ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
ইউনুসের সংস্কারনামা : টাকা দিলেই ‘আওয়ামী’ বানিয়ে জেলে পাঠানো যায় এখন
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের উপর বিএনপি-জামায়াত সন্ত্রাসীদের নির্বিচারে হামলা চলমান; হাত পা ভেঙে দিলেও ভুক্তভোগীর মামলা নেয়নি পুলিশ, পরিবার নিয়ে ফেসবুক লাইভে বাঁচার আকুতি
ক্যাঙ্গারু কোর্টের আরেকটা প্রহসনমূলক রায়ের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের বিবৃতি
যে দেশে মৃত্যু সস্তা, জামিন অতি দুর্লভ : ইউনূসের দেড় বছর, কত পরিবার শেষ?
নির্বাচনে অস্ত্রই বিএনপির আসল ভাষা! নির্বাচনের আগেই সোনারগাঁয়ে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুতের আলোচনা ফাঁস।
টাকা নেই, ভবিষ্যৎ নেই, তবু বেতন বাড়বে দ্বিগুণ : ইউনুসের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখার নগ্য প্রচেষ্টা
গত দেড় বছরে সংস্কারের গল্প বলে বলে দেশের ২০০ বিলিয়ন ডলার নাই করে দিয়েছে লোভী ও দুর্নীতিবাজ ইউনুস। দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে ইউনুস ও তার সহযোগী বিএনপি-জামাত৷
অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ ২ বছর বা তারও কম চান ৫৩ শতাংশ ভোটার
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদ দুই বছর বা তারও কম সময় হওয়া উচিত বলে মনে করেন বাংলাদেশের ৫৩ শতাংশ ভোটার৷
বেসরকারি নর্থসাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (এনএসইউ) সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্স (এসআইপিজি) পরিচালিত এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে। বুধবার (২ অক্টোবর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘জাতীয় জরিপ ২০২৪: বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে নাগরিকদের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এ জরিপের ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে।
Ad
অনুষ্ঠানে জরিপ সম্পর্কে বলা হয়, গত ৯ থেকে ২৯ সেপ্টেম্বর দেশের আটটি বিভাগের ১৭টি জেলায় মোট ১৮৬৯ জনের ওপর এই জরিপ চালানো হয়৷ এটি জুলাই অভ্যুত্থান পরবর্তী সর্বপ্রথম সরাসরি পরিচালিত একটি জাতীয় প্রতিনিধিত্বমূলক জরিপ৷
এই জরিপে উত্তরদাতাদের বৃহত্তম অংশ (৬৩ শতাংশ) মধ্যবয়সী, যাদের
বয়স ২৮ থেকে ৫০ বছর৷ ২২ শতাংশ জেনারেশ জেড (১৮-২৭) বছর এবং ১৪ শতাংশের বয়স ৫০ বছরের উপরে৷ এছাড়া জরিপের উত্তরদাতাদের ৫৪ শতাংশ শহরাঞ্চল এবং ৪৬ শতাংশ গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা৷ জরিপের ফলাফল তুলে ধরে বলা হয়, উত্তরদাদাদের প্রায় ৫৩ শতাংশ মনে করেন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ দুই বছর বা তার কম হওয়া উচিত৷ অন্যদিকে, ৪৭ শতাংশ ভোটার মনে করেন এই সরকার তিন বছর বা তার বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে হবে৷ এছাড়া উত্তরদাতাদের ৪৬ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে অনিশ্চিত আর ৫৪ শতাংশ মূলধারার রাজনীতিতে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে৷ এছাড়া ৯৬ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করাকে সমর্থন করেছেন৷ জরিপে উত্তরদাতাদের ৪৬ শতাংশ মনে
করেন, সংবিধানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন৷ সংবিধানে ছোটখাটো সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করেন ৩৫ শতাংশ। ১৬ শতাংশ সম্পূর্ণ নতুন সংবিধানের পক্ষে তাদের মত দিয়েছেন৷ বাকি ৩ শতাংশ সংবিধানে পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন। জরিপে আরও জানা যায়, নাগরিকরা অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তাদের বন্যা ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশ, শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের ওপরও নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সচিব ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একটা বিষয় সুস্পষ্টভাবে মানুষের উপলব্ধিতে ছিল সেটি হলো বিচার৷ যারা এত
বছর ধরে সব অন্যায় করেছে, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, যারা ফৌজদারি অপরাধ করেছে, আর্থিক অপরাধ করেছে, নির্বাচনী অপরাধ করেছে, তাদের বিচারের কথা অনেকে সুস্পষ্টভাবে বলছেন৷ তিনি বলেন, মানুষ নির্বাচনী সংস্কার চায়, যেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ এটি গুরুত্বপূর্ণ৷ আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এটিকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এসময় এসআইপিজির উপদেষ্টা অধ্যাপক সালাহউদ্দিন এম. আমিনুজ্জামানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন৷
বয়স ২৮ থেকে ৫০ বছর৷ ২২ শতাংশ জেনারেশ জেড (১৮-২৭) বছর এবং ১৪ শতাংশের বয়স ৫০ বছরের উপরে৷ এছাড়া জরিপের উত্তরদাতাদের ৫৪ শতাংশ শহরাঞ্চল এবং ৪৬ শতাংশ গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দা৷ জরিপের ফলাফল তুলে ধরে বলা হয়, উত্তরদাদাদের প্রায় ৫৩ শতাংশ মনে করেন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ দুই বছর বা তার কম হওয়া উচিত৷ অন্যদিকে, ৪৭ শতাংশ ভোটার মনে করেন এই সরকার তিন বছর বা তার বেশি সময় ক্ষমতায় থাকতে হবে৷ এছাড়া উত্তরদাতাদের ৪৬ শতাংশ রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ততার বিষয়ে অনিশ্চিত আর ৫৪ শতাংশ মূলধারার রাজনীতিতে তাদের আগ্রহ প্রকাশ করেছে৷ এছাড়া ৯৬ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদ সীমিত করাকে সমর্থন করেছেন৷ জরিপে উত্তরদাতাদের ৪৬ শতাংশ মনে
করেন, সংবিধানের উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন প্রয়োজন৷ সংবিধানে ছোটখাটো সংস্কার প্রয়োজন বলে মনে করেন ৩৫ শতাংশ। ১৬ শতাংশ সম্পূর্ণ নতুন সংবিধানের পক্ষে তাদের মত দিয়েছেন৷ বাকি ৩ শতাংশ সংবিধানে পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই বলে মনে করেন। জরিপে আরও জানা যায়, নাগরিকরা অন্তর্বর্তী সরকারের বর্তমান অবস্থা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে তাদের বন্যা ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করেছেন। বাংলাদেশ পুলিশ, শিক্ষা ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এবং নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কারের ওপরও নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পেয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে নির্বাচনী ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সচিব ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, একটা বিষয় সুস্পষ্টভাবে মানুষের উপলব্ধিতে ছিল সেটি হলো বিচার৷ যারা এত
বছর ধরে সব অন্যায় করেছে, যারা মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছে, যারা ফৌজদারি অপরাধ করেছে, আর্থিক অপরাধ করেছে, নির্বাচনী অপরাধ করেছে, তাদের বিচারের কথা অনেকে সুস্পষ্টভাবে বলছেন৷ তিনি বলেন, মানুষ নির্বাচনী সংস্কার চায়, যেন একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়৷ এটি গুরুত্বপূর্ণ৷ আমাদের নির্বাচনী ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। এটিকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে৷ এসময় এসআইপিজির উপদেষ্টা অধ্যাপক সালাহউদ্দিন এম. আমিনুজ্জামানসহ অনেকে উপস্থিত ছিলেন৷



