ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পালটে গেছে বিদ্যুতের হিসাব
শোক পালনের অধিকারও নাগরিক অধিকার, কোনোভাবেই বাধা দিতে পারে না রাষ্ট্র
চব্বিশ থেকে ২৬: দারিদ্র্যের ঝুঁকিতে ৬ কোটি ২০ লাখ মানুষ, প্রবৃদ্ধি ৩.৪ শতাংশে স্থবির থাকার আশঙ্কা – বিশ্বব্যাংক
ইলিশের নামে ‘রুপালি ধোঁকা’
খেলাপি ঋণের সংকট ও সমাধান
সয়াবিন তেলের দাম আরও বাড়ানোর পাঁয়তারা
পথে পথে ভাড়া নৈরাজ্য
দরিদ্র মানুষের পুষ্টিতেও মূল্যবৃদ্ধির থাবা
দিনের আয় দিয়ে সংসারের খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হয় হাবিবকে। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার পর মাংস বা মাছ কেনার সামর্থ্য থাকে না সবসময়। পরিবারের সদস্যদের পাতে একটু আমিষ তুলে দিতে তাই তার ভরসা ছিল মুরগির পা, মাথা, চামড়া আর গিলা-কলিজার মতো বিভিন্ন অংশ। অল্প টাকায় এসব কিনে কোনোভাবে খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করতেন তিনি। কিন্তু সেই খাবার কিনতেও এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে।
আগে যে মুরগির বিভিন্ন অংশের একটি সেট ৮০-১০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম ১২০ টাকা। দাম বেড়েছে ডিমেরও। ফলে সীমিত আয়ে সংসার চালানো হাবিবের মতো মানুষের জন্য খাবারের জোগাড় করাই কঠিন, পুষ্টির চাহিদা
পূরণ করা আরও কঠিন। বরিশাল নগরীর বাংলা বাজারের দীপু পোলট্রি অ্যান্ড চিকস নামের একটি দোকানে মুরগির এসব অংশ কিনতে আসেন নিুআয়ের মানুষ। যাদের পক্ষে আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না, তাদের অনেকেই এখান থেকে সাধ্যের মধ্যে যা পারেন, তা কেনেন। কিন্তু মুরগির বিভিন্ন অংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের সেই সামর্থ্যওে টান পড়েছে। দোকানটির মালিক মো. আরমান হোসেন প্রায় ১৫-১৬ বছর এ ব্যবসা করছেন। এর মধ্যে পাঁচ-ছয় বছর ধরে মুরগির বিভিন্ন অংশ বিক্রি করছেন তিনি। তার দোকানে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মুরগির একটি সেট। এতে থাকে পাঁচটি বা ছয়টি পা, কিছু চামড়া, একটি গিলা-কলিজা, দুটি বা তিনটি গলার হাড় ও একটি বা দুইটি
মাথা। আগে এই সেট ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। শুধু সেট নয়, বেড়েছে মুরগির অন্য অংশের দামও। বনলেস মাংসের জন্য মাংস কেটে নেওয়ার পর যে হাড় থাকে, তা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায়। শুধু মুরগির পাখনা ২৩০, লেগ পিস ২৭০, বনলেস মাংস ৩৩০, গিলা-কলিজা ১৮০, মাথা ৮০ ও চামড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দোকানির ভাষ্য, আগে এসব অংশের দাম আরও কম ছিল। আরমান হোসেন বলেন, তার দোকানের এসব অংশের প্রধান ক্রেতা দিনমজুর, ভিক্ষুক ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। তাদের অনেকের পক্ষেই আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না। তাই কম দামে মুরগির বিভিন্ন অংশ কিনে পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তারা। তিনি
বলেন, রেস্তোরাঁয় বনলেস মাংসের চাহিদা থাকলেও মুরগির গলার হাড়, চামড়া ও অন্য অংশ সাধারণত তারা নেয় না। ফলে এসব অংশ আলাদা করে বিক্রি করেন তারা। আগে কম দামে বিক্রি করা গেলেও এখন দাম বেড়েছে। এতে ক্রেতাদেরও আগের তুলনায় বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। দিনমজুর হাবিবের মতো মানুষের কাছে মুরগির এসব অংশ শুধু সস্তা খাবার নয়, পরিবারের পাতে আমিষ তুলে দেওয়ার একটি উপায়। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভর করে চলে তার সংসার। বাজারে মাংসের দাম বেশি হওয়ায় আস্ত মুরগি কেনার সামর্থ্য হয় না সবসময়। তাই কম দামের এসব অংশ কিনেই পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তিনি।
পূরণ করা আরও কঠিন। বরিশাল নগরীর বাংলা বাজারের দীপু পোলট্রি অ্যান্ড চিকস নামের একটি দোকানে মুরগির এসব অংশ কিনতে আসেন নিুআয়ের মানুষ। যাদের পক্ষে আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না, তাদের অনেকেই এখান থেকে সাধ্যের মধ্যে যা পারেন, তা কেনেন। কিন্তু মুরগির বিভিন্ন অংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের সেই সামর্থ্যওে টান পড়েছে। দোকানটির মালিক মো. আরমান হোসেন প্রায় ১৫-১৬ বছর এ ব্যবসা করছেন। এর মধ্যে পাঁচ-ছয় বছর ধরে মুরগির বিভিন্ন অংশ বিক্রি করছেন তিনি। তার দোকানে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মুরগির একটি সেট। এতে থাকে পাঁচটি বা ছয়টি পা, কিছু চামড়া, একটি গিলা-কলিজা, দুটি বা তিনটি গলার হাড় ও একটি বা দুইটি
মাথা। আগে এই সেট ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। শুধু সেট নয়, বেড়েছে মুরগির অন্য অংশের দামও। বনলেস মাংসের জন্য মাংস কেটে নেওয়ার পর যে হাড় থাকে, তা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায়। শুধু মুরগির পাখনা ২৩০, লেগ পিস ২৭০, বনলেস মাংস ৩৩০, গিলা-কলিজা ১৮০, মাথা ৮০ ও চামড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দোকানির ভাষ্য, আগে এসব অংশের দাম আরও কম ছিল। আরমান হোসেন বলেন, তার দোকানের এসব অংশের প্রধান ক্রেতা দিনমজুর, ভিক্ষুক ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। তাদের অনেকের পক্ষেই আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না। তাই কম দামে মুরগির বিভিন্ন অংশ কিনে পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তারা। তিনি
বলেন, রেস্তোরাঁয় বনলেস মাংসের চাহিদা থাকলেও মুরগির গলার হাড়, চামড়া ও অন্য অংশ সাধারণত তারা নেয় না। ফলে এসব অংশ আলাদা করে বিক্রি করেন তারা। আগে কম দামে বিক্রি করা গেলেও এখন দাম বেড়েছে। এতে ক্রেতাদেরও আগের তুলনায় বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। দিনমজুর হাবিবের মতো মানুষের কাছে মুরগির এসব অংশ শুধু সস্তা খাবার নয়, পরিবারের পাতে আমিষ তুলে দেওয়ার একটি উপায়। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভর করে চলে তার সংসার। বাজারে মাংসের দাম বেশি হওয়ায় আস্ত মুরগি কেনার সামর্থ্য হয় না সবসময়। তাই কম দামের এসব অংশ কিনেই পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তিনি।



