কানাডার ফুটবল সাফল্যকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ: শমিত – ইউ এস বাংলা নিউজ




ইউ এস বাংলা নিউজ ডেক্স
আপডেটঃ ১২ June, ২০২৬

কানাডার ফুটবল সাফল্যকে অনুসরণ করতে পারে বাংলাদেশ: শমিত

ডেস্ক নিউজ
আপডেটঃ ১২ June, ২০২৬ |
এক সময় কানাডার যুব দল ও মূল দল দুটোতেই খেলেছেন শমিত সোম। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের মাঝমাঠের বড় ভরসা। এক বছর আগে লাল-সবুজ জার্সি গায়ে অভিষেক হওয়া শমিত এখন দলের ট্যাকটিকাল পরিকল্পনার মধ্যমণি। শমিতের জন্ম যেখানে, সেই কানাডা এবার ফিফা বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক। বিশ্বকাপ নিয়ে নিজের স্মৃতি, এবারের আসর নিয়ে ভবিষ্যদ্বাণী, বাংলাদেশ দলের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা এবং আরও অনেক কিছু নিয়ে শমিত কথা বলেছেন দ্য ডেইলি স্টারের সামসুল আরেফীন খানের সঙ্গে। দ্য ডেইলি স্টার: প্রথমবারের মতো সহ-আয়োজক হিসেবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে কানাডা। যে দেশে আপনার জন্ম, সে দেশকে বিশ্বকাপ আয়োজন করতে দেখে কেমন লাগছে? শমিত: ভীষণ রোমাঞ্চকর অনুভূতি। আমি নিজেকে

ভাগ্যবান মনে করি যে, কানাডা জাতীয় দলের অংশ ছিলাম এক সময়, ফুটবল বিশ্বে দেশটির উত্থানের অংশীদারও ছিলাম। দ্য ডেইলি স্টার: কানাডার হয়ে এই বিশ্বকাপে খেলছে এমন অনেকের সঙ্গে তো আপনি একসাথে খেলেছেন? শমিত: হ্যাঁ, বেশিরভাগের সাথেই আমি বয়সভিত্তিক পর্যায়ে খেলেছি। মন্ট্রিয়লেও কেউ কেউ আমার সতীর্থ ছিল। আমি অবশ্যই কানাডা ও আমার আগের সতীর্থদের সমর্থন করব। চাইবো যেন কানাডা নক-আউট পর্বে উঠতে পারে। দ্য ডেইলি স্টার: আপনার কী মনে হয়, এই টুর্নামেন্ট কানাডার ফুটবল সত্ত্বাকে কীভাবে গড়ে দিতে পারে? কানাডার ফুটবল এই পর্যন্ত আসার যাত্রা থেকে বাংলাদেশই বা কী শিখতে পারে? শমিত: আমি মনে করি এই বিশ্বকাপ আয়োজন কানাডার ফুটবল সংস্কৃতিকে অনেকটাই

উন্নত করবে। এছাড়া সামগ্রিকভাবে গোটা উত্তর আমেরিকার ফুটবলের উপরেও দারুণ প্রভাব ফেলবে। ফুটবলে কানাডার সাম্প্রতিক যে সাফল্য, আমার মনে হয় বাংলাদেশের সেটা অনুসরণ করার মতো যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে। তবে এর জন্য জাতীয় দলের উন্নতি করার ব্যাপারে সবাইকে অঙ্গীকারবদ্ধ হতে হবে। তাহলেই আমরা দুর্দান্ত কিছু অর্জন করতে পারব। দ্য ডেইলি স্টার: চট করে বিশ্বকাপের সাথে আপনার ব্যক্তিগত স্মৃতিগুলো জেনে নেওয়া যাক। আপনার বিশ্বকাপ দেখার প্রথম স্মরণীয় স্মৃতি, আর সবচেয়ে প্রিয় মুহূর্ত কোনটি? শমিত: আমার প্রথম বিশ্বকাপ দেখার স্মৃতি ২০০৬ সালের। জিনেদিন জিদানের ওই বিতর্কিত কাণ্ড, জার্মানির বিশ্বকাপা আয়োজন করা- ওই সময় থেকেই আমি প্রথম জার্মানিকে সমর্থন করা শুরু করি। ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত

২০১৪ বিশ্বকাপ আমি ভীষণ উপভোগ করেছি। ওই বিশ্বকাপের আবহ সত্যিই অন্যরকম ছিল। কিছু মনে রাখার মতো মুহূর্তও ছিল- হামেস রদ্রিগেজের ওই ভলি থেকে করা গোল, নেইমারের ইনজুরি, আর জার্মানির ব্রাজিলকে বড় ব্যবধানে হারানো। দ্য ডেইলি স্টার: এই বিশ্বকাপে কাকে সমর্থন করছেন? শমিত: নিরপেক্ষ সমর্থক হিসেবে ব্রাজিল আর পর্তুগালকে সমর্থন করব। দ্য ডেইলি স্টার: আপনার চার সেমিফাইনালিস্ট কারা কারা? শমিত: ব্রাজিল, পর্তুগাল, ইংল্যান্ড আর সেনেগাল। আমার মনে হয় এবার ব্রাজিল জিতবে। দ্য ডেইলি স্টার: কোন কোন ফুটবলারদের খেলা দেখতে বিশেষভাবে মুখিয়ে আছেন? শমিত: পর্তুগালের ভিতিনহা আর ইংল্যান্ডের ডেকলান রাইস। দুজনই এই মুহূর্তে সেরা ফর্মে আছে। বিশ্বকাপে কেমন খেলে দেখার জন্য

অপেক্ষা করছি। এছাড়া ফ্রান্সের ডেম্বেলেও দারুণ ফর্মে আছে। উঠতি খেলোয়াড়দের মধ্যে আর্জেন্টিনার নিকো পাজের খেলা দেখতে মজা লাগবে আশা করছি। দ্য ডেইলি স্টার: মাঠে বসে কোনো নির্দিষ্ট ম্যাচ দেখার পরিকল্পনা আছে? শমিত: এখনও ঠিক করিনি মাঠে বসে দেখব না কি বাসা থেকেই উপভোগ করব। দেখা যাক। দ্য ডেইলি স্টার: প্রায় এক বছর হতে চললো বাংলাদেশের হয়ে আপনার অভিষেক হয়েছে। ছয়টি ম্যাচও খেলে ফেলেছেন। এখন পর্যন্ত অভিজ্ঞতা কেমন? শমিত: দারুণ অভিজ্ঞতা এখন পর্যন্ত… সবাই এত সহযোগিতাপূর্ণ আর আমাকে এত সহজে নিজেদের একজন করে নিয়েছে, এটাই আমাকে নিজের সর্বোচ্চটা দিয়ে পারফর্ম করার অনুপ্রেরণা যোগায়। আমার মনে হয় গত বছর আমরা যে মানের

ফুটবল খেলেছি সেই অনুযায়ী ফলাফল আসেনি। কিন্তু ফুটবল আসলে এমনই। আমি আশাবাদী যে আমরা উন্নতির ধারা অব্যাহত রাখতে পারব, এবং সেই সাথে সাফল্যও আনতে পারব। দ্য ডেইলি স্টার: জাতীয় দলের নতুন কোচ হিসেবে থমাস ডুলির আগমনকে কীভাবে দেখছেন? শমিত: আমার মনে হয় কোচ হিসেবে দারুণ একজনকে নিয়োগ দিয়েছে ফেডারেশন (বাফুফে)। খেলোয়াড় এবং কোচ দুই ভূমিকাতেই তাঁর অনেক অভিজ্ঞতা রয়েছে। তাঁর সাথে কাজ করতে ও নতুন কিছু শিখতে মুখিয়ে আছি। দ্য ডেইলি স্টার: এএফসি এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ বেশ কয়েকটি ম্যাচ খেলেছেন। উত্তর আমেরিকায় আপনার যে ফুটবলের অভিজ্ঞতা, তার সাথে এশিয়ার আন্তর্জাতিক ফুটবলের পার্থক্য কোথায় দেখছেন? শমিত: দুই জায়গার ফুটবল কাঠামো

আর পরিবেশ আলাদা। উত্তর আমেরিকার ক্লাব ফুটবলকে যদিও এখনো সেভাবে মূল্যায়ন করা হয় না, কিন্তু খেলার মান বেশ শক্তিশালী। ওখানকার ক্লাব ফুটবলের চেয়ে এখানে আন্তর্জাতিক ফুটবল খেলার অভিজ্ঞতা আমার কাছে একদমই ভিন্ন মনে হয়েছে। এশিয়ায় ফুটবল নিয়ে যে উন্মাদনা, এবং প্রতিটি দেশ তাদের জাতীয় দল নিয়ে যেভাবে গর্ববোধ করে, সেটা বেশ ভালো ভাবে বোঝা যায়। এ ধরণের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আবহে খেলতে আমি পছন্দ করি। দ্য ডেইলি স্টার: বিশ্বকাপের সময় বাংলাদেশে ফুটবল উন্মাদনা তো অন্য মাত্রায় পৌঁছে যায়। সমর্থকেরা নিজেদের পছন্দের দেশের পতাকা টানায়। স্থানীয় লোকজনের ফুটবল নিয়ে এই প্যাশনকে কীভাবে দেখেন? শমিত: বাংলাদেশি সমর্থকেরা অনবদ্য। নিজের দেশ আর অন্য যে দেশকে সমর্থন করে দুটোর প্রতিই তাদের তীব্র আবেগ কাজ করে। এ ধরণের সমর্থন আমাদের প্রতিনিয়ত নিজেদের উন্নত করতে অনুপ্রেরণা দেয়, যা দিনশেষে বাংলাদেশ ফুটবলের জন্যই মঙ্গলজনক। দ্য ডেইলি স্টার: এদেশের কোটি কোটি মানুষ স্বপ্ন দেখে বাংলাদেশ একদিন বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলবে। জাতীয় দলের একজন সদস্য হিসেবে আপনার কী মনে হয়, বাংলাদেশের জন্য বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ কেমন হওয়া উচিত? শমিত: আমি মনে করি এটা অবশ্যই সম্ভব, এবং নিকট ভবিষ্যতে বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলবে। ফেডারেশন এবং পুরো দেশ মিলে একসাথে সঠিক দিশায় আছে। পেশাদারত্বের উন্নতি হচ্ছে, মাঠ ও মাঠের বাইরে দুই জায়গায়ই মান আরও উন্নত হচ্ছে। স্থানীয় লীগগুলোতে বিনিয়োগ করাটা চালিয়ে যেতে হবে, যাতে করে জাতীয় দলে ঢুকতে হলে কঠিন প্রতিদ্বন্দ্বিতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। এতে করে দলের খেলার মানও আরও বাড়বে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ ফুটবলকে শক্তিশালী দেখতে চাইলে তৃণমূল পর্যায়ে বিনিয়োগ করা খুব গুরুত্বপূর্ণ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ:


শীর্ষ সংবাদ:
নূর আলম ও আদম, দুই ভিন্ন পথের মানুষ বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল পুনরায় চালু, গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে পাঠ্যবইয়ের কাগজে টনপ্রতি ২২ হাজার টাকার কারসাজি: সিন্ডিকেট হাতিয়ে নিল ৫৫ কোটি টাকা শতাধিক খাম্বা রেখেই সড়কের ৯৫% সম্পন্ন, উদ্বোধনের আগে আবার কাটতে হবে রাস্তা? শহিদ ধীরেন্দ্রনাথের বাড়ির সাইনবোর্ড ভাঙচুর এনসিপির: মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস-ঐতিহ্য নিয়ে হঠাৎ তাদের এই দরদের নেপথ্যে কী? সিলেট হৃদয়ের মহাকাব্যিক ২৪২*, অবিশ্বাস্যভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশের লিড আরেক দফা বাড়ল সবধরনের চালের দাম দেশে এলপিজির মোট চাহিদার ৮৫ শতাংশই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একক দখলে জিয়ার ছবিহীন ব্যানার, বঙ্গবন্ধুকে ‘জাতির পিতা’ আখ্যা: পরে স্কচটেপ দিয়ে জিয়ার ছবি লাগিয়ে অনুষ্ঠান সুনামগঞ্জে ৭ নভেম্বরের অনুষ্ঠান উপলক্ষে বিএনপির দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ গার্ড অব অনার ছাড়াই বীর মুক্তিযোদ্ধার দাফন, ক্ষুব্ধ স্বজনরা ২০৩০ সালের মধ্যে ঢাকায় দুটি মনোরেল রুট নির্মাণের পরিকল্পনা ঢাকার মিরপুরে নিজ বাসায় এক যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগ তুলে ফেসবুক ও এক্সে ব্যাপক প্রচারণা চালানো হয়েছে। একজন নারীর পিঠে আঘাতের চিহ্ন থাকা ছবি ব্যবহার করে এই দাবিটি ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। অর্ধশতাধিক অ্যাকাউন্ট থেকে একই ধরনের তথ্য প্রচারের বিষয়টি যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞাপন শুক্রবার (৬ নভেম্বর) দিনভর ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়, ওই নারী থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়ে ওসির সঙ্গে কথোপকথনে লিপ্ত হন। তবে পোস্টগুলোতে ঘটনার কোনো নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করা হয়নি। যাচাইয়ে ছবিটিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই ব্যবহারের তথ্য পাওয়া গেছে এবং পুলিশ জানিয়েছে, এমন কোনো অভিযোগ তাদের কাছে আসেনি। এছাড়া ওই নারীর পরিচয় বা অস্তিত্বও এখন পর্যন্ত কোথাও পাওয়া যায়নি। ছবিটি পোস্ট করা তিন ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কেউই নির্যাতনের শিকার ওই নারীর ঠিকানা বা থানায় দেওয়া অভিযোগের অনুলিপি দিতে পারেননি। তারা স্বীকার করেছেন যে, তারা অন্যের পোস্ট কপি করে নিজেদের অ্যাকাউন্টে দিয়েছেন এবং ঘটনার বিস্তারিত কিছুই জানেন না। পোস্টগুলোতে দাবি করা হয়েছে, মিরপুর থানা যুব মহিলা লীগের ‘সংগঠক’ শ্রীময়ী রীতা রানীকে তাঁর রাজনৈতিক পরিচয় ও ধর্মের কারণে বাসায় ঢুকে পাশবিক নির্যাতন করা হয়েছে। মারধরে তাঁর শরীর রক্তাক্ত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। কিছু পোস্টে ফিরোজ নামের এক ব্যক্তিকে এই নির্যাতনের জন্য দায়ী করা হয়েছে, তবে তাঁর পরিচয় নিয়ে পোস্টগুলোতে অসংগতি রয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়কের নির্দেশে এই কাজ করেছেন, আবার কোথাও তাঁকে থানা কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। পোস্টদাতাদের দাবি অনুযায়ী, ওই নারী থানায় অভিযোগ করতে গেলে ওসি তাঁকে সৌন্দর্যই তাঁর ‘কাল’ বলে মন্তব্য করেন এবং বোরকা পরার পরামর্শ দেন। এ ধরনের অভিযোগ তুলে পোস্টগুলোতে সংখ্যালঘু সুরক্ষা ও নারী নিরাপত্তাসহ নারীবাদীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই পোস্টগুলোর মধ্যে প্রথম তথ্য পাওয়া যায় শুক্রবার বেলা ১১টা ৫৯ মিনিটে ‘এফ কে জয় জয়’ নামের একটি ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে। পরবর্তীতে ‘মুকুল আহমেদ’ ও ‘সুমন মল্লিক’ নামের আরও দুটি প্রোফাইল থেকে একই পোস্ট দেওয়া হয়, যেগুলোর আগের পোস্ট পর্যালোচনা করে দেখা যায় সেগুলো নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের পক্ষে নিয়মিত প্রচার চালায়। বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন নিজের ফেসবুক পেজে ছবিটি পোস্ট করলে তাতে রাত আটটা পর্যন্ত প্রায় চার হাজার প্রতিক্রিয়া পড়ে। এক্সেও ‘Dr Baidyanath Ghosh’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ছবিটি ছড়ানো হয়, যা রাত নয়টা পর্যন্ত ১ লাখ ৪৮ হাজার বার দেখা হয়েছে। ছবিটি ছড়িয়ে পড়লে জনমনে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় এবং অনেকে সত্যতা জানতে চেয়ে যোগাযোগ করেন। ছবিটি যাচাইয়ের জন্য সিন্থআইডি, ওপেনএআইয়ের এআই-জেনারেটেড কনটেন্ট যাচাইয়ের টুল ও হাইভ মডারেশন ব্যবহার করা হয়েছে। সব টুলই নিশ্চিত করেছে যে ছবিটি তৈরিতে এআই প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়েছে। এর সূত্র খুঁজতে গিয়ে প্রায় এক মাস আগের ভারতের কেরালায় এক নববধূকে নির্যাতনের ঘটনার ছবির সঙ্গে মিল পাওয়া গেছে, যা সম্পাদনা করে এই নতুন ছবিটি তৈরি করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া যুব মহিলা লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, তাদের সংগঠনে ‘সংগঠক’ নামে কোনো পদ নেই। মিরপুর থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান সন্ধ্যায় জানান, তাঁর থানা এলাকায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি এবং কোনো নারী অভিযোগ নিয়ে থানায় আসেননি। এছাড়া মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার জানিয়েছেন, তাঁর বিভাগের অধীন কোনো থানায় এমন কোনো মামলা বা অভিযোগ জমা পড়েনি। বিজ্ঞাপন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিযুক্ত হিসেবে নাম আসা মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সভাপতি ফিরোজ আহমেদ বলেন, ‘এমন কোনো বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তাঁকে চিনিও না। এলাকায় এমন নামে কেউ আছেন, আবার তিনি যুব মহিলা লীগ করেন—এমন শুনিওনি। কেউ বলতেও পারছেন না। অনেক পুলিশ কর্মকর্তা ও গোয়েন্দা সংস্থার লোকেরাও আমাকে ফোন দিয়েছেন।’ যুব মহিলা লীগ নেত্রীকে নির্যাতনের দাবি: এআই ব্যবহারের প্রমাণ ও নারীর খোঁজ মেলেনি হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হিসেবে স্টিফেন মিলারকে বেছে নিলেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে গ্রেপ্তার প্রিন্স হ্যারির শ্বশুর টমাস মার্কেল চীনের অতি গোপনীয় স্পেসপ্লেনের ছবি প্রকাশ করল যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মক্তব শিক্ষক গ্রেপ্তার সব অন্যায় ও গুম-খুনের বিচার করতে আমরা বদ্ধপরিকর: আইনমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের