গত জুলাইয়ে জনতার পাশে দাঁড়ানো সেনার এই জুলাইয়ে গোপালগঞ্জে জনতার ওপর বর্বরতা, নির্বিচার গুলি-হত্যা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০২৫
     ৭:৩৭ অপরাহ্ণ

আরও খবর

আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা

ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না

২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা

সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?”

লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ

বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা

জাতিসংঘ প্রতিনিধিদলের বাংলাদেশ সফর স্থগিত

গত জুলাইয়ে জনতার পাশে দাঁড়ানো সেনার এই জুলাইয়ে গোপালগঞ্জে জনতার ওপর বর্বরতা, নির্বিচার গুলি-হত্যা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৬ জুলাই, ২০২৫ | ৭:৩৭ 199 ভিউ
গোপালগঞ্জে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে স্থানীয় জনগণের উপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণের অভিযোগ উঠেছে, যা মিডিয়ার লাইভ কভারেজে স্পষ্টভাবে প্রকাশ পেয়েছে। এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জনের বেশি গুলিবিদ্ধ হয়ে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন, এবং পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। নিহতদের মধ্যে দীপ্ত নামে একজনের মৃত্যু নিশ্চিত হলেও বাকিদের পরিচয় নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনা সেনাবাহিনীর প্রতিশ্রুতির সাথে সাংঘর্ষিক, যেখানে তারা গত জুলাই-আগস্টে দাবি করেছিল যে তারা দেশের জনগণের উপর গুলি চালাবে না। স্থানীয় সূত্র ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে জানা গেছে, গোপালগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ‘জুলাই পদযাত্রা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা শুরু হয়। এই কর্মসূচি কে সফল করতে সেনাবাহিনী এপিসি (আর্মড পার্সোনেল ক্যারিয়ার)

থেকে গুলি চালায়, যার ফলে এনসিপির বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারী ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, সেনা সদস্যরা গুলিবিদ্ধ এক যুবককে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছেন এবং তার গলায় বুট দিয়ে চেপে ধরছেন, যা মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই ঘটনা স্থানীয় জনগণের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। স্থানীয়রা প্রশ্ন তুলছেন, “গোপালগঞ্জের মানুষ কি বাংলাদেশের নাগরিক নয়? সেনাবাহিনী যদি জনগণের উপর গুলি চালাতে পারে, তাহলে তাদের ‘জনগণের পাশে থাকার’ প্রতিশ্রুতি কোথায়?” অনেকে অভিযোগ করেছেন, দেশের প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ যারা আওয়ামী লীগের সমর্থক, তাদের বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে গণ্য না করার মানসিকতাই কি

এই নির্মমতার কারণ? গত জুলাই আগস্ট এ ছাত্র আন্দোলনের সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশনের প্রেসিডেন্ট ভলকার টুর্ক এক সাক্ষাতকারে বলেছিলেন, তিনি বাংলাদেশ সেনবাহিনীকে নিষেধ করেছিলেন জনগনের উপরে গুলি চালাতে। তাহলে কি সেনাবাহিনী দেশের মানুষের কথা বিবেচনা না করে জাতিসংঘের নির্দেশ মতো চলে? জনমানুষের উপর সেনাবাহিনীর নির্মমতা থামাতে হলে কি জাতিসংঘ-কে আবার ফোন দিতে হবে? সামাজিক মাধ্যমে পোস্টে দাবি করা হয়েছে, গোপালগঞ্জে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে, এবং পরিস্থিতি যেন “ভয় আর ষড়যন্ত্রের কারাগারে” পরিণত হয়েছে। এমনকি নারী ও শিশুদেরও গুলি থেকে রেহাই দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় সেনাবাহিনীর ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনা চলছে, এবং অনেকে এটিকে “রাষ্ট্রীয় হত্যাকাণ্ড” হিসেবে আখ্যায়িত করছেন। গোপালগঞ্জের

এই ঘটনা দেশের আইনের শাসন, সংবিধান এবং মানবতার প্রতি প্রশ্ন তুলেছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, সেনাবাহিনীর এই নৃশংসতার জবাবদিহি করতে হবে। তারা বলছেন, “আমরা আমাদের হিসাব বুঝে নেব।” এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিচারের দাবি জোরালো হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
টাকা কম পাওয়ায় ফের ডাকাতির হুমকি ডাকাত দলের ভবনমালিকের দায় দেখছেন মৃতের স্বজন ও এলাকাবাসী বিশ্বকাপে বাংলাদেশের সঙ্গে গ্রুপ বদল করবে না আয়ারল্যান্ড মাদুরোকে তুলে নেওয়ার কয়েক মাস আগে কাবেলোর সঙ্গে যোগাযোগ করে যুক্তরাষ্ট্র ভারত অধিনায়কের সঙ্গে হাত না মেলানোর ব্যাখ্যা দিল বিসিবি ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে রুমিন ফারহানার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ৭২ বয়সে আত্মজীবনী লিখলেন অঞ্জন দত্ত নতুন নামে বদলে যাবে পুরোনো জিমেইল উত্তরায় নিরাপত্তাকর্মীকে পিটিয়ে অস্ত্র ছিনতাই-অপহরণ এজাহারে নাম নেই তবু জাপা প্রার্থী টিপুর মুক্তি মিলছে না আওয়ামী লীগ ছাড়া নির্বাচন নয়, নামসর্বস্ব প্রহসন : আন্তর্জাতিক সতর্কতা ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে কি না, তার চেয়ে বড় কথা হলো সেই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু এবং অংশগ্রহণমূলক হবে কি না ২৬ জানুয়ারির আগে হাই অ্যালার্ট: দিল্লি সহ বড় শহরগুলিতে সন্ত্রাসী নাশকতার আশঙ্কা, গোয়েন্দাদের কড়া সতর্কতা সুন্দরবনের মধু থেকে হাইকোর্টের শীর্ষ স্থান: সেকালের ‘হানি ট্র্যাপ’ কি আজও বিচারীয় পটভূমিকে প্রশ্ন করছে?” লেফটেন্যান্ট জেনারেল কামরুল হাসান: সেনাবাহিনীর নৈতিকতার বড় প্রশ্নচিহ্ন ছাত্রশিবির করা কামরুল হাসানকে ঘিরে নারী কেলেঙ্কারি ও বিদেশী কূটনৈতিক লবিং এর অভিযোগ তাবলিগের ছদ্মবেশে দলে দলে পাকিস্তানি জঙ্গি ঢুকছে বাংলাদেশে বাংলাদেশ কি এখন পরাশক্তির দাবার বোর্ড? ড. ইউনূস সরকারের কূটনীতি না কি রাষ্ট্রীয় আত্মসমর্পণের নীলনকশা গ্যাস সংকটের পিছনে বিএনপি-জামাতের সিন্ডিকেট: কৃত্রিম অভাব তৈরি করে রাজনৈতিক লাভের খেলা রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ৪ নারীর মরদেহ উদ্ধার আফ্রিকায় টানা ভারী বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা, মৃত শতাধিক