দরিদ্র মানুষের পুষ্টিতেও মূল্যবৃদ্ধির থাবা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ October, ২০২৬

দরিদ্র মানুষের পুষ্টিতেও মূল্যবৃদ্ধির থাবা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ October, ২০২৬ |
দিনের আয় দিয়ে সংসারের খরচ মেটাতেই হিমশিম খেতে হয় হাবিবকে। চাল, ডাল, তেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কেনার পর মাংস বা মাছ কেনার সামর্থ্য থাকে না সবসময়। পরিবারের সদস্যদের পাতে একটু আমিষ তুলে দিতে তাই তার ভরসা ছিল মুরগির পা, মাথা, চামড়া আর গিলা-কলিজার মতো বিভিন্ন অংশ। অল্প টাকায় এসব কিনে কোনোভাবে খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করতেন তিনি। কিন্তু সেই খাবার কিনতেও এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। আগে যে মুরগির বিভিন্ন অংশের একটি সেট ৮০-১০০ টাকায় পাওয়া যেত, এখন তার দাম ১২০ টাকা। দাম বেড়েছে ডিমেরও। ফলে সীমিত আয়ে সংসার চালানো হাবিবের মতো মানুষের জন্য খাবারের জোগাড় করাই কঠিন, পুষ্টির চাহিদা

পূরণ করা আরও কঠিন। বরিশাল নগরীর বাংলা বাজারের দীপু পোলট্রি অ্যান্ড চিকস নামের একটি দোকানে মুরগির এসব অংশ কিনতে আসেন নিুআয়ের মানুষ। যাদের পক্ষে আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না, তাদের অনেকেই এখান থেকে সাধ্যের মধ্যে যা পারেন, তা কেনেন। কিন্তু মুরগির বিভিন্ন অংশের দাম বেড়ে যাওয়ায় তাদের সেই সামর্থ্যওে টান পড়েছে। দোকানটির মালিক মো. আরমান হোসেন প্রায় ১৫-১৬ বছর এ ব্যবসা করছেন। এর মধ্যে পাঁচ-ছয় বছর ধরে মুরগির বিভিন্ন অংশ বিক্রি করছেন তিনি। তার দোকানে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মুরগির একটি সেট। এতে থাকে পাঁচটি বা ছয়টি পা, কিছু চামড়া, একটি গিলা-কলিজা, দুটি বা তিনটি গলার হাড় ও একটি বা দুইটি

মাথা। আগে এই সেট ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। শুধু সেট নয়, বেড়েছে মুরগির অন্য অংশের দামও। বনলেস মাংসের জন্য মাংস কেটে নেওয়ার পর যে হাড় থাকে, তা বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৮০-১০০ টাকায়। শুধু মুরগির পাখনা ২৩০, লেগ পিস ২৭০, বনলেস মাংস ৩৩০, গিলা-কলিজা ১৮০, মাথা ৮০ ও চামড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। দোকানির ভাষ্য, আগে এসব অংশের দাম আরও কম ছিল। আরমান হোসেন বলেন, তার দোকানের এসব অংশের প্রধান ক্রেতা দিনমজুর, ভিক্ষুক ও মধ্যবিত্ত পরিবারের মানুষ। তাদের অনেকের পক্ষেই আস্ত মুরগি কেনা সম্ভব হয় না। তাই কম দামে মুরগির বিভিন্ন অংশ কিনে পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তারা। তিনি

বলেন, রেস্তোরাঁয় বনলেস মাংসের চাহিদা থাকলেও মুরগির গলার হাড়, চামড়া ও অন্য অংশ সাধারণত তারা নেয় না। ফলে এসব অংশ আলাদা করে বিক্রি করেন তারা। আগে কম দামে বিক্রি করা গেলেও এখন দাম বেড়েছে। এতে ক্রেতাদেরও আগের তুলনায় বেশি টাকা গুনতে হচ্ছে। দিনমজুর হাবিবের মতো মানুষের কাছে মুরগির এসব অংশ শুধু সস্তা খাবার নয়, পরিবারের পাতে আমিষ তুলে দেওয়ার একটি উপায়। দৈনিক আয়ের ওপর নির্ভর করে চলে তার সংসার। বাজারে মাংসের দাম বেশি হওয়ায় আস্ত মুরগি কেনার সামর্থ্য হয় না সবসময়। তাই কম দামের এসব অংশ কিনেই পরিবারের খাবারের চাহিদা মেটানোর চেষ্টা করেন তিনি।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
দরিদ্র মানুষের পুষ্টিতেও মূল্যবৃদ্ধির থাবা পশ্চিম তীরে বসতি স্থাপন বন্ধ ও প্রত্যাহারের আহ্বান চীনের এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে মধ্যরাতে ককটেল বিস্ফোরণ শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভে উত্তাল আর্জেন্টিনা নেতানিয়াহুকে বিশ্বাস করেন? জবাবে ট্রাম্পের কৌশলী উত্তর যুক্তরাষ্ট্রে স্কুলে বন্দুক হামলা, ৩ শিশুসহ নিহত ৫ পাকিস্তানের পাশে থাকার ঘোষণা দিলেন বিজেপি নেতা ‘বড় হয়ে ইহুদিদের গুলি করতে চাই’—ইয়াহিয়া সিনওয়ারের ১০ বছরের ছেলের চিঠি ৩ বিভাগে বৃষ্টির আভাস শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ থেকে টানা ১০ দিনের ছুটি শুরু ছুটির দিনে যেসব এলাকায় টানা ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না দুর্গোৎসব শুরু, আজ মহাষষ্ঠী শেষ ৬ মিনিটের রোমাঞ্চে রোমাকে হারিয়ে রিয়ালের নাটকীয় জয় ছয় গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে সিটিকে হারালো পিএসজি ধর্ম অবমাননার কথিত অভিযোগে হত্যার নেতৃত্বে ছিল জামায়াতের নেতাকর্মীরা, বাড়ি-হাসপাতালে দু’দফা মব হামলা বছরে ইসরায়েল থেকে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য আসছে বাংলাদেশে চার ম্যাচের নিষেধাজ্ঞায় ভিনিসিউস, টাইমিং নিয়ে ক্ষুব্ধ মরিনহো স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) তালিকা থেকে উত্তরণ: ৪০ দিন বাকি, সাধারণ পরিষদের রায়ের অপেক্ষায় বাংলাদেশ “তোমরা একা নও, এই দেশ তোমাদেরও”: দুর্গাপূজায় সংখ্যালঘুদের উদ্দেশে শেখ হাসিনার বার্তা; সম্প্রীতির ডাক পাকিস্তানে ট্রেনে নারী পর্যটকের মোজা-অন্তর্বাস শুঁকছে পুলিশ: “স্বাভাবিক কিনা?”, উঠেছে প্রশ্ন