ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
যে কারণে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলা
আফগানিস্তান-পাকিস্তানের ওপর নজর রাখছেন জাতিসংঘ মহাসচিব
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সংঘাত নিয়ে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিক্রিয়া
ব্রাজিলে বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ২০ জন নিহত
চীনা বিমানবাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়ায় মার্কিন যুদ্ধবিমানের সাবেক পাইলট গ্রেপ্তার
আবারও কিউবায় ভেনেজুয়েলার তেল বিক্রির অনুমোদন দিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
চীনে বসন্ত উৎসবের ৯ দিনের আয় ৫৭৫ কোটি ইউয়ান
ইন্দোনেশিয়ায় স্বর্ণের খনিতে ভূমিধসে হতাহত ৪, নিখোঁজ ১৯
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ পাপুয়ায় প্রবল বৃষ্টিপাতের ফলে সৃষ্ট ভূমিধসে একটি স্বর্ণের খনি ক্ষতির মুখে পড়েছে। এতে অন্তত একজন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন। এছাড়া ১৯ জন খনিশ্রমিক নিখোঁজ হয়েছেন। রোববারের এ ঘটনায় শুরু হওয়া উদ্ধার অভিযান এখনো অব্যাহত রয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থার (বিএনপিবি) মুখপাত্র আব্দুল মুহারি জানান, পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশের আরফাক পর্বতাঞ্চলে স্থানীয়দের পরিচালিত একটি ছোট আকারের খনিতে শুক্রবার রাতে ভূমিধস ঘটে। এতে অস্থায়ী আশ্রয়কেন্দ্র ধসে পড়ে, যেখানে খনি শ্রমিকরা অবস্থান করছিলেন।
তিনি বলেন, এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ জন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন ১৯ জন, যাদের সন্ধানে সেনাবাহিনী ও পুলিশের
অন্তত ৪০ সদস্যের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে। এদিকে স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের প্রধান ইয়েফরি সাবারুদ্দিন জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, খারাপ আবহাওয়া ও কঠিন ভূপ্রকৃতি উদ্ধারকাজে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করেছে। ‘ভবিষ্যতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ায় মূলত ছোট পরিসরের এবং অবৈধ খনিগুলোতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কারণ খনিগুলোর অবস্থান সাধারণত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেগুলোর কার্যক্রম তদারক করা দুরূহ। যেমন- গত বছরের সেপ্টেম্বরে পশ্চিম সুমাত্রায় একটি অবৈধ খনিতে ভূমিধসে ১৫ জন প্রাণ হারান। একই বছরের জুলাইয়ে সুলাওয়েসি দ্বীপের একটি স্বর্ণের খনিতে ভূমিধসে ২৩ জন নিহত হন। অর্থাৎ এ ধরণের
দুর্ঘটনা ইন্দোনেশিয়ার খনি খাতের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। সরকারকে এ বিষয়ে আরও কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকেও সহায়তা চাওয়ার আহ্বান উঠেছে। সূত্র: মেহের নিউজ
অন্তত ৪০ সদস্যের উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালাচ্ছে। এদিকে স্থানীয় উদ্ধারকারী দলের প্রধান ইয়েফরি সাবারুদ্দিন জানান, দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল হওয়ায় উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে প্রায় ১২ ঘণ্টা সময় লাগে। ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক, খারাপ আবহাওয়া ও কঠিন ভূপ্রকৃতি উদ্ধারকাজে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করেছে। ‘ভবিষ্যতে হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে’ বলেও উল্লেখ করেন তিনি। ইন্দোনেশিয়ায় মূলত ছোট পরিসরের এবং অবৈধ খনিগুলোতে প্রায়ই এ ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। কারণ খনিগুলোর অবস্থান সাধারণত দুর্গম এলাকায় হওয়ায় সেগুলোর কার্যক্রম তদারক করা দুরূহ। যেমন- গত বছরের সেপ্টেম্বরে পশ্চিম সুমাত্রায় একটি অবৈধ খনিতে ভূমিধসে ১৫ জন প্রাণ হারান। একই বছরের জুলাইয়ে সুলাওয়েসি দ্বীপের একটি স্বর্ণের খনিতে ভূমিধসে ২৩ জন নিহত হন। অর্থাৎ এ ধরণের
দুর্ঘটনা ইন্দোনেশিয়ার খনি খাতের নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনার দুর্বলতাকে ফের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে। সরকারকে এ বিষয়ে আরও কড়া নজরদারি ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি তুলছেন বিশেষজ্ঞরা। এদিকে নিখোঁজদের উদ্ধারে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো থেকেও সহায়তা চাওয়ার আহ্বান উঠেছে। সূত্র: মেহের নিউজ



