কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফিরল ৮ হাজার কোটি টাকা – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১০ September, ২০২৪

কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফিরল ৮ হাজার কোটি টাকা

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১০ September, ২০২৪ |
ছাত্র-জনতার আন্দোলন ও সরকার পতনের পর মানুষের হাতে টাকা রাখার প্রবণতা বেড়েছিল। প্রচুর অর্থ চলে যায় ব্যাংকের বাইরে। এখন যেন আবার আস্থা ফিরতে শুরু করেছে। অনেক ব্যাংকের ভল্টে টাকা রাখার জায়গা না থাকায় তা জমা হচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১৮ দিনে শুধু কেন্দ্রীয় ব্যাংকে বিভিন্ন ব্যাংক নিট প্রায় ৮ হাজার কোটি টাকা জমা দিয়েছে। অবশ্য সব ব্যাংকের অবস্থা ভালো, তা নয়। টাকার অভাবে অনেক ব্যাংক চাহিদা মতো আমানত ফেরত দিতে পারছে না বলে জানা গেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ‘নোটস ইন সার্কুলেশন’ বা প্রচলনে থাকা টাকার পরিমাণ কমে ৩ লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকায় নেমেছে।

সরকার পতনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের টাকার পরিমাণ বাড়তে বাড়তে গত ১৮ আগস্ট ৩ লাখ ২২ হাজার ২৭১ কোটি টাকায় উঠেছিল। এর মানে শেষ ১৮ দিনে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ফিরেছে নিট ৭ হাজার ৬৮৮ কোটি টাকা। এর আগে সরকার পতনের পরদিন গত ৬ আগস্ট কারেন্সি ইন সার্কুলেশন ছিল ৩ লাখ ১৫ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা। সেখান থেকে ১২ দিনে বেড়েছিল ৬ হাজার ৭৩১ কোটি টাকা। এখন প্রতিদিন কমতে কমতে ৬ আগস্টের চেয়েও কমেছে। জানতে চাইলে মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ মাহবুবুর রহমান বলেন, মানুষের আস্থা বাড়ার কারণে ব্যাংকে টাকা ফিরতে শুরু করেছে। এটি একটি ভালো লক্ষণ। আগামীতে এই আস্থা ধরে রাখতে

হবে। তিনি বলেন, একটা সমস্যা হলো, কিছু ব্যাংকে আমানত সেভাবে বাড়ছে না। তবে বাংলাদেশ ব্যাংক এরই মধ্যে আমানত বীমা তহবিল থেকে ১ লাখ টাকার পরিবর্তে ২ লাখ টাকা দেওয়ার কথা জানিয়েছে। গভর্নর জানিয়েছেন, এতে মোট আমানতকারীর প্রায় ৯৫ শতাংশ বীমার আওতায় এসেছে। কোনো ব্যাংক দেউলিয়া হবে না। এসব মানুষের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে। সব ব্যাংকে আমানত বাড়বে বলে তিনি মনে করেন। সংশ্লিষ্টরা জানান, কয়েক বছর ধরেই ব্যাংক খাতের দুরবস্থার বিষয়টি আলোচনায় ছিল। বিভিন্নভাবে জোড়াতালি দিয়ে চলছিল ব্যাংক খাত। গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে একের পর এক ব্যবস্থা নিচ্ছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এরই মধ্যে ১০ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ

ভেঙে পুনর্গঠন করা হয়েছে। বেনামি ঋণ চিহ্নিত করতে এসব ব্যাংক থেকে কে কত টাকা নিয়েছে, তা বের করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণের বিপরীতে জামানত, সম্পদ বিক্রি করে আমানতকারীর অর্থ ফেরতের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আর্থিক খাতের অনিয়ম তুলে ধরতে একটি শ্বেতপত্র প্রণয়নে কমিটি ও একাধিক টাস্কফোর্স গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এসব উদ্যোগের কারণে ব্যাংকের প্রতি মানুষের আস্থা ফিরতে শুরু করতে পারে। সংশ্লিষ্টরা জানান, আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে যে ১০ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেওয়া হয়েছে, এদের সবার অবস্থা খুব খারাপ তেমন নয়। এদের মধ্যে কারও কারও আমানতকারীর অর্থ ফেরত দিতে কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমানতকারীর চাহিদা মতো টাকা

ফেরত দিতে না পারার তালিকায় রয়েছে– এত দিন এস আলমের নিয়ন্ত্রণে থাকা ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী, সোশ্যাল ইসলামী, ইউনিয়ন, গ্লোবাল ইসলামী ও বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক। এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত হওয়া ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ এরই মধ্যে ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করেছে। খারাপ অবস্থা কাটাতে এক্সিম ব্যাংককে ১ হাজার কোটি টাকার বিশেষ ধার দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ছাড়া আইএফআইসি, ইউসিবি ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদ পুনর্গঠন হলেও এসব ব্যাংকের খুব নাজুক অবস্থার কথা শোনা যায়নি। অনেক আগ থেকে পদ্মা ও আইসিবি ইসলামিক ব্যাংক নাজুক অবস্থায় রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রতিটি ব্যাংক শাখায় ভল্টের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারিত আছে। সীমার বেশি টাকা এলেই তা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বা সোনালী

ব্যাংকের চেস্ট শাখায় জমা করতে হয়। গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠিত হয়। এর পর ১৮ আগস্ট থেকে দৈনিক গড়ে ৫০০ কোটি টাকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভল্টে ফিরছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
শ্রমিক আন্দোলনে ফ্যাসিস্টদের অনুপ্রবেশের দায় সরকারের: নাহিদ ইসলাম পিএসজি-রিয়ালের চেয়ে পিছিয়ে নেই বার্সেলোনা, দাবি গর্ডনের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালকেও ছাড়াল উয়েফার চাপে বিশ্বকাপ বিক্রি সংক্রান্ত নথি প্রকাশে রাজি ফিফা ইউরোপের বিভিন্ন সুপারমার্কেটের ফ্রিজে সাইবার হামলা নিউজিল্যান্ডের শিক্ষার্থী ভিসায় আনল চারটি পরিবর্তন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইরানের কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা ২ নভেম্বর (সোমবার) বিকেল ৫টায় ঢাকা জেলার কেরানীগঞ্জে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা তেঘরিয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর এলাকায় কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের তত্ত্বাবধানে অবৈধ স্ট্যান্ড, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত করার অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড সরিয়ে সড়ক ও ফুটপাতকে পরিষ্কার করা হয়। বিজ্ঞাপন ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা যায়, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে গড়ে ওঠা দুই শতাধিক অবৈধ দোকানপাট এবং অবৈধ অটোরিকশা স্ট্যান্ড উচ্ছেদ করা হয়েছে। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে যানবাহনের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পথচারীদের নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় পথচারীরা জানান যে, আব্দুল্লাহপুর এলাকায় সড়ক ও ফুটপাত দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা দোকানপাটের কারণে দীর্ঘদিন ধরে চলাচলে বাধা ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি ছিল। ফুটপাত দখল থাকায় তারা বাধ্য হয়ে সড়ক দিয়ে চলতে হতো, যা যানজট বাড়িয়ে দিত। সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত হওয়ায় তারা উপজেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন এবং এই সুফল বজায় রাখতে নিয়মিত তদারকি ও অভিযান চালিয়ে যাওয়ার দাবি জানিয়েছেন। কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুক বলেন, যানজট কমানো এবং পথচারীদের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সড়ক ও ফুটপাত দখলমুক্ত করা জরুরি এবং কোনো ধরনের জনদুর্ভোগ মেনে নেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের চলাচলের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করলে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা গাজীপুরে শ্রমিক আন্দোলনের জেরে ট্রাইব্যুনালে কার্যক্রম বন্ধ মিরপুরে পুলিশের গাড়ি পোড়ানোর ভিডিও পাঠিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ দলীয় সমর্থন হারানোর দিনই আল-সাইয়েদের তহবিলে রেকর্ড অর্থ আসামের ধুবড়িতে উচ্ছেদ অভিযানে ৪ হাজার বাঙালি মুসলমান গৃহহীন মধ্যবর্তী নির্বাচনে জয়ের জোর চেষ্টা চলছে: ট্রাম্প বৃহত্তর জাতীয় সরকার গঠনের আহ্বান নেতানিয়াহুর, আজ বৈঠকে বিরোধীরা বসছেন ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি-এডহক কমিটি বাতিলের সিদ্ধান্ত স্থগিত তাহসিফ সাউরি মৃত্যু: রিমান্ডে থাকা দীপ ও তরুণীকে মুখোমুখি জিজ্ঞাসাবাদ সরকার শ্রমিক আন্দোলনে বহিরাগত ইন্ধন নিয়ে সতর্কবার্তা নোয়াখালীতে নতুন কূপে গ্যাসের সন্ধান, মজুত জানতে অপেক্ষা ভারতেই শেখ হাসিনার মৃত্যু কামনা করা আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক ক্রিস্টিন ফেয়ার কে?