর সামরিক হস্তক্ষেপের প্রস্তুতি চলছে : রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী
চীনের বিরুদ্ধে মার্কিন দাবির প্রমাণ মেলেনি: পর্যবেক্ষক
ট্রাম্পের সমর্থন সত্ত্বেও কেন বিটকয়েনের দাম কমছে?
গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আরও ২০ জন নিহত
অনলাইনে গেম খেলতে নিষেধ করায় ভারতে ৩ বোনের আত্মহত্যা
পরামর্শ ছাড়াই মন্ত্রী নিয়োগে নেপালে ফের বিক্ষোভ
নেপালে অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কির পদত্যাগ দাবিতে আবারও রাস্তায় নেমেছে জেন জি আন্দোলনের কর্মীরা। অভিযোগ, নতুন মন্ত্রিসভা গঠনে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কোনো ধরনের পরামর্শ করা হয়নি।
রোববার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে বালুওয়াটারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন জেন জি আন্দোলনের অন্যতম নেতা সুদান গুরুং। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা যদি আবার রাস্তায় নামি, কেউ আমাদের থামাতে পারবে না।” এ সময় তিনি নিহত ও আহত বিক্ষোভকারীদের স্বজনদেরও সঙ্গে আনেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী কার্কি আইনজীবী ওম প্রকাশ আর্যালকে স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেন। পাশাপাশি রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী এবং কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেন। আন্দোলনকারীদের দাবি, এসব নিয়োগে তাদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে।
গণমাধ্যম
সূত্রে জানা যায়, কার্কি প্রথমে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের ফোনে আলাদা করে কথা বলে পরে অফিসে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। জানা গেছে, সর্বোচ্চ ১১–১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে এবং প্রয়োজনে একজনকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর আগে দুর্নীতি, সরকারবিরোধী নিপীড়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে গত ৮ সেপ্টেম্বর নেপালের তরুণ প্রজন্ম বিক্ষোভে নামলে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তা বাহিনী জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও গুলি চালালে অন্তত ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এর জেরে চাপের মুখে পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। পরবর্তীতে ১২ সেপ্টেম্বর নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে অন্তর্বর্তী দায়িত্ব নেন সাবেক বিচারপতি সুশীলা কার্কি। কিন্তু
মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন।
সূত্রে জানা যায়, কার্কি প্রথমে মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের ফোনে আলাদা করে কথা বলে পরে অফিসে আলোচনার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন। জানা গেছে, সর্বোচ্চ ১১–১৫ সদস্যের মন্ত্রিসভা গঠন করা হবে এবং প্রয়োজনে একজনকে একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। এর আগে দুর্নীতি, সরকারবিরোধী নিপীড়ন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে গত ৮ সেপ্টেম্বর নেপালের তরুণ প্রজন্ম বিক্ষোভে নামলে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। নিরাপত্তা বাহিনী জলকামান, টিয়ারগ্যাস ও গুলি চালালে অন্তত ৭১ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। এর জেরে চাপের মুখে পদত্যাগ করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি। পরবর্তীতে ১২ সেপ্টেম্বর নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী সরকারপ্রধান হিসেবে অন্তর্বর্তী দায়িত্ব নেন সাবেক বিচারপতি সুশীলা কার্কি। কিন্তু
মন্ত্রিসভা গঠনের সিদ্ধান্ত ঘিরে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক অঙ্গন।



