ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
শ্রমিকদের কারখানায় ফিরে আসার আহ্বান শ্রমমন্ত্রীর
খুলনা অঞ্চলে চুইঝালের শতকোটি টাকার বাণিজ্য
ন্যাশনাল পেমেন্ট সুইচ থেকে ডিজিই-পে বিচ্ছিন্ন করল বাংলাদেশ ব্যাংক
তরঙ্গ নবায়ন ব্যয় যৌক্তিক করার আহ্বান মোবাইল অপারেটরদের
এশিয়া ফাউন্ডেশনের প্রকল্পে ৯০ হাজার উদ্যোক্তাকে সাইবার নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ
তরঙ্গের দাম সাশ্রয়ী হলে টেলিযোগাযোগে বিনিয়োগ বাড়বে, বললেন ভিওনের সিইও কান তেরজিওগ্লো
গাজীপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষে ৩০ আহত, ৬০ কারখানায় ছুটি ঘোষণা
শ্রমিক অসন্তোষে স্থবির দেশের প্রধান রপ্তানি খাত: বড় সংকটের মুখে তৈরি পোশাকশিল্প
শ্রমিক অসন্তোষের জেরে দেশের প্রধান রপ্তানি খাত তৈরি পোশাকশিল্পে উৎপাদন ও রপ্তানি কার্যক্রম এক বড় ধরনের মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে বিভিন্ন স্থানে আন্দোলন, কারখানায় হামলা-ভাঙচুর এবং সড়ক অবরোধের প্রভাবে অসংখ্য কারখানার উৎপাদন সম্পূর্ণ বন্ধ রয়েছে।
ফলে নির্ধারিত সময়ে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে পণ্য জাহাজীকরণ (শিপমেন্ট) নিয়ে তীব্র অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
গতকাল নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সাভারের হেমায়েতপুর এবং গাজীপুরের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে দফায় দফায় বিশৃঙ্খলা ও উত্তেজনার ঘটনা ঘটে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে শিল্পোদ্যোক্তারা চরম উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, দ্রুত এই বিশৃঙ্খলা বন্ধ করে শ্রমিকরা কাজে না ফিরলে এবং কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক না হলে এর আঘাত কেবল সংশ্লিষ্ট কারখানার আর্থিক ক্ষতির মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে না;
বরং তা দেশের সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং পুরো অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি ও মারাত্মক চাপ তৈরি করবে। চলমান এই অস্থিরতার কারণে তৈরি পোশাকশিল্প এক গভীর খাদের কিনারায় উপনীত হয়েছে। পোশাক খাতের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত ব্যাক-ওয়ার্ড লিংকেজ ও অন্যান্য শিল্প খাতও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের ক্রেতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, কারখানার নিরাপত্তা এবং উদ্যোক্তাদের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে এখন বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারখানার ভেতরে ও বাইরে এই ধরনের ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও নিরাপত্তাহীনতায়
ভুগবেন, যা সামগ্রিক শিল্প পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্ভূত সংকট নিরসনে কারখানা মালিক, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের অবিলম্বে কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এই পোশাক খাত দীর্ঘমেয়াদি স্থবিরতার মুখে পড়তে পারে।
বরং তা দেশের সামগ্রিক রপ্তানি বাণিজ্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং পুরো অর্থনীতির ওপর দীর্ঘমেয়াদি ও মারাত্মক চাপ তৈরি করবে। চলমান এই অস্থিরতার কারণে তৈরি পোশাকশিল্প এক গভীর খাদের কিনারায় উপনীত হয়েছে। পোশাক খাতের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িত ব্যাক-ওয়ার্ড লিংকেজ ও অন্যান্য শিল্প খাতও সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা সম্ভব না হলে আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের পোশাক শিল্পের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে বড় ধরনের ক্রেতা হারানোর আশঙ্কা রয়েছে। শিল্পসংশ্লিষ্টরা জানান, কারখানার নিরাপত্তা এবং উদ্যোক্তাদের জীবন ও সম্পত্তির সুরক্ষা নিয়ে এখন বড় ধরনের শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারখানার ভেতরে ও বাইরে এই ধরনের ভাঙচুর ও বিশৃঙ্খলা চলতে থাকলে সাধারণ ও শান্তিপ্রিয় শ্রমিকরাও নিরাপত্তাহীনতায়
ভুগবেন, যা সামগ্রিক শিল্প পরিবেশের জন্য মারাত্মক হুমকি। বিশেষজ্ঞদের মতে, উদ্ভূত সংকট নিরসনে কারখানা মালিক, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং সরকারের নীতিনির্ধারক মহলের অবিলম্বে কার্যকর আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত একটি সুনির্দিষ্ট ও গ্রহণযোগ্য সমাধান খুঁজে বের করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এই পোশাক খাত দীর্ঘমেয়াদি স্থবিরতার মুখে পড়তে পারে।





