সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আইএমএফ – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
     ১০:৩১ অপরাহ্ণ

সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আইএমএফ

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ | ১০:৩১ 149 ভিউ
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নেওয়া সংস্কার কার্যক্রমে সহায়তা করবে আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (আইএমএফ)। এ লক্ষ্যে আইএমএফের একটি প্রতিনিধি দল চলতি মাসের শেষ দিকে ঢাকায় আসবে। তারা অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সংস্কার কার্যক্রমে সম্ভাব্য অর্থায়নে প্রয়োজনীয়তাগুলো মূল্যায়ন করবে। যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটনে আইএমএফ সদর দপ্তরে স্থানীয় সময় শুক্রবার সকালে অনুষ্ঠিত এক অনলাইন ব্রিফিংয়ে সংস্থাটির যোগাযোগ বিভাগের পরিচালক জুলি কোজ্যাক এসব কথা বলেন। শ্রীলংকার বিষয়ে একজন সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে তিনি বাংলাদেশ প্রসঙ্গটি টেনে আনেন। গত জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার ব্যাপক প্রাণহানির প্রসঙ্গে টেনে আইএমএফের যোগাযোগ পরিচালক জুলি কোজ্যাক বলেন, ‘সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় বাংলাদেশের প্রাণহানি ও আহত হওয়ার কারণে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। এটা খুবই পীড়াদায়ক, জীবনের

সেই ক্ষয়ক্ষতির কথা শুনে খুব কষ্ট হচ্ছিল।’ আইএমএফের পক্ষ থেকে বলা হয়, সংস্থাটি অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে আইএমএফের একটি মিশন চলতি মাসের শেষের দিকে বাংলাদেশে যাবে। প্রতিনিধিদলটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং মিশনের জন্য কাজ করে আসবে। সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ সফর করবে এবং স্টাফ সফর সম্পর্কে আরও বিশদ যথাসময়ে জানানো হবে। তিনি আরও বলেন, তারা বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করতে এবং আইএমএফ প্রোগ্রামের প্রেক্ষাপটে জনগণের সমর্থনে সম্পূর্ণভাবে প্রতিশ্র“তিবদ্ধ। তারা সংস্কার এজেন্ডাকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করার জন্য বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাবে। আসন্ন মিশনের অংশ হিসাবে প্রতিনিধিদলটি সব অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং সম্ভাব্য অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তাগুলো মূল্যায়ন

করবে। এদিকে আইএমএফের সঙ্গে বাংলাদেশের ৪৭০ কোটি ডলারের একটি ঋণচুক্তি বর্তমানে চলমান রয়েছে। ২০২৬ সালে এ চুক্তির আওতায় ঋণের শেষ কিস্তির অর্থ বাংলাদেশের পাওয়ার কথা রয়েছে। গত জুনে ঋণের তৃতীয় কিস্তি বাবদ ১১৫ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। চতুর্থ কিস্তির অর্থ আগামী ডিসেম্বরে পাওয়ার কথা রয়েছে। সংকট মোকাবিলা করতে আইএমএফ থেকে সরকার ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ নিলেও রিজার্ভ ও ডলার সংকট এখনও কাটেনি। যে কারণে আমদানি পরিস্থিতি ও ডলার বাজার এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বৈদেশিক বকেয়া ঋণও শোধ করা যাচ্ছে না। এ প্রেক্ষাপটে নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় এসে আইএমএফের কাছে আরও অতিরিক্ত ৩০০ কোটি ডলার ঋণ সহায়তা চেয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশ থেকে আইএমএফের

কাছে চিঠি দেওয়ার পর আইএমএফ ইতিবাচক সাড়া দিয়েছে। বাড়তি ঋণ ছাড়ের শর্ত হিসাবে আরোপিত এলসি মার্জিন প্রত্যাহার করার কথা বলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক সম্প্রতি গুটিকয়েক পণ্য ছাড়া বাকি সব পণ্য আমদানির এলসি খোলার ক্ষেত্রে আরোপিত মার্জিন প্রত্যাহার করে নিয়েছে। একই সঙ্গে আইএমএফের শর্তে মুদ্রানীতিকে আরও সংকোচনমুখী করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের দেয়া বিভিন্ন দেশের উদাহরণ কতোটা সত্য? কেন্দ্রে কেন্দ্রে আনসার-পুলিশ মুখোমুখি: ‘শিবির ট্রেনিংপ্রাপ্ত’ ক্যাডারদের আনসার বাহিনীতে ঢুকে পড়ার অভিযোগ স্প্যানিশ এজেন্সিয়া ইএফইকে সাক্ষাৎকারে শেখ হাসিনা: আমি কাউকে হত্যার নির্দেশ দিইনি ঢাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রের সংখ্যা ১৪০০, ভোটদান নিয়ে শঙ্কায় ভোটাররা মূল্যস্ফীতি ও বিনিয়োগ খরাসহ বিবিধ সংকটে স্থবির ব্যবসা-বাণিজ্য, চরম উদ্বেগে উদ্যোক্তারা ডাবল সুপার ওভারের অবিশ্বাস্য রোমাঞ্চে আফগানিস্তানকে হারাল দক্ষিণ আফ্রিকা মতামত || উভলিঙ্গ নির্বাচন ভোট জালিয়াতির সব আয়োজন সম্পন্ন, এবার ভোটকেন্দ্র নিষিদ্ধ মোবাইলফোন ‘নিরীহ উপদেষ্টারা’ কেন আতঙ্কে? আশিক চৌধুরীর ফোপর দালালি আর বাস্তবতার নির্মম ফারাক শেষবেলা ইউনূসের হরিলুট, একের পর এক দেশবিক্রির চুক্তি ⁨নিজের দেশে ভোট কাভার করতে পারে না, আর বাংলাদেশে এসে অবৈধ নির্বাচন বৈধ করার নাটক ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটকে কেন্দ্র করে টঙ্গীতে বিএনপির কাছে গণতন্ত্র মানেই সন্ত্রাস ভোটের নামে মব, নির্বাচনের নামে নৈরাজ্য ⁨প্রচারণা চালানোর সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে বিএনপির হামলার শিকার ইনসানিয়াত বিপ্লবের প্রার্থী; নির্বাচনের নামে মৎস্যন্যায়ের সাক্ষী হলো গোটা দেশ! ভোট দিতে না যাওয়াও আপনার আমার গণতান্ত্রিক অধিকার জামায়াতে ইসলামী বগুড়ার নন্দীগ্রামে বিএনপি নেতার চোখ উপড়ে ফেলছে জামায়াত-শিবিরের সন্ত্রাসীরা অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান খানের মৃত্যুতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ নির্বাচন নির্বাচন খেলায় পিছিয়ে নেই পীরসাহেব চরমোনাইয়ের দলও মিডিয়া থেকে নিউজ গায়েব কেন? ঘটনার সত্যতা কি? মিডিয়া কি নিয়ন্ত্রন করা হচ্ছে?