ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
‘বাংলাদেশের গৌরবের প্রতিক ‘পদ্মাসেতু’ নিমার্ণের ফলে দেশের অর্থনৈতিতে বৈপ্লবিক ভুমিকা ও অবদান রাখছে।’
কূটনৈতিক অবরোধের পথে বাংলাদেশ, বিশ্বাস হারাচ্ছে বিশ্ব, বিপদে পড়ছে বাংলাদেশ
নৌকা বিহীন ব্যালট প্রবাসীর পায়ে হলো পদদলিত, এভাবেই মানুষ ভোট বর্জন করে অবৈধ নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করবে
রাজবন্দী বাগেরহাট সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ‘জুয়েল হাসান সাদ্দামের প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে লেখা চিঠির শেষ দুই লাইন
‘দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও জনপ্রিয় রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করে গণতান্ত্রিক বৈধতার দাবি করা যায় না। এটি সংস্কার নয়, এটি রূপান্তরের নামে কর্তৃত্ববাদ।’
এই নিষ্ঠুরতা ‘ফিক্সড ডিপোজিট’ হয়ে রইল কারাগারে বন্দী সাদ্দাম: স্ত্রী ও সন্তানের মুখ দেখা হলো না শেষবারের মতোও, মেলেনি প্যারোল
সুন্দরবনে অস্ত্রের মুখে ২০ জেলেকে অপহরণ করেছে জলদস্যুরা
‘জয় বাংলা’ জাতীয় স্লোগান হিসেবে রায় স্থগিত চায় সরকার
‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণার হাইকোর্টের রায় স্থগিত চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক। তিনি জানান, আবেদনটি আগামী রোববার (৮ ডিসেম্বর) শুনানির জন্য আপিল বিভাগের কার্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
২০১৭ সালে সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান ঘোষণা করার জন্য হাইকোর্টে রিট করেন। দীর্ঘ শুনানি শেষে ২০২০ সালে হাইকোর্ট ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে ঘোষণা দেন। ২০২২ সালে শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রিপরিষদ এই রায়কে অনুসরণ করে একটি সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করে, যেখানে ‘জয় বাংলা’কে রাষ্ট্রীয়ভাবে জাতীয় স্লোগান হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
রাষ্ট্রপক্ষ কেন হাইকোর্টের এই রায়
স্থগিত চেয়েছে, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আইনি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আবেদনটি হাইকোর্টের রায়ের যথার্থতা নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করবে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। স্লোগানটি নিয়ে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। সরকারি ও বিরোধী শিবির এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন সংগঠন রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের সমালোচনা করেছে। তারা দাবি করেছে, এই স্লোগানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী। অন্যদিকে, কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, স্লোগানের জাতীয় স্বীকৃতির বিষয়টি আইন ও রাজনৈতিক পটভূমিতে নতুন করে আলোচিত হবে। আবেদনের শুনানি এবং আপিল
বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে কিনা। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা এবং উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্থগিত চেয়েছে, তা নিয়ে আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আইনি বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আবেদনটি হাইকোর্টের রায়ের যথার্থতা নিয়ে নতুন বিতর্কের সূচনা করবে। ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি বাংলাদেশের জাতীয় ঐতিহ্য এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। স্লোগানটি নিয়ে রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল। সরকারি ও বিরোধী শিবির এ বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী বিভিন্ন সংগঠন রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের সমালোচনা করেছে। তারা দাবি করেছে, এই স্লোগানকে প্রশ্নবিদ্ধ করা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিরোধী। অন্যদিকে, কিছু রাজনৈতিক বিশ্লেষক মনে করেন, স্লোগানের জাতীয় স্বীকৃতির বিষয়টি আইন ও রাজনৈতিক পটভূমিতে নতুন করে আলোচিত হবে। আবেদনের শুনানি এবং আপিল
বিভাগের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় স্লোগান হিসেবে হাইকোর্টের রায় বহাল থাকবে কিনা। বিষয়টি নিয়ে দেশজুড়ে আলোচনা এবং উত্তেজনা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।



