ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
তরুণ প্রজন্মের নেতৃত্ব নির্বাচনের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সমুন্নত রেখে, তারপরেই আমি অবসর নেব – দৃপ্ত শপথ শেখ হাসিনা’র
হারাম পণ্যে আরোপিত হালাল ট্যাক্স — উচ্চাভিলাষী বাজেটে রাজস্ব আদায়ে মরিয়া সরকার
ধর্ষণের শিকার নারীরা কেন নীরব থাকেন?
“বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন ও আশা- আকাঙ্ক্ষা যেভাবে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে” – দ্যা ডিপ্লোম্যাট
বাজেটে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন নিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ
দেশে নিবন্ধিত মোবাইল সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ
শর্ত মানলে স্থানীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আ.লীগের নেতাকর্মীরা
কক্সবাজার সৈকতের অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের বালিয়াড়িতে সম্প্রতি স্থাপিত অবৈধ দোকান উচ্ছেদ ও লাইসেন্স বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ভূমি মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে
মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের জীববৈচিত্র্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি সাধন করে আইন ও বিধি-বর্হিভূতভাবে এসব দোকানের লাইসেন্স প্রদান করা হয়েছে। বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ এবং প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ব্যবস্থাপনা বিধিমালা, ২০১৬ অনুযায়ী ইসিএ এলাকায় স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকারক কোনো স্থাপনা স্থাপন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
এতে আরও বলা হয়, পরিবেশ অধিদপ্তরের অনুমোদন ব্যতিরেকে ভবিষ্যতে এ
ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।
ধরনের কোনো কার্যক্রম না করার জন্যও সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে। সরকার ১৯৯৯ সালের ১৯ এপ্রিল কক্সবাজার-টেকনাফ সমুদ্রসৈকতকে প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা ঘোষণা করে। তদুপরি, মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিমকোর্টও বিভিন্ন সময়ে সৈকতে স্থাপনা নির্মাণের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করেছেন।



