ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আরও খবর
পাহাড়ে নির্মম খুন: কক্সবাজারে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যুবককে কুপিয়ে হত্যা
মেসে অন্যের ভাত খেয়ে নেওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে ছাদ থেকে ফেলে হত্যা
নাম বদলে ‘উজ্জ্বল’ থেকে ‘আয়াস’: জুলাই চেতনার বড়ি বেচে চাঁদাবাজি-মবের হোতা
সকালে চা খেয়ে রাস্তায় দাঁড়িয়ে থাকা বীর মুক্তিযোদ্ধাকে ছুরিকাঘাতে হত্যা
কেরানীগঞ্জে সেলুনে ঢুকে যুবককে এলোপাতাড়ি গুলি, কুপিয়ে হত্যা
গৃহকর্মী তানিয়ার শরীরজুড়ে খুন্তির ছ্যাঁকা, মাথায় গুরুতর আঘাত, পচন ধরেছে দুই পায়ে
পুলিশকে পাথর মেরে আসামি ছিনতাই
পাবনার চাঞ্চল্যকর শিশু ধর্ষণ ও হত্যাঃ মাগরিবের নামাজ পড়ে উঠেই কয়েকদফা ধর্ষণ করা হয় শিশু কলিকে
পাবনার ১০ বছরের শিশু কলিকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মুদি দোকানি মোস্তফা প্রামাণিক রিমান্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। পুলিশের ভাষ্য, মাগরিবের নামাজ শেষে উঠেই তিনি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন এবং এর প্রায় ১৫ মিনিটের মধ্যে তাকে হত্যা করেন। এরপর কলির পরিবারের সঙ্গে নিখোঁজ শিশুর সন্ধানেও অংশ নেন তিনি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবির এসআই (নি.) বেনু রায় পিপিএম রোববার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, ঘটনার পর রাত ১০টার দিকে মোস্তফা আবার নিজের দোকান খোলেন।
নিখোঁজের সাত দিন পর মরদেহ উদ্ধার
চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী কলি গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর নিখোঁজ হয়। সাত দিন পর ১৬ সেপ্টেম্বর সকালে বাড়ির পাশের একটি ডোবা
থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। মরদেহ উদ্ধারের দিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোস্তফা ও তাঁর ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। তবে অভিযুক্তরা দ্রুত মুখ খোলায় রিমান্ড আগেই শেষ হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। যেভাবে সন্দেহ, যা বলছে পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, মোস্তফাকে ধরতে যাওয়ার আগে পুলিশ স্থানীয় এক ইউপি সদস্যকে তাঁর কাছে পাঠায়। ওই সদস্য তাঁর হাত ধরলে তিনি কাঁপতে শুরু করেন, যা দেখে সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়। এরপর তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনার পর কয়েক দিন মোস্তফা
কলির বাবার সঙ্গেই ছিলেন। গভীর রাতে ফোনে পরিবারের খোঁজখবর নিতেন। কলির সন্ধান ও বিচার চেয়ে হওয়া বিক্ষোভ ও মানববন্ধনেও তিনি অংশ নেন। মরদেহ উদ্ধারের সময়ও তিনি পুলিশ ও সাংবাদিকদের পাশেই ছিলেন। পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন সকালে কলি তার ভাইকে নিয়ে মোস্তফার দোকানে চিপস কিনতে গিয়েছিল। তখন মোস্তফা তাঁর মোবাইল ফোনে শিশুটির আপত্তিকর ভঙ্গির ছবি তোলেন। ফোন পরীক্ষা করে এসব ছবি পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফোনে দোকানে আসা আরও কয়েকটি অল্পবয়সী মেয়ের আপত্তিকর ছবিও মিলেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা দাবি করেন। সন্ধ্যায় কলি দোকানের সামনের বেঞ্চে বসে ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী তখন মোস্তফাকে মাগরিবের নামাজ পড়তে দেখেছেন বলে পুলিশ জানায়। পুলিশের ভাষ্য, নামাজের পর
তিনি শিশুটিকে দোকানের পেছনের কক্ষে নিয়ে যান, সেখানে ধর্ষণ করেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ সরানোর চেষ্টা করলেও দুর্গন্ধ ও কুকুরের তাড়ায় তা পারেননি বলে পুলিশ আগে জানিয়েছিল। “দুজন মিলে” বনাম অস্বীকার রিমান্ডে মোস্তফা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, তিনি বলেছেন দুজন মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছেন। অন্যদিকে ইয়াসিন আলী ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, হত্যার পর মোস্তফা সহযোগিতা চাইলে তিনি শুধু ওই কাজে সহায়তা করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্তের প্রায় ৯৯ শতাংশ শেষ। বাকি আছে ডিজিটাল ফরেনসিকসহ কিছু পরীক্ষার প্রতিবেদন। সোমবার শিশুটির সব আলামত রাজশাহী সিআইডিতে পাঠানো হবে। ফরেনসিক
প্রতিবেদনে দুজনের বীর্যের আলামত মিললে এবং তা নিশ্চিত হলে ধর্ষণে দুজনের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হবে। এরপর দ্রুত আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভাঙচুর, আদালত ঘেরাও ঘটনার পর থেকে গত তিন দিন ধরে উৎসুক জনতা অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করছে। এতে বাড়িটির প্রায় ৮০ শতাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দাবিতে নিহতের স্বজন ও সাধারণ মানুষ পাবনা আদালত ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেন। মামলার কালক্ষেপণ হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
থেকে বস্তাবন্দি অবস্থায় তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে ময়নাতদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় ধর্ষণের আলামত পাওয়া যায়। মরদেহ উদ্ধারের দিনই তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মোস্তফা ও তাঁর ভাড়াটিয়া ইয়াসিন আলীকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ ৫ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত তা মঞ্জুর করেন। তবে অভিযুক্তরা দ্রুত মুখ খোলায় রিমান্ড আগেই শেষ হয়েছে বলে জানায় পুলিশ। যেভাবে সন্দেহ, যা বলছে পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তার ভাষ্য, মোস্তফাকে ধরতে যাওয়ার আগে পুলিশ স্থানীয় এক ইউপি সদস্যকে তাঁর কাছে পাঠায়। ওই সদস্য তাঁর হাত ধরলে তিনি কাঁপতে শুরু করেন, যা দেখে সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়। এরপর তাঁকে আটক করা হয়। পুলিশ বলছে, ঘটনার পর কয়েক দিন মোস্তফা
কলির বাবার সঙ্গেই ছিলেন। গভীর রাতে ফোনে পরিবারের খোঁজখবর নিতেন। কলির সন্ধান ও বিচার চেয়ে হওয়া বিক্ষোভ ও মানববন্ধনেও তিনি অংশ নেন। মরদেহ উদ্ধারের সময়ও তিনি পুলিশ ও সাংবাদিকদের পাশেই ছিলেন। পুলিশের দাবি, ঘটনার দিন সকালে কলি তার ভাইকে নিয়ে মোস্তফার দোকানে চিপস কিনতে গিয়েছিল। তখন মোস্তফা তাঁর মোবাইল ফোনে শিশুটির আপত্তিকর ভঙ্গির ছবি তোলেন। ফোন পরীক্ষা করে এসব ছবি পাওয়া গেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফোনে দোকানে আসা আরও কয়েকটি অল্পবয়সী মেয়ের আপত্তিকর ছবিও মিলেছে বলে তদন্ত কর্মকর্তা দাবি করেন। সন্ধ্যায় কলি দোকানের সামনের বেঞ্চে বসে ছিল। একজন প্রত্যক্ষদর্শী তখন মোস্তফাকে মাগরিবের নামাজ পড়তে দেখেছেন বলে পুলিশ জানায়। পুলিশের ভাষ্য, নামাজের পর
তিনি শিশুটিকে দোকানের পেছনের কক্ষে নিয়ে যান, সেখানে ধর্ষণ করেন এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে হত্যা করেন। পরে মরদেহ সরানোর চেষ্টা করলেও দুর্গন্ধ ও কুকুরের তাড়ায় তা পারেননি বলে পুলিশ আগে জানিয়েছিল। “দুজন মিলে” বনাম অস্বীকার রিমান্ডে মোস্তফা ধর্ষণ ও হত্যার কথা স্বীকার করেছেন। পুলিশের দাবি, তিনি বলেছেন দুজন মিলে শিশুটিকে ধর্ষণ ও হত্যা করেছেন। অন্যদিকে ইয়াসিন আলী ধর্ষণ ও হত্যায় জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছেন। তাঁর দাবি, হত্যার পর মোস্তফা সহযোগিতা চাইলে তিনি শুধু ওই কাজে সহায়তা করেছেন। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, তদন্তের প্রায় ৯৯ শতাংশ শেষ। বাকি আছে ডিজিটাল ফরেনসিকসহ কিছু পরীক্ষার প্রতিবেদন। সোমবার শিশুটির সব আলামত রাজশাহী সিআইডিতে পাঠানো হবে। ফরেনসিক
প্রতিবেদনে দুজনের বীর্যের আলামত মিললে এবং তা নিশ্চিত হলে ধর্ষণে দুজনের সম্পৃক্ততা স্পষ্ট হবে। এরপর দ্রুত আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। ভাঙচুর, আদালত ঘেরাও ঘটনার পর থেকে গত তিন দিন ধরে উৎসুক জনতা অভিযুক্তের বাড়ি ভাঙচুর করছে। এতে বাড়িটির প্রায় ৮০ শতাংশ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। রোববার দুপুরে সাত দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিলের দাবিতে নিহতের স্বজন ও সাধারণ মানুষ পাবনা আদালত ও জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও করেন। মামলার কালক্ষেপণ হলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।



