খোলাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়েছে

ঈদকে সামনে রেখে খোলাবাজারে ডলারের চাহিদা বেড়ে গেছে। এ কারণে দামও কিছুটা বেড়েছে। এদিকে প্রবাসীরা আত্মীয়স্বজনের মাধ্যমে নগদ ডলার পাঠানোর কারণে বাজারে সেগুলোর সরবরাহও বেড়েছে। ব্যাংকের কাছে খোলাবাজারে ডলারের দাম বেশি হওয়ায় প্রবাসীদের পাঠানো নগদ ডলারের একটি অংশ কার্ব মার্কেটে চলে যাচ্ছে। ওইসব ডলার নানা মাধ্যমে পাচার হয়ে যাচ্ছে। এতে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।
বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে নগদ ডলার বিক্রি হচ্ছে সর্বোচ্চ ১২২ থেকে ১২৩ টাকায়। ব্যাংকগুলো নগদ ডলার কিনছে সর্বোচ্চ ১২০ থেকে ১২১ টাকা ৫০ পয়সা দরে। প্রবাসীরা ব্যাংকে নগদ ডলার বিক্রি করলে ওই দাম পাচ্ছেন।
এদিকে কার্ব মার্কেটে প্রতি ডলার কেনা হচ্ছে ১২২ টাকা ৫০ পয়সা থেকে ১২৩ টাকা দরে। ফলে
খোলাবাজারে ডলার বিক্রি করলে প্রতি ডলারে প্রায় দেড় টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এতে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তারপরও প্রবাসীদের একটি অংশ বাড়তি টাকার আশায় খোলাবাজারে নগদ ডলার বিক্রি করে দিচ্ছেন। খোলাবাজারের ব্যবসায়ীরা ওইসব ডলার বিক্রি করছেন সর্বোচ্চ ১২৪ থেকে ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। এক সপ্তাহ আগে খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয় ১২৩ টাকা দরে। ব্যাংকে বেশ কিছুদিন ধরেই নগদ ডলার ১২২ থেকে ১২৩ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খোলাবাজারে ডলারের দাম ১৩৩ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ডলারের সরবরাহ বাড়ায় এখন দাম অনেকটা কমেছে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে বিদেশ ভ্রমণের কারণেই মূলত ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ফলে দামও বেড়েছে।
কারণ ব্যাংকে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ডলার দেওয়া হচ্ছে খুবই কম। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধের প্রবণতাও বেড়েছে। যার বড় অংশই সম্পাদিত হচ্ছে হুন্ডির মাধ্যমে। এ ছাড়া চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশই যাচ্ছে হুন্ডির মাধ্যমে। এদিকে হজ উপলক্ষ্যে বাজারে সৌদি মুদ্রা রিয়ালের চাহিদা বেশ বেড়েছে। এবার হজে যাওয়ার জন্য সৌদি সরকারের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তাতে খরচ বহন সৌদি মুদ্রা রিয়ালে করা যাবে। আগে ডলারে করা হতো। এতে খরচ বেশি হতো। রিয়ালে হওয়ায় খরচ কম পড়বে। এ কারণে রিয়ালের চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রতি রিয়ালের দাম ছিল ৩১ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৮২
পয়সায়। এক মাসের ব্যবধানে রিয়ালের দাম বেড়েছে ৯২ পয়সা।
খোলাবাজারে ডলার বিক্রি করলে প্রতি ডলারে প্রায় দেড় টাকা বেশি পাচ্ছেন। তবে এতে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। তারপরও প্রবাসীদের একটি অংশ বাড়তি টাকার আশায় খোলাবাজারে নগদ ডলার বিক্রি করে দিচ্ছেন। খোলাবাজারের ব্যবসায়ীরা ওইসব ডলার বিক্রি করছেন সর্বোচ্চ ১২৪ থেকে ১২৪ টাকা ৫০ পয়সা দরে। এক সপ্তাহ আগে খোলাবাজারে প্রতি ডলার বিক্রি হয় ১২৩ টাকা দরে। ব্যাংকে বেশ কিছুদিন ধরেই নগদ ডলার ১২২ থেকে ১২৩ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এর আগে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে খোলাবাজারে ডলারের দাম ১৩৩ টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল। ডলারের সরবরাহ বাড়ায় এখন দাম অনেকটা কমেছে। আসন্ন ঈদ উপলক্ষ্যে বিদেশ ভ্রমণের কারণেই মূলত ডলারের চাহিদা বেড়েছে। ফলে দামও বেড়েছে।
কারণ ব্যাংকে বিদেশ ভ্রমণের জন্য ডলার দেওয়া হচ্ছে খুবই কম। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি পরিশোধের প্রবণতাও বেড়েছে। যার বড় অংশই সম্পাদিত হচ্ছে হুন্ডির মাধ্যমে। এ ছাড়া চিকিৎসা ব্যয়ের বড় অংশই যাচ্ছে হুন্ডির মাধ্যমে। এদিকে হজ উপলক্ষ্যে বাজারে সৌদি মুদ্রা রিয়ালের চাহিদা বেশ বেড়েছে। এবার হজে যাওয়ার জন্য সৌদি সরকারের সঙ্গে যে চুক্তি হয়েছে তাতে খরচ বহন সৌদি মুদ্রা রিয়ালে করা যাবে। আগে ডলারে করা হতো। এতে খরচ বেশি হতো। রিয়ালে হওয়ায় খরচ কম পড়বে। এ কারণে রিয়ালের চাহিদা বাড়ায় দামও বেড়েছে। গত ২৬ ফেব্রুয়ারি প্রতি রিয়ালের দাম ছিল ৩১ টাকা ৯০ পয়সা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩২ টাকা ৮২
পয়সায়। এক মাসের ব্যবধানে রিয়ালের দাম বেড়েছে ৯২ পয়সা।