ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
চাকরি বাঁচাতে নীতি-আদর্শ জলাঞ্জলি দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন: তোপ দাগলেন ড. মোমেন
প্রিজন ভ্যান থেকে সাবেক এমপি তুহিনের আকুতি: ‘অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি, ন্যায়বিচার চাই’
বঙ্গবন্ধুর ১০৬তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে গোপালগঞ্জে ইফতার বিতরণ: শেখ হাসিনার দ্রুত প্রত্যাবর্তনে দোয়া কামনা
বঙ্গবন্ধু ও বাঙালি জাতির অদম্য প্রতিরোধের মুখে ঢাকায় এসেছিলেন ইয়াহিয়া
সংস্কারের মুখোশে দমন: ইউনূস সরকারের তেলেসমাতি
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীই যখন নিরাপদ না, তখন সাধারণ মানুষের কথা কে ভাববে?
জ্বালানি সংকটে ভরসা রূপপুর: শেখ হাসিনার মেগা প্রজেক্টেই স্বস্তিতে দেশ
টোল ও ত্রাণের টাকার হিসাব চাইলেন তারেক রহমান, উপদেষ্টাদের বিদেশ যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন
বিভিন্ন সেতু থেকে টোল বাবদ বিপুল অর্থ আয় হওয়ার পরও ঋণের কিস্তি কেন পরিশোধ করা হচ্ছে না এবং বন্যার্তদের জন্য আসা বিদেশি অনুদান কেন ছাড় করা হয়নি—এসব বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আম জনতা দলের সদস্য সচিব তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণের সমালোচনা করে দাবি জানিয়েছেন, অন্তত এক বছর যেন তাঁরা দেশ ত্যাগ করতে না পারেন।
আজ এক ভিডিও বার্তায় তারেক রহমান এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘গণমাধ্যমে কোনো খবর পাচ্ছি না সরকার ঋণের কিস্তি দিয়েছে কি না। যদি না দিয়ে থাকে, তবে কেন দেয়নি? এখান থেকে তো হাজার হাজার কোটি টাকা টোল
উঠছে। বলা হচ্ছে তিন হাজার কোটি টাকা উঠেছে। তাহলে টাকাটা কোথায়? কেন ঋণগ্রস্ত অবস্থায় রাখা হলো?’ বন্যার সময় আসা বিদেশি অনুদান ও ত্রাণ তহবিলের অর্থ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই রাজনীতিক। তিনি বলেন, ‘বন্যার সময় ১০০ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান এসেছিল। এই টাকা বন্যা কবলিত মানুষ পেল না কেন? তাদের মনে ক্ষোভ। এই টাকা রেখে দিয়ে কী করতে চায়? সমন্বয়করা বা বেতনের টাকা কেটে যা নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো কোথায়?’ ভিডিও বার্তায় বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ভিসার আবেদনের বিষয়টি ‘ভালো লক্ষণ নয়’ বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট
নিচ্ছেন, বিদেশে ভিসার আবেদন করছেন। এগুলো আসলে ভালো লক্ষণ না। সময় শেষ হলে তারা এটা করতে পারতেন। কিন্তু এখনই তড়িঘড়ি করে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া সন্দেহের জন্ম দেয়।’ উপদেষ্টারা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা বছর এই উপদেষ্টারা যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পরে সুন্দর দেশের পরিবর্তে কী দেশ দিলেন, সেই হিসাব তো নিতে হবে। তারা যেন কেউ যেতে না পারেন, এটা সবাই মিলে দেখতে হবে।’
উঠছে। বলা হচ্ছে তিন হাজার কোটি টাকা উঠেছে। তাহলে টাকাটা কোথায়? কেন ঋণগ্রস্ত অবস্থায় রাখা হলো?’ বন্যার সময় আসা বিদেশি অনুদান ও ত্রাণ তহবিলের অর্থ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন এই রাজনীতিক। তিনি বলেন, ‘বন্যার সময় ১০০ কোটি টাকা বিদেশি অনুদান এসেছিল। এই টাকা বন্যা কবলিত মানুষ পেল না কেন? তাদের মনে ক্ষোভ। এই টাকা রেখে দিয়ে কী করতে চায়? সমন্বয়করা বা বেতনের টাকা কেটে যা নেওয়া হয়েছিল, সেগুলো কোথায়?’ ভিডিও বার্তায় বর্তমান সরকারের উপদেষ্টাদের কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ভিসার আবেদনের বিষয়টি ‘ভালো লক্ষণ নয়’ বলে মন্তব্য করেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘উপদেষ্টারা কূটনৈতিক পাসপোর্ট ত্যাগ করে সাধারণ পাসপোর্ট
নিচ্ছেন, বিদেশে ভিসার আবেদন করছেন। এগুলো আসলে ভালো লক্ষণ না। সময় শেষ হলে তারা এটা করতে পারতেন। কিন্তু এখনই তড়িঘড়ি করে আগে থেকে প্রস্তুতি নেওয়া সন্দেহের জন্ম দেয়।’ উপদেষ্টারা যাতে দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অন্তত একটা বছর এই উপদেষ্টারা যেন দেশ ছাড়তে না পারেন, সেই ব্যবস্থা করা উচিত। গণ-অভ্যুত্থানের পরে সুন্দর দেশের পরিবর্তে কী দেশ দিলেন, সেই হিসাব তো নিতে হবে। তারা যেন কেউ যেতে না পারেন, এটা সবাই মিলে দেখতে হবে।’



