‘চোখ’ না থাকায় ঘূর্ণিঝড় দানায় শঙ্কা ছিল বেশি – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ২৫ অক্টোবর, ২০২৪
     ১০:৫০ পূর্বাহ্ণ

‘চোখ’ না থাকায় ঘূর্ণিঝড় দানায় শঙ্কা ছিল বেশি

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ২৫ অক্টোবর, ২০২৪ | ১০:৫০ 209 ভিউ
ভারতের ওড়িশার উপকূলে আঘাত হেনেছে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ১২ মিনিটে ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ওড়িশার ভিতরকণিকা থেকে ধামারার মধ্যবর্তী স্থানে স্থলভাগ অতিক্রম করছে ঝড়টির সামনের অংশ। এ সময় ঝড়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। সর্বোচ্চ গতি রয়েছে ১২০ কিলোমিটার। জানা গেছে, শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত এর প্রভাব থাকবে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। প্রতিবেদন বলা হয়েছে, ঘূর্ণিঝড় দানার ‘চোখ’ নেই! যার কারণে ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’ আরও ভয়ংকর হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কিন্তু বিষয়টিকে সেভাবে দেখছেন না ভুবনেশ্বরের আঞ্চলিক আবহাওয়া অধিকর্তা মনোরমা মোহান্তি। তিনি জানান, চোখ না থাকায় ঠিক উল্টো বিষয়টা হবে।

যেহেতু চোখ নেই, তাই অতীতে ওড়িশায় যেসব ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়েছে, তার থেকে দুর্বল হবে দানা। তবে তিনি জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড় দানার ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া বেশ ধীরগতির হবে। কমপক্ষে তিন-চার ঘণ্টা চলবে ল্যান্ডফল। ঘূর্ণিঝড়ের জেরে সবথেকে বেশি প্রভাব পড়বে ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে। তবে ল্যান্ডফলের পরে পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হতে পারে প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘দানা’। আর তার জেরে দক্ষিণ ঝাড়খণ্ডে বেশি বৃষ্টি হতে পারে। অর্থাৎ পশ্চিমবঙ্গের নতুন করে বিপদ বাড়ছে না। ভুবনেশ্বরের আঞ্চলিক আবহাওয়া কর্মকর্তা জানান, আগামী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে প্রবল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে উত্তর ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূল পার করবে দানা। আর সেই সময় ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১০০-১১০ কিমি থাকবে।

দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় ১২০ কিমিতেও পৌঁছে যেতে পারে। সকাল পর্যন্ত ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া চলবে। সেই সঙ্গে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত সুন্দরবন (দক্ষিণ ২৪ পরগনা), সাগরদ্বীপ, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে ঘণ্টায় ৮০-৯০ কিমি বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে শুরু করবে। দমকা হাওয়ার বেগ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১০০ কিমিতে পৌঁছে যেতে পারে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার অন্যান্য অংশে ঘণ্টায় ৭০-৮০ কিমি বেগে ঝড় হবে। দমকা হাওয়ার বেগ ৯০ কিমি ছুঁতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
অস্ত্র আছে, যুদ্ধ নেই—কর্মহীন বাহিনী, সীমাহীন ক্ষমতা বাংলাদেশের সেনা-রাজনীতির বাস্তবতা মুনাফার নামে মহাধোঁকা: ঋণের গর্তে বিমান ও বন্দর গ্যাসের দাম বাড়িয়ে ৫০ হাজার কোটি টাকা লোপাট ফার্স্ট হয়েও নিয়োগ পেলেন না শিবাশ্রী, তৃতীয় হয়েও শিক্ষক হলেন ভিসির মেয়ে! জামায়াত নেতার ‘সুপারিশে’ গ্রেপ্তার আ.লীগ নেতার স্ত্রী! থানায় কথা বলতে গিয়েই হাতে হাতকড়া ‘স্বৈরাচার’ তকমা মানতে নারাজ; শেখ হাসিনার পক্ষে আবেগঘন বক্তব্য এক ব্যক্তির শাহরিয়ার কবিরের প্রতি ‘অমানবিক আচরণ’ ও বিচারহীনতা: অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য ‘কলঙ্কজনক অধ্যায়’ আওয়ামী লীগ আমলেই ভালো ছিলাম”: চাল ও গ্যাসের আকাশচুম্বী দামে সাধারণ মানুষের আক্ষেপ ১৬ বছরের উন্নয়ন আগামী ৫০ বছরেও কেউ করতে পারবে না বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। ‘আওয়ামী লীগের আমলেই ভালো ছিলাম, এখন কথা বললেই দোসর’—বিক্ষুব্ধ জনতার আক্ষেপ সেনা ষড়যন্ত্র দেশের গণতন্ত্রকে বিপন্ন করেছে, স্বাধীনতার চেতনা রক্ষার সময় এসেছে ফসলি জমি কেটে খাল খনন পরিবারসহ ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর পালানোর গুঞ্জন, বিক্ষোভে নতুন মাত্রা বিক্ষোভে উত্তাল ইরান, ইসরায়েলে হাই অ্যালার্ট জারি খামেনির দেশত্যাগের গুঞ্জন, যা জানাল ইরানি দূতাবাস টেকনাফে শিশু গুলিবিদ্ধ, সশস্ত্র গ্রুপের ৫০ সদস্য আটক এখন তোমার সব হয়েছে, পর হয়েছি আমি : রুমিন ফারহানা গৃহযুদ্ধে জর্জরিত মিয়ানমারে দ্বিতীয় পর্বের ভোট চলছে যেভাবেই হোক, গ্রিনল্যান্ড যুক্তরাষ্ট্র দখল করবেই : ট্রাম্প